শিরোনাম
চন্দনাইশে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ কৃষক মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত মাদক,কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্প অনুষ্ঠিত আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ জামালগঞ্জে নতুন ইউএনও হিসেবে পদায়ন পেলেন শিল্পী রাণী মোদক মুরাদনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ‘ছাত্রদলের’ বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি আবুল কালাম মল্লিকের শিবচর থানায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় যোগদান আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা ও সহযোগী আটক লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৪০ পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়
বুধবার ১০ জুন ২০২৬
বুধবার ১০ জুন ২০২৬

এবার ঘাস চাষ শিখতে বিদেশ যাওয়ার বায়না

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

মাছ চাষ, খিচুড়ি রান্না শিখতে বিদেশ যাওয়ার খবর পুরোনো। এবার ঘাস চাষ শিখতে বিদেশ যেতে চান সরকারের ৩২ কর্মকর্তা। চলমান একটি প্রকল্পের আওতায় এ খাতে খরচ ধরা হয়েছে ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। প্রত্যেক কর্মকর্তা খরচ বাবদ পাবেন ১০ লাখ টাকা। নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে এ প্রশিক্ষণ নেওয়ার কথা।


গত চার বছরে এ খাতে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় বিদেশ সফর হয়নি। নতুন করে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ছে এক বছর। বর্ধিত ডিপিপিতেও (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) ৩ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ঘাস চাষ শিখতে বিদেশ ভ্রমণে অর্থব্যয় করতে চান না সরকার সংশ্লিষ্টরা।


দেশে গবাদি পশুর জন্য পুষ্টিকর ঘাস উৎপাদনের জন্য ‘প্রাণিপুষ্টির উন্নয়নে উন্নত জাতের ঘাসের চাষ সম্প্রসারণ ও লাগসই প্রযুক্তি হস্তান্তর’ নামে একটি প্রকল্পের আওতায় এ অর্থ চাওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ১১৭ কেটি ৪৯ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়ছে এক বছর। বাড়তি সময়ের মধ্যে হলেও বিদেশ ভ্রমণে যেতে চান কর্মকর্তারা। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব এরই মধ্যে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছে তারা।




৩২ কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক আমজাদ হোসেন ভুইয়া বলেন, ‘প্রকল্পের কাজ চলমান। বর্তমানে অগ্রগতি প্রায় ১৭ শতাংশ। আমরা বরাদ্দ ঠিকমতো পাইনি। তাই অগ্রগতি ভালো হয়নি। ডিসেম্বর ২০২৪ মেয়াদে প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি, এজন্য এক বছর মেয়াদ বাড়ছে।’



প্রকল্পের আওতায় বৈদেশিক প্রশিক্ষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রকল্পে ৩২ কর্মকর্তা উন্নত দেশে ভ্রমণ করবেন, যেখানে ঘাসের চাষ ভালো হয়। দেশগুলো নিউজিল্যান্ড হতে পারে, ভিয়েতনাম হতে পারে আবার অন্য দেশও হতে পারে।’


প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে ৩১ কোটি ৫২ লাখ ১৭ হাজার টাকা, যা মোট ব্যয়ের প্রায় ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রকল্পের জন্য কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ না পাওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী অগ্রগতি হয়নি এবং ডিসেম্বর ২০২৪ এর মধ্যে প্রকল্পের নির্ধারিত কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। তাই ব্যয় ব্যতিরেকে মেয়াদ ডিসেম্বর ২০২৫ নাগাদ বাড়ছে।



প্রকল্পটি খামারি পর্যায়ে উন্নত জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রাণিপুষ্টির উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। প্রকল্পের মাধ্যমে দেশব্যাপী খামারিদের মধ্যে কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ প্রযুক্তি সাইলেজ সম্প্রসারণ করার সংস্থান রয়েছে। এ প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান থাকলে খামারিদের মধ্যে উন্নত জাতের কাঁচা ঘাস চায় এবং সাইলেজ প্রযুক্তি জনপ্রিয় হবে। গবাদিপশুকে পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ কাঁচা ঘাস সরবরাহ বাড়বে এবং গো-খাদ্যের আমদানিনির্ভরতা কমবে।



পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, নেপিয়ার ঘাসের চার-পাঁচটি জার্মপ্লাজম দেশে আনা হবে। এগুলো কীভাবে প্রস্তুত করা যায়, সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেবেন কর্মকর্তারা। কীভাবে সারাদেশের খামারি পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া যায়, ল্যাবরেটরিতে জার্মপ্লাজম সংরক্ষণ করা যায় সে বিষয়ে তিনটি দেশে কর্মকর্তারা যাবেন। দুধ উৎপাদন বাড়ানো ও খামারিদের লাভবান করতেই এমন উদ্যোগ। খাদ্যের মধ্যে কাঁচা ঘাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দুধ উৎপাদন বাড়াতে কাঁচা ঘাসের কোনো বিকল্প নেই। কাঁচা ঘাস সহজপ্রাপ্য হলে গাভি পালনও সহজতর হবে। তাই আধুনিক পদ্ধতিতে ঘাস চাষ করতে হবে। সেজন্য দরকার ব্যাপকভাবে উচ্চ উৎপাদশীল ঘাস চাষ।


খামারি পর্যায়ে উচ্চ উৎপাদনশীল জাতের ঘাস চাষ সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয় করার মাধ্যমে গবাদি পশুর পুষ্টির উন্নয়ন করা প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। এছাড়া প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় খামার পর্যায়ে প্রাণিপুষ্টি উন্নয়ন প্রযুক্তি প্রদর্শন ও দুর্যোগকালীন গো-খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সাইলেজ প্রযুক্তি গ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণ।


এছাড়া সাভারে কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে স্থায়ী জার্মপ্লাজম নার্সারি স্থাপন করাসহ ৮ হাজার ৯৭০টি উচ্চ উৎপাদনশীল উন্নত জাতের স্থায়ী বা অস্থায়ী ঘাসের প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হবে। সম্প্রসারণ করা হবে বিদেশ থেমে আমদানি করা নেপিয়ার-১ জার্মপ্লাজম। বিজ্ঞানসম্মত ও আধুনিক পদ্ধতিতে কাঁচা ঘাস সংরক্ষণের জন্য ১৭ হাজার ৯৪০টি খামারে লাগসই প্রযুক্তি (সাইলেজসহ) হস্তান্তর করাসহ অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ ঘাসের বীজ বিতরণ, ভিটামিন-মিনারেল প্রিমিক্স খাদ্য এবং কৃমিনাশক বিতরণ, কমিউনিটি এক্সটেনশন এজেন্ট নির্বাচন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।


ঘাস চাষ শেখার বিষয়ে কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) মো. ছায়েদুজ্জামান  বলেন, ‘এখন বিদেশ ভ্রমণের সময় নয়, দেশের জন্য কাজ করার সময়। কোনো অনুমোদিত প্রকল্পে যদি ঘাস চাষের কোনো বিষয় থাকে সেটা বাদ দেওয়া হবে। বিদেশ ভ্রমণের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। এটা আমাদের হাতে এলে কেটে বাদ দেবো। এখন প্রকল্পের আওতায় কেউ বিদেশ যেতে পারবে না সাফ কথা।’



এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী  বলেন, ‘ঘাস চাষে শেখার কিছু নেই। এটা অর্থের অপচয়। ঘাস চাষ শিখতে দেশ ঘোরার কোনো মানে নেই। দেশে যে ঘাসগুলো ব্যবহার হয় একই ধরনের কাজ হবে। ভালো জাতের ঘাস নাও হতে পারে। ঘাস চাষ এমন কিছু টেকনিক্যাল কোনো জিনিস নয়। এটা বাড়তি খরচ ও অপচয়। এটা দেশ ঘোরার একটা পাঁয়তারা। অর্থের অপচয়।’


তিনি বলেন, ‘গম, ধান যেভাবে চাষ করা হয় এটা একইভাবে হয়। এটা নতুন কোনো বিষয় নয়। জিনিসটা পুনর্বিবেচনা করা উচিত এবং অপচয়মূলক প্রকল্পের কাজ বাদ দেওয়া উচিত। এটা নিয়ে একগাদা লোক বিদেশে গিয়ে দেখে আসার কী আছে? এই অপচয় বন্ধ করা উচিত। বর্তমান পরিস্থিতিতে সব ধরনের অপচয় বন্ধ করা এখনই মুখ্য সময়।’


আরও খবর




ব্রাজিলের জার্সি পরলেই ভিজিট ফ্রি, ডা. ফরিদ এইচ খান

চন্দনাইশে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ কৃষক মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত

মাদক,কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ

অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্প অনুষ্ঠিত

আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ

জামালগঞ্জে নতুন ইউএনও হিসেবে পদায়ন পেলেন শিল্পী রাণী মোদক

মুরাদনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ‘ছাত্রদলের’ বিক্ষোভ মিছিল

ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি আবুল কালাম মল্লিকের শিবচর থানায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় যোগদান

আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা ও সহযোগী আটক

লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৪০ পরিবারের মাঝে আতঙ্ক

বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

নারায়ণগঞ্জে ডাম্পট্রাকের চাপায় ছাত্রদল ও যুবদল নেতা নিহত

সরকারি টাকায় নিম্নমানের রাস্তা নির্মাণ, প্রকৌশলী বললেন ‘মারামারি করে কাজ বন্ধ করব নাকি!

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদক মামলায় এক আসামী আটক

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

ধুনটে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা আসিফ সিরাজ রব্বানী

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

দক্ষিণ আইচায় ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক কথিত মাদক সম্রাট বাবুল

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

সাতক্ষীরায় কোটি টাকার কোর্ট ফি জালিয়াতির মূলহোতা পিওন সিরাজুল গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত রনির মৃত্যু,থানায় মামলা দায়ের

কাঞ্চন পৌরসভায় ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা, হাতপাখা প্রতীক তুলে শপথ

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কফিল উদ্দিন আর নেই

ফুলপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ঈদ যাত্রায় সড়ক-রেল-নৌপথে নিহত ৪৩৮ জন

মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম, জুলাইতেও মানুষের পক্ষেই ছিলাম: ফারুকী

ব্যাংকখাতে সুশাসন নিশ্চিতে সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারের ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি

‘ডেঙ্গুর চিকিৎসা পদ্ধতি শুনে আমি ভয় পেয়ে গেছি’

সনদসর্বস্ব শিক্ষার বদলে কর্মমুখী কারিকুলাম জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার আগেই প্রতিহত করতে চান ডিএসসিসি প্রশাসক

দীর্ঘ ছুটি শেষে কাল খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পুশইন মেনে নেবে না বাংলাদেশ, বন্ধে কূটনৈতিক সংলাপের তাগিদ বিশ্লেষকদের