
।
সুজন তালুকদার
ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে স্থাপিত রোড ডিভাইডার বা ট্রাফিক আইল্যান্ড এখন জনসাধারণের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে উঠেছে। যানবাহনের সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিত করা ও দুর্ঘটনা কমানোর উদ্দেশ্যে নির্মিত এই আইল্যান্ডকে ঘিরে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের পক্ষ থেকে।
সর্বশেষ গত রাতে একটি বিআরটিসি বাস দুর্ঘটনার শিকার হওয়ার ঘটনায় আবারও আলোচনায় আসে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টের ঝুঁকিপূর্ণ এই ট্রাফিক আইল্যান্ড। স্থানীয়দের দাবি, এর আগেও এখানে বহু দুর্ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন অনেক মানুষ এবং হয়েছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। তবে এখনো কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আইল্যান্ডটির আশপাশে পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড, রিফ্লেক্টর লাইট, ব্লিংকার কিংবা দৃশ্যমান নিরাপত্তা চিহ্ন নেই। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে দূর থেকে আইল্যান্ডটি সহজে বোঝা যায় না। ফলে দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
তাদের মতে, সিলেট-সুনামগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কে এমন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা অবিলম্বে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টের ট্রাফিক আইল্যান্ডটি পুনর্বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
স্থানীয়দের প্রস্তাবিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে—
• উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রিফ্লেক্টর ও সৌরবাতি স্থাপন
• বড় ও দৃশ্যমান সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বসানো
• স্পিড ব্রেকার ও গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু
• রাতের দৃশ্যমানতা বাড়াতে ফ্ল্যাশিং লাইট স্থাপন
• নিয়মিত ট্রাফিক মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ
এলাকাবাসীর ভাষ্য, “আর কোনো প্রাণহানি বা বড় দুর্ঘটনার আগেই কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হোক—এটাই এখন আমাদের প্রাণের দাবি।





























