শিরোনাম
কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মৃত্যু
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬

চিকিৎসা ব্যয়ের ৪০% দালালদের পকেটে

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

হার্টের সমস্যা নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশু সন্তানের চিকিৎসার জন্য গত বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ শহরে একজন চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন বন্দর এলাকার গৃহবধূ নাসরীন আক্তার। বেশকিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি জানান, শিশুটির হার্টে ছিদ্র রয়েছে। উন্নত চিকিৎসা করাতে হলে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর এক হাসপাতালে কর্মরত একজন প্রখ্যাত শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখাতে হবে। দ্রম্নত চিকিৎসা করানো না হলে শিশুর মৃতু্যঝুঁকি রয়েছে। স্বল্প ব্যয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য ওই চিকিৎসক ঢাকার হাসপাতালের মার্কেটিং ম্যানেজার আব্দুল মতিনের মোবাইল ফোন নম্বরটি দিয়ে দেন তিনি।


পরদিনই ওই গৃহবধূ এক নিকটাত্মীয়কে নিয়ে ঢাকায় ছুটে আসেন এবং নারায়ণগঞ্জের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অসুস্থ শিশু সন্তানকে নির্ধারিত হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে হাসপাতালের মার্কেটিং ম্যানেজার যে হার্ট বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের আন্ডারে তাকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার প্রতিশ্রম্নতি দেন তিন দিনেও তার দেখা পাননি। পরে ওই গৃহবধূ খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, তার সন্তানকে যে চিকিৎসক দেখভাল করছেন তিনি সদ্য এমবিবিএস পাস। শিশু হৃদরোগ চিকিৎসায় তার কোনো অভিজ্ঞতাই নেই। অথচ এরই মধ্যে কেবিন ভাড়াসহ হাসপাতালের বিল ৩৫ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু হতভাগা ওই মা ঘুর্ণাক্ষরেও জানতে পারেননি ওই টাকার একটা বড় অংশই গিয়েছে নারায়ণগঞ্জ থেকে রোগীকে ঢাকায় পাঠানো চিকিৎসক এবং সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের মার্কেটিং ম্যানেজার আব্দুল মতিনের পকেটে।


বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, ছোট শহর ও মফস্বল এলাকার কোয়াক (অজ্ঞ) ডাক্তারদের সঙ্গে ঢাকার অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অলিখিত চুক্তি রয়েছে। তারা জীবন ঝুঁকির ভয় এবং স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিদিন শত শত রোগী ওইসব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পাঠান। মার্কেটিং বা সেলস অফিসার নামধারী হাসপাতালের নির্ধারিত দালালরা এ কাজে মধ্যস্বত্বের ভূমিকা পালন করেন। এর বিনিময়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর মোট চিকিৎসা ব্যয়ের ৪০ শতাংশ তারা দালালি হিসেবে পান। যা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সপ্তাহান্তে কিংবা মাস শেষে তাদের হাতে তুলে দেয়। কখনও কখনও রোগী বিল পরিশোধ


করার সঙ্গে সঙ্গে 'কেস টু কেস' এ পেমেন্ট দেওয়া হয়।


খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা সাইনবোর্ড সর্বস্ব বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর হিসাব খাতায় রোগী ভাগিয়ে আনার এ কমিশনকে 'রেফারেল মানি' হিসেবে উলেস্নখ করা হচ্ছে। কেউ কেউ আবার এটিকে 'বিজনেস ডেভেলপমেন্ট কস্ট' হিসেবে খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করছেন। ওইসব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান এ টাকার জন্য কৌশলে রোগীদের পকেট কাটছে। কখনও কখনও দামি ওষুধ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ভুয়া বিল যুক্ত করে দেওয়া হচ্ছে।


এদিকে উপযুক্ত চিকিৎসক ও চিকিৎসা সেবা না থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র নিজেদের কমিশন বাণিজ্য চাঙা রাখতে ওইসব দালালরা নানা ফাঁদ পেতে রাখছে। এতে পা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী অপচিকিৎসার শিকার হচ্ছেন। এমনকি ভুল চিকিৎসায় কখনও কখনও রোগীর মৃতু্যর ঘটনাও ঘটছে।


তবে মধ্যস্বত্বভোগী ওইসব ডজনখানেক কোয়াক (অজ্ঞ) চিকিৎসক ও মার্কেটিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে তাদের নূ্যনতম অনুতপ্ত বা লজ্জিত হতে দেখা যায়নি। বরং এর মাধ্যমে তারা অসহায় মানুষ সেবা দিচ্ছেন বলেও কেউ কেউ গর্ব করেছেন।


রাজধানীর মাতুয়াইলের একটি বেসরকারি হাসপাতালের মার্কেটিং অফিসার আবুল হোসেন স্বীকার করেন তিনি একজন মধ্যস্বত্বভোগী। কমিশন নেওয়াকে দোষের কিছু মনে করেন না তিনি। তার ভাষ্য, হাসপাতালে রোগী পাঠানোর জন্য তিনি কোনো কমিশন না নিলেও রোগীদের একই খরচ বহন করতে হবে। বরং তার মাধ্যমে রোগীরা কিছু ডিসকাউন্ট (ছাড়) পান। তাকে কমিশন হিসেবে হাসপাতাল থেকে যে টাকা দেওয়া হয় তা ওই প্রতিষ্ঠানের লাভের একটি অংশ বলে দাবি করেন আবুল হোসেন।


সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানোর কাজে জড়িত আব্দুল মোত্তালেব নামের অপর একজন যুবক জানান, শুধু তারা কিংবা কোয়াক (অজ্ঞ) ডাক্তাররাই নন, অনেক এমবিবিএস চিকিৎসক 'রেফারেল মানি' হিসেবে মোটা অঙ্কের উৎকোচ নিচ্ছেন। রোগী ভাগানোর জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলো সেলস বা মার্কেটিং অফিসার নামে বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষকে নিয়োগ দিলেও তাদের বাইরে সরকারি হাসপাতালের আয়া, বুয়া, নার্স, ওয়ার্ড বয় ও সিকিউরিটি গার্ডসহ অনেকেই এ কাজের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে পাওয়া কমিশন এদের সবার মধ্যে নির্ধারিত হারে ভাগ হয়।


চিকিৎসা খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের বেশিরভাগ হাসপাতাল, ক্লিনিক, ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারই এই দালাল চক্রের ওপর নির্ভরশীল। দালালদের কমিশন দেওয়া বন্ধ করে দিলে এ ধরনের বেশিরভাগ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সরল হিসাবে তাদের ৪০ শতাংশ কমিশন দেওয়া হলেও কখনও কখনও তা ৫০ শতাংশও ছাড়িয়ে যায়। যার চাপ পুরোটাই রোগীর ঘাড়ে পড়ে। এ কারণে নিম্নমধ্যবিত্ত রোগীরা অনেক সময় সাধারণ চিকিৎসা নিতে গিয়ে হিমসিম খান। অনেক সময় পুরোপুরি চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হওয়াও তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।


জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের কমিশন বন্ধ করে দেওয়া গেলে দেশে চিকিৎসার মান অনেক উন্নত হবে এবং রোগীদের চিকিৎসা খরচও অনেক কমবে। তাদের ভাষ্য, দালালদের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক রোগী ভাগিয়ে এনে যেনতেন চিকিৎসা দিয়ে অর্থ উপার্জন সহজ হওয়ায় অনেকেই এখন হাসপাতাল-ক্লিনিক বাণিজ্যে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এমনকি কোথাও কোথাও রোগী ভাগানো দালালরা কয়েকজন মিলে এ ধরনের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছেন। হাসপাতাল-ক্লিনিক পরিচালনার জন্য নির্ধারিত চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয় এবং অবকাঠামোগত সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও তারা চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একশ্রেণির দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের গোপন আঁতাত থাকায় ওইসব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের কোনো অঘটন না ঘটা পর্যন্ত কোনো ধরনের সমস্যা হচ্ছে না।


স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ আব্দুস সবুর বলেন, সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ করা গেলে দেশে চিকিৎসা ব্যয় ৫০-৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব।


তিনি বলেন, বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা খাত নিয়ন্ত্রণ না করতে পারার একটি কারণ দেশে বিদ্যমান প্রাইভেট হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট আইন এত বেশি পুরোনো এটা বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না। বেশ কয়েকবার উদ্যোগ নিলেও আইনটি বিভিন্ন কারণে আর সংশোধন করা যায়নি। আর এ কারণে এই খাত এখন সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় আছে, কোনো জবাবদিহিতা নেই। শুধু এই জন্যই দেশের বহু মানুষ আকাশচুম্বী এই চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে প্রতি বছর দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাচ্ছে, লাভবান হচ্ছে একশ্রেণির মানুষ ও মধ্যস্বত্বভোগীরা।


এদিকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কমিশন বাণিজ্যে মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হলেও স্বল্প আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। এছাড়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানসম্মত পরীক্ষা-নিরীক্ষা হচ্ছে না বললেই চলে।


স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোর কোথাও কোথাও পরীক্ষা-নিরীক্ষার মূল্য তালিকা টাঙানো থাকলেও বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতালে তা চোখে পড়ে না। এতে ফাঁদে পড়েন রোগী ও তার অভিভাবকরা। কেননা চিকিৎসা বিজ্ঞান যত আধুনিক হচ্ছে ততই নানাবিধ পরীক্ষার প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে। আগের মতো রোগীর নাড়ি টিপে কিংবা লক্ষণ বিচার করে রোগ নির্ণয়ের চেষ্টা করা হয় না। বিশেষ করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অধিকাংশই এখন একাধিক পরীক্ষা ছাড়া ওষুধ দিতে চান না। শতভাগ সঠিক রোগ নির্ণয় করতে হলে প্যাথলজি ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার ফলাফল জানা আবশ্যক।


আর এই সুযোগে দেশে রোগ নির্ণয় প্রতিষ্ঠানগুলো অলিখিত কমিশন চুক্তির মাধ্যমে রোগীদের পকেটশূন্য করছে। চিকিৎসা ব্যয়ের ১৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন সরকারি-বেসরকারি চিকিৎসক, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার পরিকল্পনা কর্মী, রিসিপশনিস্ট ও পেশাদার দালাল চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে। বেসরকারি স্বাস্থ্য খাত নিয়ে টিআইবি'র এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।


ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, রোগ নির্ণয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ডাক্তার ও দালালদের ১৫ থেকে ৫০ ভাগ কমিশন চুক্তি রয়েছে। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মো. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, উচ্চ মুনাফার জন্য বেসরকারি চিকিৎসাসেবা কেন্দ্রগুলোতে ব্যবসা চলছে, সেবাগ্রহীতাকে জিম্মি করে অতিরিক্ত মুনাফা আদায় হচ্ছে। বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা খাতের বিধিমালা না থাকা এবং আইনের হালনাগাদ না হওয়াকেই স্বাস্থ্য খাতের এ সমস্যার জন্য দায়ী করা হয় প্রতিবেদনে।


অনুসন্ধানে জানা গেছে, মূলত চিকিৎসকদের 'কমিশন ব্যবসা'র কারণে বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যয় সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আকাশ-পাতাল ব্যবধান থাকে। যেসব চিকিৎসক বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী পাঠান, তাদের একেকটি পরীক্ষার মোট চার্জের একটি নির্দিষ্ট শতাংশ কমিশন দেওয়া হয়। তাদের এই কমিশন দিয়ে অতিরিক্ত মুনাফা নিশ্চিত করতেই বিভিন্ন পরীক্ষার চার্জ প্রকৃত খরচের চেয়ে অনেক গুণ বেশি নেওয়া হয়।


সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দুর্বল মনিটরিং, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের অতিরিক্ত মুনাফা করার প্রবণতা এবং একশ্রেণির চিকিৎসকের 'কমিশন বাণিজ্যের' কারণেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ সহজ-সরল নিরীহ মানুষগুলো এর শিকার হচ্ছেন। এতে করে অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে থাকে রোগীর চিকিৎসা ব্যয়। নিয়ন্ত্রণহীন আকাশচুম্বী প্যাথলজি ফি'র কারণে মধ্যবিত্ত রোগীরা অনেক সময় বিনা চিকিৎসায় জটিল সব রোগে ভোগেন।



আরও খবর




রাজারহাটে জরাজীর্ণ ঘরে নিভৃতে বাস করা ৭৮ বছরের বৃদ্ধা ফুলো রানী দেবের পাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন

মুরাদনগরে সাংবাদিক শহিদুল হকের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা

রাণীনগরে গ্রাম পুলিশদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ

রাঙ্গাবালীতে জেলেদের মাঝে সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয় প্রদৃপ্ত প্রকল্পের আওতায়

রিকশা নষ্ট হওয়ায় কলেজে যাওয়া বন্ধ, প্রতিবন্ধী আবু সাঈদের পাশে ইউএনও

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্য আটক

ঘাটাইলে জেলা প্রশাসকের সাথে মতবিনিময় সভা

ঘুষ কেলেঙ্কারিতে বোদা ভূমি অফিস: ৩ কর্মচারীর ঘুষ লেনদেনের ভিডিও ভাইরাল

ভৈরবে পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

গাজীপুর মধ্যরাত্রে প্রেস ক্লাবের নির্বাচন স্থগিত: সাংবাদিকদের তীব্র ক্ষোভ

ফুলপুরে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা

চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট

উলিপুরে টিআইয়ের উপস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা: দুই কর্মকর্তার দুই রকম বক্তব্য

কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সুমাইয়া বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ আইইটি স্কুলের শিক্ষকরা

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা