
স্টাফ রিপোর্টার:
যে মানুষটি জীবনের দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন দ্বীনের খেদমতে,মসজিদের দায়িত্ব পালনে—সেই মানুষটিই আজ শায়িত নীরবতার ওপারে। তাঁর বিদায়ে থমকে গেছে পরিচিত মুখগুলোর হাসি, জয়পুরজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামের তাবলীগ জামাতের আমীর ও জয়পুর মসজিদের দীর্ঘদিনের সম্মানিত মোতাওয়াল্লি নুরুল ইসলামের ইন্তেকালে শোকাহত পরিবার-পরিজন, স্বজন ও এলাকাবাসী।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১১টা ৫৬ মিনিটে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।
মরহুম নুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে জয়পুর মসজিদের মোতাওয়াল্লি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তাবলীগ জামাতের আমীর হিসেবে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ছিলেন। মসজিদের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা,নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার স্মৃতি স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
রোববার সকাল ১১টায় জয়পুর গ্রামের পূর্ব পাশে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে ছিলানী তাহিরপুর সার্বজনীন কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় স্বজন ও স্থানীয় মুসল্লিরা অংশ নেন।
মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে ও চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর ছোট ছেলে মাওলানা জামিল আহমদ বলেন,আমার বাবা সারাজীবন দ্বীনের খেদমত ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁর ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। সবাই আমার বাবার বিদেহী আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন।তাঁর মৃত্যুতে জয়পুর গ্রামসহ স্থানীয় ধর্মীয় অঙ্গনে শোকের আবহ বিরাজ করছে।স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
মহান আল্লাহ তাআলা মরহুমের সকল নেক আমল কবুল করুন,তাঁর ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দিন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি দান করুন। আমিন।





























