
মাসুম বিল্লাহ রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার মৌডুবী ইউনিয়নের আশাবাড়িয়া (কালাচান পাড়া) গ্রামে একটি গাভী গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। পরে একই রাতে জাকিরের বসত বাড়ি থেকে গরুটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জাকির ও জামাল বিশ্বাসকে বিবাদী করে মোসাঃ রাজিয়া বেগম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে রাঙ্গাবালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত ১৩/১০/২০২৬ তারিখ রাত ৭টার দিকে মোসাঃ রাজিয়া বেগমের একটি গাভী গরু চুরি হয়। পরে একই দিন রাত আনুমানিক ১১টার দিকে ১নং বিবাদী জাকিরের বসত বাড়িতে গরুটি পাওয়া যায়। জাকিরকে জিজ্ঞাসা করলে সাক্ষীদের সামনে সে জানায়, গরুটি ২নং বিবাদী জামাল বিশ্বাসের কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকায় ক্রয় করেছেন তিনি। এদিকে থানায় অভিযোগের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মৌডুবী বাজারে এলাকাবাসী গরু চোরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। মিছিলে বিচার চাই বিচার চাই গরু চোরের বিচার চাই "গরু চোরের ঠিকানা মৌডুবীতে হবে না" স্লোগান দেয়া হয়। স্থানীয় সচেতন মহল জানান, গত ১৫ দিনে রেজাউল হাওলাদারের ২টি, ইদ্রিসের ২টি ও মিজানুর হাওলাদারের ৩টি গরু চুরি হয়েছে। এখন চোর শনাক্ত হওয়ায় তারা তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। বাদী মোসাঃ রাজিয়া বেগম জানান, মাগরিবের নামাজের পর আমার স্বামী খালে মাছ ধরতে গিয়েছিল। মাছ না পেয়ে বাসায় ফিরে গরু দেখতে গেলে গরুটিকে না পেয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে আমরা বাসা থেকে বেরিয়ে এসে দেখি গরুটি নেই। বিবাদীরা বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরি করে থাকে। গরু চুরি করা তাদের পেশা ও নেশা। সাথী আক্তার বলেন, গরুটি চুরি হওয়ার পর আমি, আমার আম্মা ও ভাই মিলে পাশের বিলে গরু খুঁজতে গেলে জামাল বিশ্বাসের সাথে দেখা হয়। তখন তার গায়ের কাপড়-চোপড় ভেজা অবস্থায় দেখতে পাই। আমরা তাকে আমাদের সাথে গরুটি খুঁজে দিতে বললে সে তাড়াহুড়ো করে চলে যায়। অভিযুক্ত জাকির বলেন, জামাল বিশ্বাস আমার কাছে গরুর দাম ৫০ হাজার টাকা চেয়েছে। আমি ৪০ হাজার টাকা বলেছি। পরে ৪৫ হাজার টাকায় রাজি হলে আমি তাকে নগদ ৫ হাজার টাকা দিয়ে বলেছি বাকি টাকা পরে দেব। তখন জামাল আমাকে গরু দিলে আমি সরাসরি বাড়িতে নিয়ে আসি। এদিকে জাকিরের অভিযোগ অস্বীকার করে ২য় অভিযুক্ত জামাল বিশ্বাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া, মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি তার কাছে কোনো গরু বিক্রি করি নাই। রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ জসিম উদ্দিন বলেন,আমাদের এসআই দিলীপ কুমার অভিযোগের তদন্তে গিয়েছে। সে এই মামলার বিষয় ভালো বলতে পারবে। তার কাছ থেকে জানলে ভালো হবে । এসআই দিলিপ কুমার বলেন, অভিযোগ হয়েছে, তবে মাললা এজাহার ভুক্ত করা হয় নাই । বাদী আসার কথাছিল এখনও আসে নাই। বাদি মামলায় স্বাক্ষর করলে মামলা এজাহার ভুক্ত হবে ।





























