শিরোনাম
মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা,একজনের যাবজ্জীবন,একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ অসহায় পরিবারের পাশে আলহাজ্ব হযরত আলী: মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত নাঙ্গকোটে হাফেজে কোরআনের মা-বাবা হতে চাই শীর্ষক আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশ আজমিরীগঞ্জে ৫০ শয্যার আধুনিক ভবন,তবু সেবা মিলছে ৩১ শয্যার! বাক্সবন্দি যন্ত্রপাতি নষ্ট শেরপুর সীমান্তে ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিদেশ যাওয়ার স্বপ্নে ঘাটে ঘাটে বিক্রি

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ

Image

ইঞ্জিনের সঙ্গে একটা ছোট্ট রুম। সেখানে ঢোকানো হলো প্রায় ১০০ জনকে। ঠিকমতো বসা তো দূরের কথা, নড়াচড়া করারই ছিল না কোনো সুযোগ। বন্ধ ফ্রিজের মধ্যে আটকে থাকলে যেমন হতে পারে অনুভূতি, লাগছিল তেমনই।


আর এভাবে বন্দি করে শতাধিক মানুষকে জলপথে নেওয়া হচ্ছিল কক্সবাজার থেকে টেকনাফ হয়ে পাশের দেশ মিয়ানমারে। উদ্দেশ্য পাচারের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায়।


যদিও এই বন্দিরা স্বেচ্ছায় ধরা দিয়েছিলেন পাচারকারীদের হাতে। তাদের স্বপ্ন ছিল কম খরচে বিদেশ যাওয়ার। আর সেই স্বপ্নপূরণের আশায় পা দিয়েছিলেন এমন এক ফাঁদে, যেখান থেকে বেঁচে ফেরাটাই বরং বিস্ময়ের।


ঘাটে ঘাটে পণ্যের মতো বিক্রি হতে থাকা বা আরও স্পষ্ট করে বললে দালালের হাতবদল হতে থাকা বিল্লালের সঙ্গে কথা হয় আগামীর সময়ের। কেন এত ঝুঁকি নিয়ে যাচ্ছিলেন বিদেশ, কেমন ছিল সেই যাত্রা; এমন প্রশ্নে গল্পের ঝাঁপি খুলে বসেন তিনি।


নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারের কড়ইতলা গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল। স্বপ্ন দেখেছিলেন বিদেশ গিয়ে ভাগ্যবদলের। কম খরচে বিদেশ যাওয়ার জন্য ধরেন স্থানীয় দালাল শাহ আলমের হাত। তবে একা নন, পাঁচ বন্ধু ও পাশের গ্রামের ১৪ জনসহ ১৯ জন শুরু করেন সেই যাত্রা।


শুরুতে কড়ইতলা থেকে নেওয়া হয় ঢাকার সাভারে। এরপর বদল হয়েছে একের পর এক দালাল। একসময় শুরু হয় অজানা গন্তব্যের পথে যাত্রা, যার শেষ ছিল মিয়ানমারের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বন্দিজীবন।


সেখানে আড়াইহাজার থেকে আনা ১৯ জনকেই বিভিন্ন দালালের কাছে করা হয় বিক্রি। এরপর পরিবারের কাছে ফোন করে চাওয়া হয় মুক্তিপণ। যাদের পরিবার টাকা দিতে পেরেছে, তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে দেশে; আর যারা টাকা দিতে পারেনি, তাদের ওপর চলেছে টানা নির্যাতন। আট মাস নির্যাতন চালিয়ে একপর্যায়ে তুলে দেওয়া হয়েছে মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। এরপর আদালতের মাধ্যমে বয়সভেদে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড।


বিল্লাল যখন সেই দুর্বিষহ জীবনের কথা বলছিলেন, তার চোখে স্পষ্ট হচ্ছিল ভয়।


জানালেন, কক্সবাজার হয়ে টেকনাফের দিকে নেওয়ার সময় চোখে পড়েছিল একদল অস্ত্রধারীকে। যাদের হাতের অস্ত্রে লাগানো ছিল সাইলেন্সার। পাহারার নমুনা দেখেই বুঝতে পেরেছিলেন পড়েছেন বড় ফাঁদে। বিদেশযাত্রী নন, তারা আসলে বন্দি।


‘পরে আমাদের জাহাজের ভেতর ছোট ছোট জায়গায় গুঁজে রাখা হয়, ইঞ্জিনের সঙ্গে একটা রুম, তাতে ১০০ জনের ওপরে ছিলাম। নড়াচড়া করারও সুযোগ ছিল না। মনে হচ্ছিল একটা বন্ধ ফ্রিজের মধ্যে আছি’, যোগ করেন বিল্লাল।


তবে এখানেই শেষ নয়। মিয়ানমারে পৌঁছার পর শুরু হয় নতুন অধ্যায়। মুক্তিপণের জন্য প্রতিদিন করা হতো মারধর, আচরণ ছিল অমানবিক, বেঁচে থাকার জন্য যে খাবার দেওয়া হতো, তা এককথায় ছিল অখাদ্য।


বিল্লাল বলছিলেন, ‘এমনভাবে অত্যাচার করত, মনে হতো মরে যাই।’


পরিবারের কাছে একাধিকবার টেলিফোন করে মুক্তিপণের টাকা দাবি করা হয় বলে জানালেন বিল্লাল। আবুল কালাম আজাদ নামে এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যিনি সাংবাদিক পরিচয়ে ফোন করে টাকা ঠিকই নিয়েছিলেন, কিন্তু বিল্লালকে আর পাঠানো হয়নি বাড়িতে।


মিয়ানমারের কারাগার থেকে সেই আবুল কালামকে এতবার যে টেলিফোন করেছেন বিল্লাল, সেই নম্বরটি রীতিমতো মুখস্থ। সেই নম্বরে শুক্রবার রাতে কল করা হয় আগামীর সময়ের পক্ষ থেকে। অবশ্য, সাংবাদিক পরিচয় দেওয়া হয়নি।


শুরুতে পাচারে সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেন আবুল কালাম। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অর্থ আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলেও অস্বীকার করলেন সেসব।


কিন্তু বিল্লাল বারবারই দাবি করছিলেন, এই ব্যক্তিকেই তার পরিবার টাকা দিয়েছে কয়েক দফায়। এমনকি পরিস্থিতির চাপ, ছেলেকে মুক্ত করতে দালালদের জন্য বারবার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে মানসিক চাপ সইতে না পেরে মারা যান তার মা-ও।


দালালদের কারণে চোখের সামনে নিজের পরিবারকে হতে দেখেছেন ধ্বংস। এখন কাটিয়ে উঠতে পারছেন না মায়ের মৃত্যুর শোকও। বিল্লালের শুধু একটাই চাওয়া, অপরাধীদের যথাযথ বিচার।

একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানা গেল আরেক ভুক্তভোগী জুয়েলের কাছে।


তিনি বলছিলেন, ‘দালালদের প্রলোভনে পড়ে চেয়েছিলাম কম খরচে বিদেশ যেতে। আগে আমাদের এলাকায় অনেকে গেছে, তাই ভাবছিলাম যদি যেতে পারি। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি যে কষ্ট আর অত্যাচার। এমন জানলে টাকা দিয়ে এভাবে আসতাম না।’


‘আমাদের যেভাবে দালাল পরিবর্তন করেছে, মানুষ এভাবে সবজিও বিক্রি করে না।’


নির্যাতনের প্রসঙ্গ টানতেই বললেন, ‘দুই হাত পেছনে বেঁধে জোরে জোরে পিটাই তো। মনে হতো এই বুঝি প্রাণটা গেল। বাসা থেকে টাকা আনতে বলত। যতক্ষণ টাকা দিতাম, ততক্ষণ আমাদের কম মারত।’


প্রায় দেড় বছর নির্যাতন সহ্য করার পর কয়েক লাখ টাকার বিনিময়ে দেশে ফিরেছেন জুয়েল। আর রোজার ঈদের আগের রাতে তিন বছর পর দেশে ফিরেছেন বিল্লাল। এই তিন বছরে কত অর্থ তার পরিবার ও মা মুক্তিপণ হিসেবে দিয়েছেন, তার কাছে নেই সঠিক হিসাবও।


এ প্রসঙ্গে বলছিলেন, ‘জমিজমা যা ছিল, সব শেষ। আমার পরিবারটাই শেষ হয়ে গেল।’


বিল্লাল আর জুয়েল যে দালালদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন, তারা স্থানীয়, এলাকার সবাই তাদের চেনেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো- এই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।


আড়াইহাজার থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন আগামীর সময়কে বললেন, এসব ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। যেসব দালালের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তাদের বিরুদ্ধেও কোনো মামলাও নেই।


অথচ আইন বলছে, প্রতারণা বা প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাঠানো হলে তা মানবপাচার হিসেবে হয় গণ্য। যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এ ছাড়া লাইসেন্স ছাড়া বিদেশে লোক পাঠানো বা ভুয়া চাকরির প্রলোভন দেখানোও দণ্ডনীয় অপরাধ।


কেন অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা করেননি, সে বিষয়ে প্রশ্ন ছিল ভুক্তভোগীদের কাছে। তারা বললেন, দালালরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন, মামলা করলে সন্তানদের হত্যার ভয় দেখান। তাই কেউ সাহস নিয়ে মামলা করতে চান না।


বিল্লাল বা জুয়েলের মতো কত মানুষ এমন প্রতারণার শিকার হয়েছেন, তার কোনো তথ্য বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) কাছে নেই।


তাদের কাছে যে তথ্য পাওয়া গেল সে অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৮০ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫০ বাংলাদেশি বিদেশে কাজ করতে গেছেন শ্রমিক হিসেবে।


আবার ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক বলছে, গত ১০ বছরে অন্তত ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৭০ জন অভিবাসী বিভিন্ন দেশ থেকে অবৈধ হয়ে ‘আউটপাস’ নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

কিন্তু এখানে কোথাও প্রতারণার শিকার হওয়া বা প্রতারিত হয়ে দেশে ফেরার পরিসংখ্যান নেই।


দালালচক্রের চক্র


দালালদের এই চক্রটি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও এরা কাজ করে বেশ সুশৃঙ্খলভাবে।


এই চক্রের একদম প্রাথমিক ধাপে থাকেন স্থানীয় দালালরা, যাদের ওপর ভার থাকে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষ সংগ্রহ।


এরপর সেই সংগ্রহ করা মানুষদের বিক্রি করা হয় ধাপে ধাপে। প্রতিটি ধাপে নির্ধারিত হয় নতুন দাম, যেন মানুষ নয়, বিক্রি হচ্ছে কোনো পণ্য।


আর এই গোটা নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে। এই চক্রের চূড়ায় অবস্থান করা মূল হোতারা তাই রয়ে যান চোখের আড়ালে।


বিল্লালের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের গ্রামের শাহ আলমের খপ্পরে পড়ে বিদেশ যেতে রাজি হয়েছিলেন তারা। এই চক্রের মূল হোতা রশিদুল্লাহ ও শহিদুল্লাহ নামের দুই ভাই, যারা থাকেন থাইল্যান্ড। তাদের গ্রামের বাড়ি বিশনন্দীর মানিকপুর গ্রামে।


মূলত তাদের ইশারাতেই ঢাকা, কক্সবাজার, টেকনাফ হয়ে মানুষ বিক্রি হয় মিয়ানমারে গিয়ে।


দালালদের কাজের ধরন যাচাই করতে ভুক্তভোগী বিল্লালকে দিয়ে টেলিফোন করানো হয় মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা দালাল আবদুল্লাহকে। তাকে বলা হয়, ৭ জন লোক পাঠানো হবে। সেক্ষেত্রে জনপ্রতি কত খরচ পড়বে?


জবাবে টাকা নিয়ে দরকষাকষি শুরু করেন আবদুল্লাহ। একপর্যায়ে ঠিক হয়, প্রথমে জনপ্রতি ৫০ হাজার টাকা করে দিতে হবে। নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা দিতে হবে।

এই শর্তে রাজি হওয়ার পর আবদুল্লাহ টেকনাফের এক দালালের টেলিফোন নম্বর দেন। কিন্তু সেই নম্বরে যোগাযোগ করে কাউকে পাওয়া যায়নি।


বাংলাদেশ সরকারসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা বারবারই দালালদের হাত ধরে বিদেশ যাওয়ার বিষয়টি করে আসছে নিরুৎসাহিত।


সবশেষ গত রবিবারও এক সাক্ষাৎকারে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নুরুল হক নুর বলেন, অবৈধ পথে বিদেশ গমন ঠেকাতে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে চালানো হচ্ছে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন।


কিন্তু কম খরচে বিদেশ যাওয়ার এবং প্রচুর অর্থ উপার্জনের ব্যাপারে স্থানীয় দালালরা যেভাবে প্রলোভন দেখান, সেটি খুব কম মানুষই করতে পারেন প্রতিরোধ। আর সে কারণেই বাড়ছে পাচারের সংখ্যা। 


আরও খবর




চিরিরবন্দরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুইজনের কারাদন্ড

মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন

চিরিরবন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ জনের কারাদন্ড

মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন

মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মুরাদনগরে ফুফু-ভাতিজা নিহত, জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ

শাজাহানপুরে আমরুল ইউনিয়ন যুবদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

মাঠের বাস্তব চিত্র তুলে ধরুন, আমরা ব্যবস্থা নেব’: নারায়ণগঞ্জের এসপি

চন্দনাইশে বন্যার্ত ৭৬৬ পরিবারে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন রেড ক্রিসেন্ট

সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা,একজনের যাবজ্জীবন,একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উলিপুরে ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সদরের বি‌ভিন্ন জলাশয়-পুকুরে ১০ হাজার পোনা অবমুক্ত

ফতুল্লায় দুই বেকারিকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে রসুলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও তার ভাই আটক

সোনারগাঁয়ে ৩১ নং লাধুরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আশরাফুল হাসান পলাশ

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগে পঞ্চগড়ে আনন্দ, চলছে মিষ্টি বিতরণ

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ‘অসকস’ সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও চারটি দাবি উপস্থাপন

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে সালেহ মোঃ আদনান

রংপুরের তারাগঞ্জে বড় বোনের বাসা থেকে ছোট বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিলেন নওগাঁ ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তেলিজানা আলিম মাদ্রাসায় আলোচনা,রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

মুরাদনগরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

শেৱপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কর্মী সেলিম গ্রেপ্তার

সর্বগামী তেতুলিয়া নদীর গ্রাস থেকে মুক্তি চায় গ্রামবাসী

চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম কান্ড, অভিযোগ-বদলি নিয়ে চলছে তদবির

রংপুরের তারাগঞ্জে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে এমপি সাকিলা ফারজানা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা

বাবা-মায়ের ভুলে সন্তান ডিভাইসে আসক্তিততে .নীরব মহামারি. হিসেবে দেখা দিয়েছে

১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু, ১৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বর্ণপদক

আরো ১২ জেলায় অনলাইন ই-বেইলবন্ড সিস্টেম চালু

রাতেও বিদ্যুতের চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট : জ্বালানিমন্ত্রী

তারেক রহমানের ‘ট্রিলিয়ন ডলার’ ভিশনে বিশ্বাসী মার্কিন ব্যবসায়ীরা: অতুল কেশপ

গ্যাসের সংকট আরও তীব্র, ভোগান্তি চরমে

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের বৈঠক