
ধর্মীয় বিদ্বেষ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে, ভোটের আগে থেকেই আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশ নিয়ে তাঁর নেতিবাচক মনোভাবের কারণে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা। ক্ষমতায় এসেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্তে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে নতুন উদ্বেগ।
ধর্মীয় বিদ্বেষ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে, ভোটের আগে থেকেই আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশ নিয়ে তাঁর নেতিবাচক মনোভাবের কারণে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা। এ ছাড়া সীমান্তে যে অংশে কাঁটাতারের বেড়া নেই, বিজেপি ক্ষমতায় এসেই সে অংশে বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্তে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেখা দিয়েছে নতুন উদ্বেগ।
পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত ২ হাজার ২১৬ কিলোমিটারের, যা ভারতের যেকোনো প্রতিবেশী দেশের চেয়ে দীর্ঘ স্থল সীমান্ত। ভাষা, সংস্কৃতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসাসহ নানা ক্ষেত্রে দুই দেশের নাগরিকদের যোগাযোগ নিবিড়। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথমবার বিজেপি সরকার আসায়, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে, তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা।
বাংলাদেশ নিয়ে বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতিবাচক মনোভাবের কারণে উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশ্লেষকেরা।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আকমল হোসেন বলেন, ‘আমরা তো চাইবোই যে ভারতের সাথে সম্পর্ক যাতে ঠিক থাকে। এখন ভারতকেও তো সেই চাওয়াটা চাইতে হবে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের অস্থিতিশীল সম্পর্ক তৈরি করা ঠিক নয়।’
বাংলাদেশে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় বসার ৩ মাসের মাথায় পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় এলো নতুন সরকার। দুই দেশের স্বার্থেই সম্পর্ক উন্নয়নের তাগিদ সাবেক রাষ্ট্রদূত মাহফুজুর রহমানের।
সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমি কোনো আশু পদক্ষেপ কিংবা আশু উদ্যোগ বাংলাদেশর সরকারের তরফ থেকে দেখিনি। যা হচ্ছে তা হলো সচরাচর গতিতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ফাস্ট–হলো এই সরকারের নীতি। কিন্তু স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা বা উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।’
তবে কোনোভাবেই সাম্প্রদায়িকতার প্রভাব যেন দুই দেশের মধ্যে না পড়ে সে বিষয় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমডোর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘যারা সিভিল সোসাইটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাদের উচিত এগুলো থেকে সাবধান হওয়া। সেখানে (পশ্চিমবঙ্গে) বড় ধরনের কোনো গোলযোগ হলে সেটার ইমপ্যাক্ট বাংলাদেশে পড়বে। সুতরাং সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’
বিশ্লেষকেরা বলছেন, সম্পর্ক উন্নয়নে ভারতের সহযোগিতা ও বাংলাদেশের কার্যকর ভূমিকা গুরুত্ব রাখবে আগামীর পথচলায়।







































