শিরোনাম
হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড় ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ফায়ার সার্ভিস পায়নি নকলাবাসী,আগুনে পুড়ছে কোটি টাকার স্বপ্ন ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বাখরনগরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল লালমোহনের কৃতি সন্তান মনিরুল ইসলাম লন্ডন থেকে অর্জন করলেন ব্যারিস্টার ডিগ্রি পোরশায় মাননীয় সাংসদকে ঘাটনগর পাহিড়া পুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর সংবর্ধনা বান্দরবানের থানচিতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার বাঙ্গরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও ধর্মমন্ত্রীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হলি ৮৬ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ,ফলজ গাছের চারা বিতরণ
রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬
রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬

ক্যাম্পকে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ভেবে বড় হচ্ছে যে শিশুরা

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

নাফ নদীর ওপারে যুদ্ধ চলছে। হামলার শব্দ, আগুন থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া এপারে ভেসে আসে। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে সাত বছর আগে মায়ের কোলে করে বাংলাদেশে চলে আসা শিশুরা বড় হচ্ছে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। ২০১৭ সালে ‘ফেলে আসা জীবন’ নিয়ে বাবা-মায়ের মুখে সেই ভয়াবহতার গল্প শুনে শুনে বড় হওয়া এই শিশুরা মনে করে, তারা সেই যুদ্ধের মধ্যেই আছে। ক্যাম্পের জীবনও তাদের জন্য একটা ‘যুদ্ধক্ষেত্র’। শরণার্থী অভিবাসন নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা বলছেন— ক্যাম্প হয়তো জীবনের নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু ক্যাম্পই তো আসলে ‘জীবন’ নয়। এখানে অনিশ্চয়তা নিয়েই প্রতিনয়ত যুদ্ধ করেই বাঁচতে হয়। আর শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, যেসব শিশু শৈশবেই অনিশ্চয়তার মানে বুঝে যায়, তাদের যে পরিমাণ মানসিক সহায়তা দরকার; তার কতটুকুই বা ক্যাম্প দিতে পারে!


উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাদের বয়স এখন ১১ থেকে ১৬ বছর। তারা সাত বছর আগে যখন এসেছে। তখনও তাদের কেউই বুঝতো না মায়ের কোলে চড়ে, বাবার ঘাড়ে উঠে দৌড়ে কোথায় যাচ্ছে। যাদের বয়স ছিল ৪ বছর থেকে ৯ বছর। তারা একটু একটু করে বড় হচ্ছে। তারাও বুঝতে শুরুর পর থেকে ‘ক্যাম্প-জীবনকে’ দেখছে। সেখানে ১০ ফুট বাই ১০ ফুটের ঘরেই তাদের জীবন।



বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার যৌথ ফ্যাক্ট শিটের জানুয়ারির হিসাব বলছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্তমান জনসংখ্যা ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০। এরমধ্যে ৫২ শতাংশই শিশু। সেই শিশুদের মধ্যে ৫ বছর থেকে ১১ বছরের ২১ শতাংশ, আর ১২ বছর থেকে ১৭ বছরের ১৫ শতাংশ শিশুর উল্লেখ আছে। ক্যাম্প ১, ৭ ও ৯-এর একটি করে ছেলেশিশু ও একটি করে মেয়েশিশুর মোট ছয়টি দলের সঙ্গে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে তাদের ভাবনার কথা।


২ মে ২০২৪, উখিয়া, ক্যাম্প-৭ এ ছয়টি ছেলে শিশুর একটি দলের সঙ্গে কথা হয়। ১১ বছর বয়সী এক শিশু চার বছর বয়সে থাকতে এ দেশে এসেছে কোলে চড়ে। এরপর সে জেনেছে, যেখানে সে থাকে সেটা তার নিজের জায়গা না। ওই দূর পাহাড়ে তাদের দেশ। তবে সেখানে যাওয়ার সুযোগ নেই। কোনো একদিন হয়তো ফিরতে পারবে, কিন্তু কোথায় ফিরবে?


‘ওখানে গেলে তারা কেমন থাকবে’, বাবা-মা সেসব আলোচনা করে কিনা প্রশ্নে আরেক শিশু জোয়ায়ের বলে, মায়ের মুখে গল্প শুনেছে সে। সেখানে নিজেদের তিন কক্ষের একটি বাড়ি আছে, চাষের জমি আছে, অন্য আত্মীয়রাও কেউ কেউ আছে। 


এখনও আসলে এসব ঠিকঠাক আছে কিনা— কী মনে হয়, জানতে চাইলে ৫ সদস্যের মেয়েদের গ্রুপের একজনের উত্তর— ‘আছে মনে হয়’।



ক্যাম্প-৯ এর ছেলেদের দলকেও একই প্রশ্ন করা হয়। তাদের সবার বয়স ১০ থেকে ১৪। ‘কেমন কাটে ক্যাম্পে?’ প্রশ্নের জবাবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বড়জন ১৪ বছর বয়সী কবির বলে, ‘আমরা ছোট থেকে সবচেয়ে বেশি শুনেছি যুদ্ধের কথা। আমাদের আসল বাড়ি যেখানে, সেখানে যুদ্ধ চলছে। তাই আমরা এখানে আছি। কিন্তু ক্যাম্পজীবনও তো যুদ্ধই। খাওয়ার ব্যবস্থা, থাকার ব্যবস্থা অন্য কেউ করে দেয়। হিসাব করে খাবার দেয়, খাবার কমিয়ে কমিয়ে দেয়। পানি এক জায়গায় গিয়ে লাইন ধরে জোগাড় করতে হয়— এসব যুদ্ধই। কেন আমরা এখানে সেই উত্তরও আমাদের কাছে নেই।


কবিরের বলা যুদ্ধের বিষয়ে একমত কিনা— জানতে চাইলে এই ক্যাম্পের মেয়েদের দলের ১১ বছরের এক সদস্য বলেন, ‘এখানেও আমাদের ভয়ে দিন কাটে। ইচ্ছেমতো চলার স্বাধীনতা নেই। সবাই কমবেশি চেনা, কিন্তু অচেনা মানুষও অনেক। আমাদের কেউ বিশ্বাস করে না। আমার অনেক বন্ধুর বিয়ে হয়ে গেছে। কতজনকে ক্যাম্প থেকে লুকিয়ে অন্যখানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব বলতেও মানা।‘


ক্যাম্প-১ এর ছেলেদের দল রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই বয়সেই। ১১ থেকে ১৪ বছরের সাত শিশুর তিন জনই ফিরে যাওয়ার আন্দোলনের মিছিল-মিটিংয়ে নিয়মিত। মিয়ানমারে এখনও যুদ্ধ চলছে, তাহলে তারা ফিরতে চান কেন— প্রশ্নে তাদের একজন বলছেন, ‘আমরা এখান থেকে বের না হলে আমাদের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। এখানে কেউ মারবে না আমাদের, কিন্তু বসে বসে যেটুকু সাহায্য পাবো, সারাজীবন সেটাই খাবো? নিজের জায়গায় যুদ্ধ করে হলেও সেখানেই থাকতে চাই।’


ফেরার বিষয়ে মা-বাবা কী বলেন, প্রশ্নে এখানকার মেয়েদের দলটির সবচেয়ে বড়জন ১৩ বছরের হেরাজান বলেন, ‘এখানে কেউ ঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে না বলে যুদ্ধ নাই, তা তো না। আমাদের জীবনটাই যুদ্ধের। সাত বছর হয়ে গেছে, এখন চলে যাবো নিজের জায়গায়। মা বলে— এখানে বন্দি জীবনে রোজ যুদ্ধ। এই কেউ মারা যাচ্ছে, এই পুলিশ অভিযান করছে, এই আগুন লেগে যাচ্ছে, মিছিল মিটিং করলেও ভয়ে ভয়ে করতে হয়।’


শিশু অধিকারকর্মী গওহার নঈম ওয়ারা মনে করেন, এই শিশুদের প্রতি নানাবিধ অন্যায় করা হচ্ছে। যেহেতু তারা শরণার্থী নয়, ফলে নানাবিধ অধিকারের দাবিদার নয়। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মনোসামাজিক অবস্থান নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই বন্দিজীবন, এই অপরাধপ্রবণ পরিবেশ তাদের প্রাপ্য না। তাদের যদি ট্রাভেল ডকুমেন্ট করে দেওয়া যায় তাহলে যে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে, সেখান থেকে তারা রক্ষা পায়। শিশুদের জন্য সর্বোচ্চটা করতে চাওয়া এবং পারা আমাদের উচিত। যেহেতু এখনই তাদের পাঠিয়ে দিতে পারছি না, সেহেতু ভাষাগত দূরত্ব যেন না থাকে, সেসব নিয়েও আমাদের পরিকল্পনা দরকার। 



মা-বাবা তাদের কী বলেন— জানতে চাইলে ১৪ বছরের রিমা বলে, ‘‘আমাদের দেশ ‘বার্মা’, আমরা এখানে বিদেশি সাহায্য নিয়ে থাকি। ওই দিকের যুদ্ধ থামলে আমরা চলে যাবো।’’ 


এরই মধ্যে রিমার বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করেছে। এখানেই বিয়ে-সংসার ও আরও কতবছর থাকতে হবে ধারণা করতে পারেন কিনা প্রশ্নে সে বলে, ‘আমাদের দেশে যুদ্ধ শুরু হলো, কী রক্ত মারামারির মধ্যে পালিয়ে এলো সবাই, তাতে প্রাণ বেঁচেছে ঠিকই, কিন্তু যুদ্ধের মধ্যেই আছি। নিজের মাটিতে থাকলে ভরসা থাকে, আমাদের আসলে কোনও জীবন নেই।


‘ক্যাম্প-জীবন তো স্বাভাবিক জীবন হওয়ার কোনও সুযোগ নেই’ উল্লেখ করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ্দৌজা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করি তাদের নানাবিধ অ্যাক্টিভিটির মধ্যে রাখতে। ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয় কমিশনের পক্ষ থেকে। তারপরেও ক্যাম্প তো ক্যাম্পই। তাদের ফিরে যাওয়া নিয়ে নানা রাজনীতি আছে, সেসব কথা শিশুদের কানে যায়। তারা মানসিকভাবে বিভ্রান্ত বোধ করতে পারে।’


আরও খবর




গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ২০তম কর্পোরেশন সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মানববন্ধনের অভিযোগ ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’, সংবাদ সম্মেলনে আশিক মাহমুদ

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা

হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়

ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত

ফুলবাড়ীয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পঞ্চগড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলপুরে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ২ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নন্দীগ্রামে এমইপি গ্রুপের ইলেকট্রিশিয়ানদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত সুস্থতার আশাবাদ চিকিৎসকদের

অসুস্থ শিশু মুজাহিদকে নগদ অর্থ প্রদান করলেন আলোর পথে ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়

শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন

স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ফায়ার সার্ভিস পায়নি নকলাবাসী,আগুনে পুড়ছে কোটি টাকার স্বপ্ন

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পোলশার বারিন্দা গ্রামে সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতে সাক্ষ্য ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে রায়হান আহমেদ বাদশা

নরসিংদীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

চন্দনাইশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল

চিরিরবন্দরে সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু

চাঁদপুরে যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াস গ্রেপ্তার

বৃত্তির ফল নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে আলোচনায় আহাদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল

ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ কবিরের বিরুদ্ধে

মাটির মা ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কাজী আলম ভূঁঞা

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট ইফার ফিল্ড অফিসার

আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

দয়ারামপুর (তালতলা, বিলপাড়া ও কাজিরদিয়ার) আদর্শ গ্রাম বিনির্মাণে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী (আহবায়ক) কমিটি গঠন

বাজেট সংকটে কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার কাজ বন্ধ: মরণফাঁদে পরিণত প্ল্যাটফর্ম, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সমাজ ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলাউদ্দিন আদরকে সম্মাননা

শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বিজিবির বাধায় দৌলতপুর সীমান্তে পুশ-ইন ব্যর্থ

স্পিডবোট চালক নির্যাতনের অভিযোগে নাম জড়ানো ভিত্তিহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত চান যুবদল নেতা এম শহীদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর পুনর্নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা

৫ আগস্ট খুলে দেয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী

উত্তোলনের তুলনায় মাটির নিচে পানি জমছে কম, খরাপ্রবণ এলাকায় বড় শঙ্কা

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী