
রামপাল (বাগেরহাট) প্রতিনিধি!!বাগেরহাট জেলা ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটিকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ, হতাশা ও আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী সাদ্দাম আহমেদ দীপকে নতুন কমিটিতে স্থান না দেওয়ায় নেতাকর্মীদের একাংশ প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়েছেন।দলীয় নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় ও আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়া আলী সাদ্দাম আহমেদ দীপকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখা যাবে—এমন প্রত্যাশা ছিল তৃণমূলের। কিন্তু ঘোষিত কমিটিতে তার নাম না থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।নেতাকর্মীদের ভাষ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে দীপ একাধিক মামলার আসামি হন এবং কয়েকবার কারাবরণও করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তৃণমূলের সঙ্গে তার শক্ত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ফলে তাকে কমিটিতে না রাখার সিদ্ধান্তে অনেকেই বিস্ময় ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।নবগঠিত জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম শিকদার বলেন, আলী সাদ্দাম আহমেদ দীপ দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। তৃণমূলের প্রত্যাশা ছিল তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাবেন। তাকে কমিটিতে না রাখায় অনেকেই কষ্ট পেয়েছেন।জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি রানা দিদার বলেন, দীপ ভাই একজন পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা। আন্দোলনের সময় তিনি বহু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার মতো নেতাকে মূল্যায়ন না করায় কর্মীদের মাঝে হতাশা তৈরি হয়েছে।সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফকির মো. হাবিবুল্লাহ ওয়াহেদ হাবিব বলেন, দলের দুঃসময়ে আলী সাদ্দাম আহমেদ দীপ সবসময় মাঠে ছিলেন। তৃণমূলের সঙ্গে তার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই তাকে কমিটিতে না দেখায় সাধারণ নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. পিয়াস ইসলাম বলেন, দীপ ভাই সবসময় নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন। রাজনৈতিকভাবে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। ভবিষ্যতে তিনি আরও বড় পরিসরে নেতৃত্ব দেবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।এদিকে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক বলেন, আলী সাদ্দাম আহমেদ দীপ শুধু একজন নেতা নন, তিনি কর্মীদের অভিভাবকের মতো ছিলেন। তার নেতৃত্বে তৃণমূল নেতাকর্মীরা সবসময় ঐক্যবদ্ধ ছিল।এ বিষয়ে এখনো আলী সাদ্দাম আহমেদ দীপের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ইতোমধ্যে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি ও মাঠপর্যায়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর কাজও শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।





























