
মোঃ কাওছার আহম্মেদ, গাইবান্ধাঃ সরকারি ধান-চাল সংগ্রহে অনিয়ম ও কৃষকের অজান্তে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার এলএসডি গোলাপবাগের খাদ্য পরিদর্শক ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পারভেজ হোসেন। পারভেজ হোসেন বলেন, সরকারি বিধিবিধান মেনেই ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। কৃষকের অ্যাপের মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ এবং তাঁদের ব্যাংক হিসাবে সরাসরি অর্থ পরিশোধ করা হয়েছে। ফলে কৃষকের অজান্তে ভুয়া ভাউচার তৈরি করে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন ও মনগড়া। আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। আমি আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।” পারভেজের দাবি, কয়েকটি প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য না নিয়েই একতরফাভাবে অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে তাঁর সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “আমার কোনো অনিয়ম থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ না মিললে আমাকে এভাবে অপপ্রচারের শিকার করা হচ্ছে কেন, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।” খাদ্য বিভাগ জানিয়েছে, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তিনটি এলএসডির মাধ্যমে চলতি মৌসুমে ৪,৯৬৩ মেট্রিক টন ধান, ১০,৬৩৫ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৬৫৩ মেট্রিক টন আতপ চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। ভুয়া ভাউচার সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে পারভেজ হোসেনের বক্তব্য—সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হোক। নথিপত্র যাচাই ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে।





























