
মোঃ আল আমিন, কিশোরগঞ্জ:আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ জেলায় কুরবানীর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে সকলের প্রতি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা তথ্য অফিস।জেলার সিনিয়র তথ্য অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান কাউছার বলেছেন, ঈদুল আজহার সময় কুরবানীর পশুর বর্জ্য যথাসময়ে অপসারণ না করা হলে পরিবেশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।তিনি আরও বলেন, কুরবানীর পর নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলা, দ্রুত মাটি বা ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা এবং পৌরসভা বা স্থানীয় পরিষদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। এ বিষয়ে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।দৈনিক আলোকিত সকালের সাথে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, “কুরবানীর পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ না করলে পরিবেশ দূষণ, দুর্গন্ধ এবং বিভিন্ন রোগব্যাধির ঝুঁকি বাড়ে। তাই ঈদের আনন্দ ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্ধারিত স্থানে বর্জ্য ফেলতে হবে এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সহযোগিতা করতে হবে।”তিনি আরও যোগ করেন, “পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংশ। ঈদের আনন্দ যেন কোনোভাবেই পরিবেশ দূষণ বা জনদুর্ভোগের কারণ না হয়, সেদিকে সবাইকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে। নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই কুরবানীর বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হবে।”জেলা তথ্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে। এর মধ্যে থাকবে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা, যাতে সাধারণ মানুষকে পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে আরও বেশি সচেতন করা যায়।এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, কুরবানীর বর্জ্য দ্রুত ও সঠিকভাবে অপসারণে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সাধারণ জনগণ সম্মিলিতভাবে কাজ করলে ঈদের পরিবেশ আরও সুন্দর, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত রাখা সম্ভব হবে।





























