
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি,
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার কুমারখালী এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত জেরে পূর্ব বিরোধের জেরে মারধর, কুপিয়ে জখম ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামের মো.জাকির সরদার বাদী হয়ে গুরুদাসপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় একই এলাকার ৭জনকে আসামি করা হয়েছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জমিজমা বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে শনিবার (১৬ মে) সকালে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাদীর লিচুর বাগানে হামলা চালায়। এসময় বাদীর ছোট ভাই, ছোট ভাইয়ের, জাকিরের স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয় বলে অভিযোগ করা।
আহতদের উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শারমিন সুলতানা সাথী জানান, আহত নার্গিসের মাথায় সাতটি এবং নাছেরের হাতে তিনটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আহতদের শরীরে আঘাত ও জখমের চিহ্ন রয়েছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ভুক্তভোগি জাকির সরদার অভিযোগ করে বলেন, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র হাসুয়া, লোহার রড, কাঠের লাঠি হাতে বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিবাদীপক্ষের মো. শামসুল ইসলাম বলেন, জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের বিরোধ চলছিল। হঠাৎ করে প্রতিপক্ষ লিচু পাড়তে শুরু করলে বাধা দেওয়া হয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং দুই পক্ষের লোকজন আহত হন।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, “এ ঘটনায় ১ নং আসামি মো. জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।





























