শিরোনাম
শাজাহানপুর থানা পরিদর্শনে আইজিপি, বৃক্ষরোপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আখাউড়ার দরুইন গ্রামে ট্রেনে কটা পড়ে যুবকের মৃত‍্যু কবি তীর্থ দৌলতপুরে উৎসাহ উদ্দীপনায় ১২৭ তম নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপিত পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ লাকসামে ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে অটোচালকের ১ মাসের সাজা সম্পত্তির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা,কঙ্কাল উদ্ধার,গ্রেপ্তার ৩ ইসলামী ব্যাংকে ‘হস্তক্ষেপ ও ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে মানববন্ধন ; এমডি ওমর ফারুক খানের পুনর্বহালের দাবি ইসলামী ব্যাংকের ওপর সরকারের হস্তক্ষেপ ও পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার দাবীতে পিরোজপুরে মানববন্ধন বিপুল পরিমান বিদেশি মদ,ইয়াবাসহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ইসলামী ব্যাংক রক্ষায় গ্রাহকদের মানববন্ধন, কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি
সোমবার ২৫ মে ২০২৬
সোমবার ২৫ মে ২০২৬

বিশৃঙ্খলা থামছেই না ভিকারুননিসায়

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

শিক্ষার্থী ভর্তিতে দুর্নীতি, অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে ৬৯ জন শিক্ষক নিয়োগ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মসহ নানা কারণে দীর্ঘ দিন থেকে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি চলছে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে। নতুন করে যুক্ত হয়েছে ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ। আর এই পরিস্থিতির মধ্যেই ১৬৯ জন ছাত্রী ভর্তির দুর্নীতির চিত্র সামনে এসেছে।


এত কিছু ঘটে গেলেও প্রতিষ্ঠানটির শৃঙ্খলা রক্ষায় গভর্নিং বডি কোনও ভূমিকা পালন করছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটিতে গভর্নিং বডির দুর্নীতি, অযোগ্যতা এবং অধ্যক্ষের গাফিলতির কারণে বিশৃঙ্খলা থামছে না।



ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর দিবা শাখায় সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের লিখিত অভিযোগ করা হয় গত ৭ ফেব্রুয়ারি। পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি তদন্ত কমিটি গঠন করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী জানান, কমিটিকে ৭ কর্ম দিবস সময় দেওয়া হয়েছিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য।


সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মমতাজ বেগমকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হচ্ছেন শিক্ষক ড. ফারহানা খানম এবং শামসুন আরা সুলতানা। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয় গত ২২ ফেব্রুয়ারি।


অভিযোগ উঠে যৌন হয়রানির অভিযোগের পর এ বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন না অধ্যক্ষ বা গভর্নিং বডি। এই পরিস্থিতির মধ্যে গত শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) যৌন হয়রানির অভিযোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হলে তড়িঘড়ি করে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন সরকারকে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই কাজটি দায়সারা গোছের। কারণ তদন্ত কমিটি সময়মতো প্রতিবেদন দাখিল করেনি। আর পরে দাখিল করলেও কোনও ব্যবস্থা না নিয়ে চুপচাপ ছিল গভর্নিং বডি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল না হলে কিছুই হতো না।



তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘মোট ৭৭ জন ছাত্রীর মধ্যে ৬০ জন ছাত্রী শিক্ষক মুরাদের পক্ষে ইতিবাচক মন্তব্য করেন। আর ১৭ জন ছাত্রী নেতিবাচক মন্তব্য করেন।’


ছাত্রীদের কাছে লিখিত প্রশ্ন সরবরাহ করে এসব মন্তব্য নিয়েছে তদন্ত কমিটি। যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের কথা উল্লেখ করেছে ১৭ জন ছাত্রী। অভিযোগ রয়েছে, ভয়ে অনেক ছাত্রী লিখিত প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি।


সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি ১৭ জন ছাত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়ার পর আরও ৬০ জন ছাত্রীর কাছ থেকে বক্তব্য নিয়েছে যারা ভুক্তভোগী নন। এমনকি তারা জানেই না ওই শিক্ষকের আচরণ সম্পর্কে। অভিযুক্ত শিক্ষককে বাঁচাতে এভাবে তদন্ত করা হয়েছে। তাছাড়া তদন্ত কমিটি সুপারিশ করেছে শিক্ষককে কোনও শাস্তি না দিয়ে অধ্যক্ষর কার্যালয়ে সংযুক্ত করতে।


তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশে বলা হয়েছে, ‘কোনও শিক্ষক নিজে বা তার সন্তান দ্বারা বা কোনও বর্তমান অথবা প্রাক্তন ছাত্রী দ্বারা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করলে (বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যবহার করে বা অন্য কোনোভাবে) তা প্রমাণিত হলে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে, নতুবা শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হবে।


শিক্ষক মুরাদ হোসেনের বিরুদ্ধে ৩ জন ছাত্রীর আনা অভিযোগের ঘটনাগুলো এক বছর আগের হওয়ায় এবং তিনি পবিত্র হজ করার পর এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি বিধায় তাকে বরখাস্ত না করে শেষবারের মতো সতর্ক করে অন্য কোনও শাখায় বদলি করা যেতে পারে। তাছাড়া অভিযোগকারীরা উপযুক্ত কোনও প্রমাণ দিতে না পারায় তার বিরুদ্ধে অন্য কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে উচ্চ পর্যায়ে কমিটি গঠন করা যেতে পারে।


জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কেকা রায় চৌধুরী বলেন, ‘উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই নাম প্রকাশ করছি না।’


ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ সুজন বলেন, ১৭ জন ছাত্রী যৌন হয়রানি ও নিপীড়নের কথা বলার পরও অভিযোগের প্রমাণ হয়নি তদন্ত কমিটি এ কথা বলে কীভাবে? তাছাড়া হজ করার পর এ ধরনের কাজ করেনি বলেই তাকে এখন আগের অপরাধ থেকে অব্যাহতি দিতে হবে?



বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) প্রতিষ্ঠানটির প্রথম শ্রেণির ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করতে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, ‘বয়সের নিম্নসীমা (৬+) ভর্তি নীতিমালায় উল্লেখ করা আছে। আর বয়সের উচ্চসীমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারণ করতে বলা আছে। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ নিজেরাই বয়সের ঊর্ধ্বসীমা নির্ধারণ করে তা নিজেরাই মানেনি।’



এর আগে ২০১৯ সালে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ৪৪৩ জন অতিরিক্ত ছাত্রী ভর্তি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সমালোচনার মুখে পড়ে। ওই সময় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে কেকা রায় চৌধুরী দায়িত্বে থাকাকালে ৬ থেকে ৮ জানুয়ারি প্রথম শ্রেণিতে ১৬২ জনকে ভর্তি করানো হয়। আর পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে হাসিনা বেগম দায়িত্বে থাকাকালে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি করা হয় ২৮১ জন। এই দুই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষেরই ভর্তি ফরমে সই ছিল না। অভিযোগ ছিল গভর্নিং বডি জোর করে শিক্ষার্থী ভর্তি করায়। এই অতিরিক্ত ছাত্রী ভর্তির বিরোধিতা করলে ওই সময়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাসিনা বেগমের বিরুদ্ধে গভর্নিং বডি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে অভিযোগ জানায়। ফলে হাসিনা বেগমের এমপিও বন্ধ করে দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। কিন্তু কোনও শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল হয়নি। আর কেকা রায়ের বিরুদ্ধে আজও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই সময়ের ও বর্তমান গভর্নিং বডি এ ব্যাপারে উদ্যোগও নেয়নি।


নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র শিক্ষক হবেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ। কিন্তু তা করা হয়নি। কর্তৃপক্ষ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে বলা হয়েছে, হাসিনা বেগম সিনিয়র শিক্ষক হলেও তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ছাত্রী ভর্তির অভিযোগ ছিল। অথচ তথ্য বলছে— কেকা রায় চৌধুরী দায়িত্বে থাকাকালে গত ৬ থেকে ৮ জানুয়ারি প্রথম শ্রেণিতে ১৬২টি ভর্তি করানো হয়েছে। অথচ তাকেই দেওয়া হয়েছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।


২০২২ সালের অ্যাডহক কমিটি ৬৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ করে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে। ওই সময় সরকারের একজন সচিব ছিলেন অ্যাডহক কমিটির সভাপতি। এই নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ উঠলেও ব্যবস্থা নেয়নি পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ কমিটি। বর্তমান কমিটির সভাপতি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার। সরকারের বড় বড় কর্মকর্তারা গভর্নিং বডির সভাপতি ও সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ থাকার পরও বিশৃঙ্খলা বন্ধ হয়নি।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, ‘সরকারের বড় কর্মকর্তারা গভর্নিং বডির সভাপতি থাকার পরও প্রতিষ্ঠানটিকে শৃঙ্খলায় আনা যাচ্ছে না। শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্রী ভর্তিতে দুর্নীতি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মসহ নানা কারণে বিশৃঙ্খলা থামছে না। নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানটিতে।


প্রতিষ্ঠানটিকে শৃঙ্খলায় আনতে গভর্নিং বডির ভূমিকার বিষয়ে জানতে চাইলে গভর্নিং বডির সদস্য মৌসুমী খান বলেন, ‘গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, তিনি ভালো মানুষ কিন্তু সময় পান না। তাছাড়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আরও একটু বুঝে-শুনে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। তাহলে বিশৃঙ্খলা হতো না। অধ্যক্ষ গভর্নিং বডির সঙ্গে সময় কম দেন। প্রায়ই তিনি বলেন, অসুস্থ আছি। উনি যদি ভূমিকা নিতেন তাহলে আজকের এই দিনটা দেখতে হতো না।’


বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ও নানা দুর্নীতির বিষয়ে গভর্নিং বডির সদস্য গোলাম বেনজীর পলাশ বলেন, ‘অনিয়ম করে শিক্ষার্থী ভর্তি না করানোর জন্য আমি লিখিতভাবে অধ্যক্ষকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরও ভর্তি করা হয়েছে।’


যৌন হয়রানি প্রসঙ্গে গোলাম বেনজীর পলাশ বলেন, ‘যৌন হয়রানির বিষয়টি নিয়ে আমি জানার পরপরই অধ্যক্ষকে জানিয়েছি। তদন্ত কমিটি করা হয়েছে কিন্তু আমি জানতে পারিনি, পরে জেনেছি। সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে, সেই চিঠি আমাকে দেওয়া হয়নি। সবকিছু আমি একা করতে পারি না। অধ্যক্ষের নিয়ন্ত্রণ কম, পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ থাকলে এ অবস্থা হতো না। অধ্যক্ষ সময় দিলে বিশৃঙ্খলা হতো না। আমাকে অনেক ক্ষেত্রেই সংযুক্ত করা হয় না। সভাপতিকে তথ্য দিলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেন। কিন্তু সভাপতি হয়তো অনেক তথ্যই সময়মতো পান না।


আরও খবর




ধাপেরহাটে ভেজাল হলুদ কারখানায় অভিযান, ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

উলিপুরে ভিজিএফ চাল জব্দ: যুবদল নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ভাতের মাড়ে’ দিন কাটানো পরিবারে মানবিক সহায়তা, পাশে প্রতিমন্ত্রী পুতুল

নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুই বছর পরে মা-ছেলের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

ট্যুরিজম লিডারশীপ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন মনপুরার ছেলে শাখাওয়াত হোসেন

পূবাইল থানা এলাকায় ৯ বছরের এক শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ

শাজাহানপুর থানা পরিদর্শনে আইজিপি, বৃক্ষরোপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আখাউড়ার দরুইন গ্রামে ট্রেনে কটা পড়ে যুবকের মৃত‍্যু

কবি তীর্থ দৌলতপুরে উৎসাহ উদ্দীপনায় ১২৭ তম নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ

লাকসামে ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে অটোচালকের ১ মাসের সাজা

সম্পত্তির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা,কঙ্কাল উদ্ধার,গ্রেপ্তার ৩

ধাপেরহাটে ভেজাল হলুদ কারখানায় অভিযান, ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

উলিপুরে ভিজিএফ চাল জব্দ: যুবদল নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন ও বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবিতে সাতক্ষীরায় সংবাদ সম্মেলন

অতীতের অন্ধকার পেরিয়ে আলোয় ফিরতে চান উত্তরধানঘড়ার প্রাক্তন সেনাসদস্য মিজানুর

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

আসাদ মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন

উত্তর ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী আন্দোলন ও সুস্থ সমাজ গঠন কেন্দ্রের উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

ডুয়েট ছাত্রদল নেতার সিজিপিএ ৪.০০ অর্জন, ক্যাম্পাসজুড়ে প্রশংসা

দেবীগঞ্জের সন্তান রাসেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

যুব সমাজের উদ্যোগে রঘুনাথপুর (গিরিংগির) মোড়ে মাদকবিরোধী মানববন্ধন

ফুলপুরে যুবলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার

মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়তে বল্লমঝাড়ে চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমানের কঠোর অবস্থান


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সারভাইভার’স ভয়েস সামিট অনুষ্ঠিত

মেঘনা ভাঙনে হুমকিতে উপকূল,জরুরি কাজের আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর

ঈদের তৃতীয় দিন দেউলিয়াবাড়ীতে "এইম এন্ড ড্রিম ফাউন্ডেশন" এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আগামী বাজেটে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বৃদ্ধি করা হবে--- চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপি জনগণকে যে ওয়াদা দেয়, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে....প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ২২ বছর পর চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১০ জেলায় শুরু হচ্ছে “জাতীয় নিমগাছ রোপণ কর্মসূচি-২০২৬

ছয় দশকের অপেক্ষা শেষে অনুমোদন পেল 'পদ্মা ব্যারাজ' প্রকল্প

ডিএনসিসির ২০২২ সালে নেয়া প্রকল্প শেষ হয়নি আজও

পাউরুটিতে মিলল ক্যানসারের উপাদান, ঘি তৈরি হচ্ছে পামওয়েল ও সুগন্ধি দিয়ে