
মোহাইমিনুল ইসলাম উলিপুর কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের গোড়াই পিয়ার পিয়ারীয়া দাখিল মাদ্রাসায় অনিয়ম, দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধসহ শিক্ষার মানোন্নয়নে এডহক কমিটিতে স্থানীয় যুব সমাজের প্রতিনিধি অন্তর্ভূক্তির দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়ে স্থানীয়রা।গত ৩ সেপ্টেম্বর গোড়াই পিয়ার যুব সমাজের পক্ষে মো. রেজাউল ইসলাম এ আবেদন জমা দেন।আবেদন সূত্রে ও সরেজমিনে জানা যায়, মাদ্রাসার কতিপয় শিক্ষক ও কর্মচারীর যথাসময়ে অনুপস্থিতি এবং পাঠদানে অবহেলার কারণে শিক্ষার মান চরমভাবে নেমে এসেছে। সর্বশেষ দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসাটি থেকে ১২ জন নিয়মিত শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ২ জন পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ ও শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে একটি কার্যকর এডহক কমিটি গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের দাবির প্রেক্ষিতে গত ২৭ আগস্ট মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সাধারণ সভায় স্থানীয় যুব সমাজের পক্ষ হতে মোহাম্মদ রেজাউল ইসলামকে এডহক কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রস্তাব করেন। এ ব্যাপারে উপস্থিত সকল এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা পূর্ণ সমর্থন জানান। কিন্তুু মাদ্রাসার বর্তমান সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুর সবুর অনিয়ম আড়াল করার উদ্দেশ্যে স্থানীয়দের যৌক্তিক মতামতকে উপেক্ষা করছেন। তিনি স্থানীয় যুব সমাজের প্রতিনিধিকে বাদ দিয়ে স্বয়ং উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি মনোনীত করে বোর্ডে প্রস্তাব পাঠানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।স্থানীয় যুবসমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, তাঁরা কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে অবস্থান নিতে চান না। বরং প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য। তাঁরা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মতামতের ভিত্তিতে এডহক কমিটির সভাপতি পদে স্থানীয় যুবসমাজের একজন যোগ্য ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে গোড়াই পিয়ার পিয়ারীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুর সবুরের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন আমি জনমত উপেক্ষা করিনি। আমি তাদের সমঝোতা করে আসতে বলছি ওনারা জনসমর্থন নিয়ে আসছে। সরকারি লোক যেহেতু নেয়ার অপশন আছে তাই আমি সরকারি লোক নিতে পারি। আমার উপরে যে অভিযোগ তারা করছে সব মিথ্যা ভিত্তিহীন।এ বিষয় উলিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ.টি.এম আরিফ মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই, এলাকাবাসী আবেদন করলে যাচাই বাছাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





























