শিরোনাম
আন্তর্জাতিক জব পোর্টাল—রিকুইটো সেনবাগে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘মেধা উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠিত বাকেরগঞ্জে সুমন হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন চন্দনাইশ হাছানদন্ডীতে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত বায়তুল নূর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু কুমিল্লায় জাগুর ঝুলিতে আজিমুশশান নূরানী মাহফিল অনুষ্ঠিত নবাব ফয়জুন্নেছা কলেজ ও ওয়াকফ সম্পদ সংরক্ষণের দাবীতে মানববন্ধন অষ্টগ্রামে প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেনারি হাসপাতাল ডাক্তার শূন্য দেখার কেউ নেই অভিযোগ এলাকাবাসী গঙ্গাচড়ায় তিস্তায় আকস্মিক ভাঙন,পরিদর্শনে উপজেলা বিএনপির নেতারা
সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বস্নু-ইকোনমির ভান্ডার টুনা মাছ যোগ হচ্ছে রপ্তানি খাতে

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

বিশ্ববাজারে সামুদ্রিক টুনা মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যেখানে এই মাছ রপ্তানি করে প্রতিবেশী দেশ ভারত, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান কোটি কোটি ডলার আয় করছে। এবার সেই রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ থেকেও যোগ হতে চলেছে বস্নু-ইকোনমির ভান্ডার টুনা মাছ।


গভীর সমুদ্র থেকে এই টুনা মাছ ধরতে চীন থেকে আনা হচ্ছে দুটি জাহাজ। যার কার্যক্রম আগামী মার্চ থেকে শুরু হতে পারে। এতে দেশের অর্থনীতিতে বাড়বে রপ্তানি খাতের আয়। সোমবার এমন তথ্য জানান মৎস্য অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক মো. আবদুস সাত্তার।


তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরের এক লাখ ১৯ হাজার বর্গকিলোমিটার এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ২৪ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা থেকে মৎস্য আহরণ সম্ভব হয়। কারণ ১০০ মিটারের বেশি গভীরতায় মাছ শিকারের সক্ষমতা বাংলাদেশি জাহাজগুলোর নেই।


ফলে ওই ২৪ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাকে চারটি পৃথক অঞ্চলে ভাগ করে বাংলাদেশের জাহাজগুলো মাছ শিকার করে। এর বাইরে থেকে যাওয়া বঙ্গোপসাগরের এক্সক্লুইভ ইকোনমিক জোন এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় টুনাসহ পেলাজিক মাছের বিশাল ভান্ডার রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।


এই ধারণা থেকে টুনা মাছ শিকারের জন্য দেশের ১৯টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে মাছ শিকারের অনুমোদন দেওয়া হয়। যারা নিজেরা জাহাজ কিনে মাছ শিকার করার কথা ছিল। কিন্তু এক-একটি জাহাজে বিশাল বিনিয়োগ এবং সুনির্দিষ্ট কোনো জরিপ না থাকায় দীর্ঘদিনেও কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান


টুনা মাছ শিকারের উপযোগী জাহাজ ক্রয় করেনি। এ অবস্থায় বাংলাদেশ মৎস্য অধিদপ্তর নিজেরাই জাহাজ কিনে টুনা মাছ শিকার এবং জরিপের উদ্যোগ নেয়।


মৎস্য অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ৬১ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি জাহাজ কেনাসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ডলার সংকটসহ নানা প্রতিকূলতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। পরে প্রকল্প ব্যয় কমিয়ে ৫৫ কোটি ২১ লাখ টাকায় নির্ধারণ করা হয়। এতে তিনটি জাহাজের স্থলে দুটি জাহাজ কেনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


চীনের ইউনি মেরিন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড নামে কোম্পানি থেকে জাহাজ দুটি কেনা হচ্ছে। তাদের ইয়ার্ডে ইতোমধ্যে একটি জাহাজ তৈরি সম্পন্ন হয়েছে। জাহাজটি আগামী মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ওই একটি জাহাজ দিয়েই টুনা মাছ শিকার শুরু করা হবে। দ্বিতীয় জাহাজটির কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে। ওই জাহাজটি পৌঁছালে সেটিকেও গভীর সাগরে মাছ শিকারে পাঠানো হবে। গভীর সাগরে টুনা মাছ শিকারের জন্য প্রাথমিকভাবে ৩০ জন ক্রু নিয়োগ দেওয়া ও প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।


মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে সাগরের দুশ মিটার গভীরে টুনাসহ অন্যান্য মাছ শিকারের জন্য জাহাজ দুটি পাঠানো হবে। বেসরকারি যেসব প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তাদের উৎসাহিত করতেই মূলত সরকার এই প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। মৎস্য অধিদপ্তরের জাহাজ টুনা মাছ শিকারে সফল হলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও এগিয়ে আসবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


মৎস্য আহরণের সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেন, টুনা মাছ শিকারের যে উদ্যোগ তাতে এক-একটি প্রতিষ্ঠানকে কমপক্ষে ৮০ থেকে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। কিন্তু কী পরিমাণ মাছ আছে বা রিটার্ন কেমন হবে তার কোনো সুনির্দিষ্ট জরিপ নেই। তাই এই খাতে বিনিয়োগে কোনো প্রতিষ্ঠানই এগিয়ে আসেনি।


ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বর্তমানে বঙ্গোপসাগরের সাউথ প্যাচেস, সাউথ অফ সাউথ প্যাচেস, মিডল গ্রাউন্ড এবং সোয়াচ অফ নোগ্রাউন্ড এই চারটি অঞ্চলে মাছ শিকার করা হয়। এসব গ্রাউন্ডে মাছ শিকারের জন্য যেতে উপকূল থেকে কমপক্ষে ১০০ নটিক্যাল মাইল পাড়ি দিতে হয়। টুনা ফিশ শিকার করতে আমাদের কমপক্ষে ৩৮০ নটিক্যাল মাইল দূরে যেতে হবে।


এই কর্মকর্তার ভাষ্য, ভারত এবং শ্রীলংকার কাছাকাছিতে থাকা বাংলাদেশের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় মাছ শিকার করতে যাওয়ার যে সক্ষমতা তা এখনো আমাদের নেই। তিন থেকে চারদিন জাহাজ চালিয়ে ওখানে পৌঁছাতে হবে। এতে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন। রিটার্ন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার আগে এত রিস্ক নিতে কোনো বিনিয়োগকারীই রাজি নন। তিনি সরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকার যদি সফল হয় তাহলে অবশ্যই আমরাও বিনিয়োগে এগিয়ে আসব।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, টুনা মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বিশ্বে। বাংলাদেশেও প্রচুর টুনা মাছ আমদানি হয়। তবে তা মাছ আকারে না এসে তা প্রক্রিয়াজাত করে ক্যানে করে আনা হয়। জাপান এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে টুনা মাছের বিশাল বাজার রয়েছে। যা প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারত, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া এবং পাকিস্তান গভীর সাগর থেকে প্রচুর টুনা মাছ শিকার ও বিদেশে রপ্তানি করে কোটি কোটি ডলার আয় করে।


বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান বেলাল হায়দার পারভেজ বলেন, বঙ্গোপ সাগরের গভীরে প্রচুর টুনাসহ পেলাজিক জাতীয় মাছের মজুদের সম্ভাবনা রয়েছে। বস্নু-ইকোনমি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের এ উদ্যোগ বড় ধরনের ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।


উলেস্নখ্য, দেশে বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির ২৬৩টি ফিশিং ভ্যাসেল রয়েছে। এর বাইরে ৭০ হাজারের মতো ট্রলার ও নৌকাও বঙ্গোপসাগরের ২৪ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় মাছ শিকার করে। এসব জাহাজ এবং নৌকা বছরে ৬ লাখ টনেরও বেশি মাছ শিকার করে। বঙ্গোপসাগরের এ অঞ্চলে ৪৭৬ প্রজাতির মাছ ও ৩৯ প্রজাতির চিংড়ি রয়েছে বলে মৎস্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে।



আরও খবর




আন্তর্জাতিক জব পোর্টাল—রিকুইটো

সেনবাগে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘মেধা উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

বাকেরগঞ্জে সুমন হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

চন্দনাইশ হাছানদন্ডীতে গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যু

পালানো সরকারের ফিরে আসার নজির নেই ; শেরপুরে মন্ত্রী মিল্লাত

১৪ মাস পর উদ্ধার নিখোঁজ শিশু, যুবকের বিরুদ্ধে অপহরণের অভিযোগ

রাণীনগরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড

বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উপজেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

রাঙ্গাবালীতে ৪৭ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি আটক

হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের বাইসাইকেল, নারীদের সেলাই মেশিন ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান

বায়তুল নূর জামে মসজিদের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

কুমিল্লায় জাগুর ঝুলিতে আজিমুশশান নূরানী মাহফিল অনুষ্ঠিত

রাজবাড়ীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

অপরাধ করলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হবে না- সাতক্ষীরায় আইনমন্ত্রী

বোদায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান ২০২৬

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে রসুলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও তার ভাই আটক

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগে পঞ্চগড়ে আনন্দ, চলছে মিষ্টি বিতরণ

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ‘অসকস’ সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও চারটি দাবি উপস্থাপন

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে সালেহ মোঃ আদনান

রংপুরের তারাগঞ্জে বড় বোনের বাসা থেকে ছোট বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিলেন নওগাঁ ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা

সোনারগাঁয়ে ৩১ নং লাধুরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আশরাফুল হাসান পলাশ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তেলিজানা আলিম মাদ্রাসায় আলোচনা,রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

শেৱপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কর্মী সেলিম গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম কান্ড, অভিযোগ-বদলি নিয়ে চলছে তদবির

সর্বগামী তেতুলিয়া নদীর গ্রাস থেকে মুক্তি চায় গ্রামবাসী

রংপুরের তারাগঞ্জে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে এমপি সাকিলা ফারজানা

ময়মনসিংহে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের সংগঠন পেল বাণিজ্য সংগঠনের লাইসেন্স

জাতিসংঘে অনুমোদিত হবে এলডিসির সময় বৃদ্ধি : বাণিজ্যমন্ত্রী

‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ সোহাগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে হবে: আলহাজ মো. সোহাগ

রাষ্ট্রীয় সম্পদে নতুন প্রাণ, বন্ধ পাটকলে ১,০৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ

শিগগিরই মার্জিন ইস্যু রুলসসহ ৩ বিধিমালায় পরিবর্তন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে আরও শক্তিশালী হবে বিএসটিআই: শিল্পমন্ত্রী

সামনের কঠিন পথ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

জিডিপি-কর্মসংস্থানে বড় অবদান, তবুও নীতি সহায়তার অভাবে ধুঁকছে হালকা প্রকৌশল শিল্প