শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড় ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ফায়ার সার্ভিস পায়নি নকলাবাসী,আগুনে পুড়ছে কোটি টাকার স্বপ্ন ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বাখরনগরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল লালমোহনের কৃতি সন্তান মনিরুল ইসলাম লন্ডন থেকে অর্জন করলেন ব্যারিস্টার ডিগ্রি পোরশায় মাননীয় সাংসদকে ঘাটনগর পাহিড়া পুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর সংবর্ধনা বান্দরবানের থানচিতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার বাঙ্গরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও ধর্মমন্ত্রীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত
রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬
রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬

বেইলি রোডের ভয়াল আগুনের স্মৃতি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে স্বজনদের

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

রাজধানী ঢাকার বেইলি রোডে ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে নারী-শিশুসহ প্রাণ হারান ৪৬ জন। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতের এ ভয়াল ঘটনা এখনও ভুলতে পারছে না নিহতদের স্বজন, আহত ব্যক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শীসহ সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, সেই ভয়াবহ রাতের ঘটনা মনে পড়লে শরীর শিউরে ওঠে। অজান্তেই আঁতকে ওঠেন অনেকে। বুকভরা কান্না ও আহাজারি করেন কেউ কেউ।


ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজরিন নিকিতা (২৩) ও তার মা ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষিকা লুৎফুর নাহার করিম (৫০) সেই রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে খেতে গিয়ে দুজনই মারা যান। স্ত্রী ও মেয়েকে হারিয়ে দিশেহারা গোলাম মহিউদ্দিন। বুধবার (২৯ মে) বিকালে তিনি বলেন, ‘আমি আজও বিশ্বাস করতে পারি না আমার স্ত্রী-মেয়ে আমাদের মাঝে নেই। আমার একটা ছেলে নিয়ে আমি দিশেহারা হয়ে গেছি। প্রতিরাতেই তাদের জন্য কান্না করি। তাদের কবরের পাশে গিয়ে বসে থাকি।’


প্রবাসী সৈয়দ মোবারক হোসেন কাউছার তার পরিবারকে ইতালি নিয়ে যেতে ঢাকায় এসেছিলেন। তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার, দুই মেয়ে সৈয়দা কাশফিয়া ও সৈয়দা নূর এবং একমাত্র ছেলে সৈয়দ আব্দুল্লাহকে নিয়ে খেতে গিয়েছিলেন বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজের কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে। সেই রাতের ভয়াল আগুনের থাবায় এক এক করে সবাই পুড়ে মারা যান। নিহত ইতালি প্রবাসী সৈয়দ মোবারক কাউছারের ছোট ভাই সৈয়দ আমির হামজা বলেন, ‘কাউসার শুধু আমার ভাই ছিলেন না, তিনি আমাদের অভিভাবক ছিলেন। আমাদের ভালো-মন্দ ও অর্থনৈতিক সাপোর্টার ছিলেন। তাদের চলে যাওয়া আমরা আজও মানতে পারছি না। প্রতিদিন ভাই, ভাবি ও বাচ্চাদের চেহারা চোখের সামনে ভেসে ওঠে। সেই ভয়াল কথা মনে করে ঘুমের মধ্যেও আঁতকে উঠি।’


তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় অবহেলার কারণে বেইলি রোডে এত বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এত মানুষের জীবন নিভে গেছে। ঘটনার এতদিন পরেও আমাদের সঙ্গে তদন্তকারী বা রাষ্ট্রের কোনও সংস্থা যোগাযোগ করেনি। ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্তদের উপযুক্ত বিচার চাই।’


আগুনে পুড়ে যাওয়া গ্রিন কোজি কটেজের বর্তমান অবস্থা, ছবি: নাসিরুল ইসলামআগুনে পুড়ে যাওয়া গ্রিন কোজি কটেজের বর্তমান অবস্থা, ছবি: নাসিরুল ইসলাম

‘গ্রিন কোজি কটেজ’ মূলত রেস্টুরেন্ট ভবন হিসেবে পরিচিত ছিল। ৭ তলা এই ভবনে স্যামসাং, গ্যাজেট অ্যান্ড গিয়ার ও ইলিয়ন নামে তিনটি শোরুম ছাড়াও প্রায় ১২টি রেস্তোরাঁ ছিল। চায়ে চুমুক, শেখ হোলিক, ওয়াফে বে, কাচ্চি ভাই, খানা’স, পিৎজা হাট, স্টিট ওভেন, জেস্টি রেস্টুরেন্ট, ফোকুস ও হাক্কা ডাকা রেস্টুরেন্ট ছাড়াও ভবনটির ছাদে অ্যাম্বোশিয়া নামে একটি রেস্টুরেন্ট ছিল। ভবনটিতে কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না বলে ঘটনার পর জানিয়েছিল ফায়ার সার্ভিস। তখন প্রশ্ন উঠেছিল ভবনের অব্যবস্থাপনা ও তদারকি সংস্থার দায়িত্বহীনতা নিয়ে।


গ্রিন কোজি কটেজে আগুন পুড়ে যাওয়ার পর রমনা থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। ভবনের ম্যানেজার, কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ছয় জনকে গ্রেফতার করা হলেও এখনও অধরা ভবনের মালিকসহ দায়ীরা। জানা যায়, ভবনটি আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের নির্মাণ করা। নির্মাণের পর ফ্ল্যাট মালিকদের বুঝিয়ে দিয়েছে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানটি। এরপর থেকে সার্বিক তত্ত্বাবধান করছিল ‘গ্রিন কোজি কটেজ স্পেস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন’। অথচ এখনও তাদের আইনের আওতায় না আনায় ক্ষোভ জানান অনেকে। সেই সঙ্গে সিটি করপোরেশন ও রাজউকসহ তদারকি সংশ্লিষ্ট সংস্থা দায় এড়াতে পারে না বলেও জানান তারা।


গত ২৯ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ সেই রাতের অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যু ছাড়াও আহত হয়েছেন অনেকে। নিহতদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী এবং ৮ জন শিশু।


এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলা তদন্ত করছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সংস্থাটির ঢাকা মেট্রো (উত্তর) বিশেষ পুলিশ সুপার আনিচুর রহমান  বলেন, ‘মামলাটি এখনও তদন্তাধীন। আমরা অনেকের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছি। ফায়ার সার্ভিস, রাজউকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কাছে বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছে। এখনও সেসব তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানানো যাবে।


ফায়ার সার্ভিস ও রাজউকের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের নিচতলায় ‘চায়ের চুমুক’ নামে একটি দোকান ছিল। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি সেই দোকান থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় আগুন ভয়াবহ রূপ নেয়। এক এক করে পুরো ভবন পুড়ে ছাই হয়ে যায়।


রাজধানী ঢাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বেইলি রোডে আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনে অপরিকল্পিতভাবে এবং কোনও ধরনের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়া কীভাবে এত খাবারের দোকান ও রেস্টুরেন্ট চলেছে, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ও বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এই ভবনটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের কোনও অনুমোদন ছিল না। অগ্নিকাণ্ডের পর এ তথ্য জানা যায়। তাহলে সংশ্লিষ্ট তদারকি সংস্থা এতদিন কী করেছিল, তারা কেন দেখভাল করেনি! এর দায় তাদেরও নিতে হবে।


রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রধান নগর স্থপতি (চলতি দায়িত্ব) মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘গ্রিন কোজি কটেজ ভবনটির আবাসিক ও অফিসের অনুমোদন নেওয়া ছিল। রেস্টুরেন্টের কোনও অনুমোদন ছিল না। তারা আমাদের কাছ থেকে অকুপেন্সি নেয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এখানে রেস্টুরেন্ট হওয়ার পর একবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল। এখানে রেস্টুরেন্ট করার জন্য তাদের ট্রেড লাইসেন্স ও ফায়ারের লাইসেন্স ছিল। এসব লাইসেন্স কীভাবে পায়?’


সিটি করপোরেশনের দায় অস্বীকার করে ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা (উপসচিব) কাইজার মোহাম্মাদ ফারাবী  বলেন, ‘সিটি করপোরেশন শুধু ট্রেড লাইসেন্সের বিষয় দেখে থাকে। লাইসেন্স নেওয়া ও নবায়নের কিছু শর্ত আছে। আমরা সেগুলো দেখে থাকি। এ ধরনের ঘটনার জন্য ফায়ার সার্ভিস, রাজউক ও পরিবেশ অধিদফতর দায়ী। এটা তাদের দেখভালের বিষয়, সিটি করপোরেশনের না।


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘গ্রিন কোজি কটেজে আগুনের ঘটনায় তাদেরও দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট সবাইকেই দায় নিতে হবে। কেননা, যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট সবাই যার যার দায়িত্ব পালন করলে হয়তো এত বড় ঘটনা ঘটতো না।’


বেইলি রোডে আগুনে পুড়ে যাওয়া গ্রিন কোজি কটেজ, ছবি: নাসিরুল ইসলাম বেইলি রোডে আগুনে পুড়ে যাওয়া গ্রিন কোজি কটেজ, ছবি: নাসিরুল ইসলাম



গ্রিন কোজি কটেজে আগুন লাগার পর ভবনটির নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভবনটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করছিল ‘গ্রিন কোজি কটেজ স্পেস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। বিল্ডিংয়ের মালিক আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ নয়। শুধু জয়েন্ট ভেঞ্চারে নির্মাণকাজটি (ডেভেলপার হিসেবে) আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ সম্পন্ন করেছে। ২০১৫ সালে ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হলে মালিকানাও হস্তান্তর করা হয়। বর্তমানে ভবনটির কার্যক্রম পরিচালনাসহ সার্বিক তত্ত্বাবধান করছে গ্রিন কোজি কটেজ স্পেস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।’


বুধবার (২৯ মে) সরেজমিন দেখা যায়, আগুনে ক্ষতবিক্ষত একটি পোড়া ভবন দাঁড়িয়ে আছে বেইলি রোডের মাঝখানে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভবনে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ভবনের সামনে কাঁটাতারের ব্যারিকেড এবং পুলিশের কয়েকজন সদস্য রয়েছেন। ঘটনার তিন মাস পরও পোড়া ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে কয়েকজন পথচারী আক্ষেপ ও তদারককারী সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছিলেন। মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি জানান, দেশের বেশিরভাগ মানুষ দুর্নীতিগ্রস্ত। তাই কোনও একটা জায়গাও নিয়মনীতির মধ্যে চলে না। কোজি কটেজ যার অন্যতম উদাহরণ। একই কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘অগ্নিনিরাপত্তা ও রেস্টুরেন্টের অনুমতি ছাড়া আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন কীভাবে চলে। সিটি করপোরেশন, রাজউক, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস তাদের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করলে এত বড় দুর্ঘটনা দেখতে হতো না।


আরও খবর




ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ২০তম কর্পোরেশন সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মানববন্ধনের অভিযোগ ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’, সংবাদ সম্মেলনে আশিক মাহমুদ

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা

হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়

ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত

ফুলবাড়ীয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পঞ্চগড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলপুরে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ২ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নন্দীগ্রামে এমইপি গ্রুপের ইলেকট্রিশিয়ানদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত সুস্থতার আশাবাদ চিকিৎসকদের

অসুস্থ শিশু মুজাহিদকে নগদ অর্থ প্রদান করলেন আলোর পথে ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়

শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পোলশার বারিন্দা গ্রামে সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতে সাক্ষ্য ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে রায়হান আহমেদ বাদশা

নরসিংদীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

চন্দনাইশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল

চিরিরবন্দরে সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু

চাঁদপুরে যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াস গ্রেপ্তার

বৃত্তির ফল নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে আলোচনায় আহাদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল

ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ কবিরের বিরুদ্ধে

মাটির মা ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কাজী আলম ভূঁঞা

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট ইফার ফিল্ড অফিসার

আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

দয়ারামপুর (তালতলা, বিলপাড়া ও কাজিরদিয়ার) আদর্শ গ্রাম বিনির্মাণে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী (আহবায়ক) কমিটি গঠন

বাজেট সংকটে কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার কাজ বন্ধ: মরণফাঁদে পরিণত প্ল্যাটফর্ম, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সমাজ ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলাউদ্দিন আদরকে সম্মাননা

শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বিজিবির বাধায় দৌলতপুর সীমান্তে পুশ-ইন ব্যর্থ

স্পিডবোট চালক নির্যাতনের অভিযোগে নাম জড়ানো ভিত্তিহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত চান যুবদল নেতা এম শহীদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর পুনর্নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা

৫ আগস্ট খুলে দেয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী

উত্তোলনের তুলনায় মাটির নিচে পানি জমছে কম, খরাপ্রবণ এলাকায় বড় শঙ্কা

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী