
মোতালেব হোসেন(কুমিল্লা)।।
কুমিল্লার মুরাদনগরের কোম্পানিগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা চোর চক্রের সক্রিয় পাঁচ নারী সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন সময় চুরি করা ১৩টি মোবাইল ফোন ও চোরাই মালামাল বিক্রির নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে কুমিল্লার বিভিন্ন বাজার ও বিপণিবিতানে কেনাকাটায় মানুষের ভিড় বাড়তে থাকায় ছদ্মবেশে সক্রিয় হয়ে ওঠে একটি চোর চক্র। চক্রটির সদস্যরা ভিড়ের মধ্যে সাধারণ ক্রেতাদের মোবাইল ফোন, টাকা, স্বর্ণালঙ্কারসহ মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, চক্রটি পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে কিছুদিন অবস্থান করে। পরে ভিড়পূর্ণ বাজার ও বিপণিবিতানে টার্গেট নির্ধারণ করে চুরি সংঘটিত করে। আসন্ন পূজায় সাধারণ মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে কেনাকাটা করতে পারেন, সে লক্ষ্যে জেলা পুলিশ বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়িয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মুরাদনগর থানার কোম্পানিগঞ্জ এলাকায় আন্তঃজেলা চোর চক্রের সদস্যরা অবস্থান করছে। পরে তথ্যের সত্যতা যাচাই করে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে চক্রটির পাঁচ নারী সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরলা আক্তার (৪২), এলেনা বেগম ওরফে হেলেনা (৪৫), বেদনা খাতুন (২৯) ও খাদিজা আক্তার (২০) এবং হবিগঞ্জ জেলার ফাহিমা আক্তার (১৯)।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে গ্রেপ্তার নারীদের পেশাদার চোর চক্রের সদস্য বলে তথ্য পাওয়া গেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ জানিয়েছে, আসন্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে—এমন যেকোনো চক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।





























