
মোহাইমিনুল ইসলাম উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের উলিপুরে ছোট শিশুদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ও হাতাহাতির ঘটনায় এক গৃহবধূ আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আহত গৃহবধূ ছালমা বেগমকে উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তিন দিন চিকিৎসা শেষে গত ২৮ আগস্ট তাকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।ঘটনাটি ঘটে গত ২৪ আগস্ট সোমবার উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের নন্দুনেফড়া গ্রামে ।স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আনিছুর ইসলামের দেড় বছর বয়সী মেয়ে সুলতানা আক্তার এবং মাঈদুলের চার বছর বয়সী মেয়ে মরিয়মকে কেন্দ্র করে প্রথমে দুই পরিবারের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি হাতাহাতিতে গড়ায়।অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পর আনিছুর ইসলামের স্ত্রী ছালমা বেগমকে বাড়িতে এসেএকা পেয়ে নুর হোসেন, তার ভাতিজা মাঈদুল, মাঈদুলের স্ত্রী নুর আনি ও ফজলুল হক মারধর করেন। এ সময় নুর হোসেন ছালমার পেটে আঘাত করেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে।ছালমার স্বামী আনিছুর ইসলাম বলেন, শিশুদের বিষয় নিয়ে ঝগড়াঝাটি শুরু হলে আমার মা আমাকে টেনে বাড়িতে নিয়ে যান। এই সুযোগে তার স্ত্রীকে কয়েকজন মিলে মারধর করেছেন। ঘটনার পর থেকে আমার স্ত্রীর পেটে ব্যথা শুরু হয় এবং পরে আস্তে আস্তে পেট ফুলে যায়।পরিবারের দাবি, ঘটনার পর ছালমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৮ আগস্ট তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।এদিকে, বিষয়টি মীমাংসার জন্য আনিছুর ইসলামের চাচাতো ভাই কালাম উভয় পক্ষকে বসে আপোষ-মীমাংসার প্রস্তাব দিলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি বলে জানা গেছে।তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নুর হোসেন। তিনি বলেন, তার ভাতিজার স্ত্রী নুর আনিকে আনিছুর ধাক্কা দেওয়ার খবর শুনে তিনি ও মাঈদুল আনিছুরের বাড়িতে বিষয়টি জানাতে যান। সেখানে কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি এবং ছালমার পেটে কেউ আঘাত করেনি বলে দাবি করেন তিনি।এ বিষয়ে উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক বলেন,লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





























