
স্টাফ রিপোর্টারঃ গাজীপুর মহানগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় সম্পূর্ণ অবৈধভাবে এবং কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে গড়ে উঠেছে সাইনবোর্ডবিহীন একাধিক খাদ্য সামগ্রী ও বেকারি ফ্যাক্টরি। কোনো দৃশ্যমান নাম বা সাইনবোর্ড ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত গোপনে চলছে এসব কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ও পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদন ছাড়াই নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত এসব পণ্য দেদারসে সরবরাহ করা হচ্ছে বাজারে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।সরেজমিনে অনুসদ্ধানে জানা যায়, ২৪ নং ওয়ার্ডের পূর্ব চাপুলিয়া এলাকায় গড়ে উঠেছে নামহীন ‘মধু বেকারি ফ্যাক্টরি’। অন্যদিকে, টেকপাড়া মসজিদের ঠিক সামনে সম্পূর্ণ আবাসিক পরিবেশে চলছে আব্দুল খালেকের মালিকানাধীন একটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরি। এছাড়া, পশ্চিম চাপুলিয়া এলাকার বিলকিস ডাক্তারের বাড়ির ঠিক পশ্চিম পাশে কোনো প্রকার লাইসেন্স ছাড়াই বিশাল বেকারি কারখানা চালাচ্ছেন আবু বক্কর নামের এক ব্যক্তি। স্থানীয় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিতে কারখানার বাইরে কোনো সাইনবোর্ড বা ব্যানার ব্যবহার করা হয় না। অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এসব কারখানার উৎপাদন।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হলো, অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত হচ্ছে শিশুদের অতি প্রিয় আইসক্রিম, বিস্কুট, পাউরুটি ও বিভিন্ন বেকারি পণ্য। লাইসেন্স কিংবা বিএসটিআই-এর ন্যূনতম গুণগত মান পরীক্ষা ছাড়াই এসব ভেজাল খাদ্য সামগ্রী বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।এব্যাপারে বিএসটিআই গাজীপুর সহকারি পরিচালক মোঃ কাউসার আলী বলেন যে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




























