
মোঃ সোহরাব উদ্দিন মন্ডল, গাজীপুর গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডের জিরানী বাজার এলাকায় নর্দান ফ্যাক্টরির সামনের মহাসড়কের পাশে বসেছে অসংখ্য দোকান। শুধু ফুটপাত নয়, দখল করা হয়েছে পথচারীদের ব্যবহারের জন্য নির্মিত ফুটওভার ব্রিজের অংশও। এতে একদিকে যেমন পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে, অন্যদিকে বাড়ছে যানজট ও নিরাপত্তা ঝুঁকি।এককালীন ৫০০০ এবং প্রতিদিন ৮০ খাজনা দিলে এখানে দোকান বসাতে পারবেন। ৫০০০ টাকা সকালে দেবেন বিকেলেই দোকান বসাবেন। আমিই প্রতিদিন খাজনা আদায় করি। মেম্বারের ভাই শাহাদাত মোল্লা এই টাকা নেয়। কোন ঝামেলা নেই। অসাধারণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন মালেক মিয়া নামের এক ব্যক্তি। এখানে দোকান বসানোর সুযোগ করে দেওয়ার নামে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হয়। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মালেক নামে এক ব্যক্তি, যার নিজস্ব একটি দোকানও রয়েছে এই এলাকায়। পরিচয় গোপন করে দোকান বসানোর বিষয়ে মালেকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আগে পছন্দমতো জায়গা নির্বাচন করতে হবে। এরপর ৫ হাজার টাকা জমা দিয়ে দোকান বসানো যাবে। এছাড়া প্রতিদিন ৮০ টাকা করে খাজনা দিতে হবে। তার দাবি, এই টাকা ফেরতযোগ্য নয়। এনা মেম্বারের ভাই শাহাদতকে আদায়কৃত টাকা দেওয়া হয় বলেও জানান মালেক।আদায়কৃত অর্থ দলীয় নেতা ও পুলিশকে ম্যানেজ করার কাজে ব্যবহৃত হয় বলেও দাবি তার। জানা যায় শাহাদাত কাশিমপুর থানা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এনায়েত হোসেন মোল্লার ছোট ভাই।অভিযোগের বিষয়ে শাহাদাৎ মোল্লাকে মুঠোফোনে কল করলে তিনি জানান, "এ বিষয়ের সাথে তিনি জড়িত নন,তিনি এসবের কিছুই জানেন না। তিনি আরও বলেন," সাংবাদিকদের কোন কিছু যদি লাগে সরাসরি যেন তাকে জানানো হয়,তাহলে তিনি তার ব্যবস্থা করে দিবেন।"এ বিষয়ে কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা খালিদ হোসেন বলেন, মাদক,সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। দোকান বসিয়ে চাঁদাবাজির সাথে যত বড় নেতা বা তার আত্মীয়-স্বজনেরাই জড়িত থাকুক না কেন কাওকেই ছাড় দেয়া হবে না। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি জায়গা দখল, ফুটপাত ও ফুটওভার ব্রিজে দোকান বসানো এবং অর্থ আদায়ের ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।




























