শিরোনাম
চন্দনাইশে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ কৃষক মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত মাদক,কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্প অনুষ্ঠিত আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ জামালগঞ্জে নতুন ইউএনও হিসেবে পদায়ন পেলেন শিল্পী রাণী মোদক মুরাদনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ‘ছাত্রদলের’ বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি আবুল কালাম মল্লিকের শিবচর থানায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় যোগদান আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা ও সহযোগী আটক লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৪০ পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়
বুধবার ১০ জুন ২০২৬
বুধবার ১০ জুন ২০২৬

ক্যাম্পকে ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ ভেবে বড় হচ্ছে যে শিশুরা

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ মে ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

নাফ নদীর ওপারে যুদ্ধ চলছে। হামলার শব্দ, আগুন থেকে সৃষ্ট ধোঁয়া এপারে ভেসে আসে। মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে সাত বছর আগে মায়ের কোলে করে বাংলাদেশে চলে আসা শিশুরা বড় হচ্ছে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। ২০১৭ সালে ‘ফেলে আসা জীবন’ নিয়ে বাবা-মায়ের মুখে সেই ভয়াবহতার গল্প শুনে শুনে বড় হওয়া এই শিশুরা মনে করে, তারা সেই যুদ্ধের মধ্যেই আছে। ক্যাম্পের জীবনও তাদের জন্য একটা ‘যুদ্ধক্ষেত্র’। শরণার্থী অভিবাসন নিয়ে যারা কাজ করেন, তারা বলছেন— ক্যাম্প হয়তো জীবনের নিশ্চয়তা দেয়। কিন্তু ক্যাম্পই তো আসলে ‘জীবন’ নয়। এখানে অনিশ্চয়তা নিয়েই প্রতিনয়ত যুদ্ধ করেই বাঁচতে হয়। আর শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, যেসব শিশু শৈশবেই অনিশ্চয়তার মানে বুঝে যায়, তাদের যে পরিমাণ মানসিক সহায়তা দরকার; তার কতটুকুই বা ক্যাম্প দিতে পারে!


উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যাদের বয়স এখন ১১ থেকে ১৬ বছর। তারা সাত বছর আগে যখন এসেছে। তখনও তাদের কেউই বুঝতো না মায়ের কোলে চড়ে, বাবার ঘাড়ে উঠে দৌড়ে কোথায় যাচ্ছে। যাদের বয়স ছিল ৪ বছর থেকে ৯ বছর। তারা একটু একটু করে বড় হচ্ছে। তারাও বুঝতে শুরুর পর থেকে ‘ক্যাম্প-জীবনকে’ দেখছে। সেখানে ১০ ফুট বাই ১০ ফুটের ঘরেই তাদের জীবন।



বাংলাদেশ সরকার ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার যৌথ ফ্যাক্ট শিটের জানুয়ারির হিসাব বলছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বর্তমান জনসংখ্যা ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৩৫০। এরমধ্যে ৫২ শতাংশই শিশু। সেই শিশুদের মধ্যে ৫ বছর থেকে ১১ বছরের ২১ শতাংশ, আর ১২ বছর থেকে ১৭ বছরের ১৫ শতাংশ শিশুর উল্লেখ আছে। ক্যাম্প ১, ৭ ও ৯-এর একটি করে ছেলেশিশু ও একটি করে মেয়েশিশুর মোট ছয়টি দলের সঙ্গে ফোকাস গ্রুপ ডিসকাশনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসে তাদের ভাবনার কথা।


২ মে ২০২৪, উখিয়া, ক্যাম্প-৭ এ ছয়টি ছেলে শিশুর একটি দলের সঙ্গে কথা হয়। ১১ বছর বয়সী এক শিশু চার বছর বয়সে থাকতে এ দেশে এসেছে কোলে চড়ে। এরপর সে জেনেছে, যেখানে সে থাকে সেটা তার নিজের জায়গা না। ওই দূর পাহাড়ে তাদের দেশ। তবে সেখানে যাওয়ার সুযোগ নেই। কোনো একদিন হয়তো ফিরতে পারবে, কিন্তু কোথায় ফিরবে?


‘ওখানে গেলে তারা কেমন থাকবে’, বাবা-মা সেসব আলোচনা করে কিনা প্রশ্নে আরেক শিশু জোয়ায়ের বলে, মায়ের মুখে গল্প শুনেছে সে। সেখানে নিজেদের তিন কক্ষের একটি বাড়ি আছে, চাষের জমি আছে, অন্য আত্মীয়রাও কেউ কেউ আছে। 


এখনও আসলে এসব ঠিকঠাক আছে কিনা— কী মনে হয়, জানতে চাইলে ৫ সদস্যের মেয়েদের গ্রুপের একজনের উত্তর— ‘আছে মনে হয়’।



ক্যাম্প-৯ এর ছেলেদের দলকেও একই প্রশ্ন করা হয়। তাদের সবার বয়স ১০ থেকে ১৪। ‘কেমন কাটে ক্যাম্পে?’ প্রশ্নের জবাবে এদের মধ্যে সবচেয়ে বড়জন ১৪ বছর বয়সী কবির বলে, ‘আমরা ছোট থেকে সবচেয়ে বেশি শুনেছি যুদ্ধের কথা। আমাদের আসল বাড়ি যেখানে, সেখানে যুদ্ধ চলছে। তাই আমরা এখানে আছি। কিন্তু ক্যাম্পজীবনও তো যুদ্ধই। খাওয়ার ব্যবস্থা, থাকার ব্যবস্থা অন্য কেউ করে দেয়। হিসাব করে খাবার দেয়, খাবার কমিয়ে কমিয়ে দেয়। পানি এক জায়গায় গিয়ে লাইন ধরে জোগাড় করতে হয়— এসব যুদ্ধই। কেন আমরা এখানে সেই উত্তরও আমাদের কাছে নেই।


কবিরের বলা যুদ্ধের বিষয়ে একমত কিনা— জানতে চাইলে এই ক্যাম্পের মেয়েদের দলের ১১ বছরের এক সদস্য বলেন, ‘এখানেও আমাদের ভয়ে দিন কাটে। ইচ্ছেমতো চলার স্বাধীনতা নেই। সবাই কমবেশি চেনা, কিন্তু অচেনা মানুষও অনেক। আমাদের কেউ বিশ্বাস করে না। আমার অনেক বন্ধুর বিয়ে হয়ে গেছে। কতজনকে ক্যাম্প থেকে লুকিয়ে অন্যখানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব বলতেও মানা।‘


ক্যাম্প-১ এর ছেলেদের দল রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছে এই বয়সেই। ১১ থেকে ১৪ বছরের সাত শিশুর তিন জনই ফিরে যাওয়ার আন্দোলনের মিছিল-মিটিংয়ে নিয়মিত। মিয়ানমারে এখনও যুদ্ধ চলছে, তাহলে তারা ফিরতে চান কেন— প্রশ্নে তাদের একজন বলছেন, ‘আমরা এখান থেকে বের না হলে আমাদের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। এখানে কেউ মারবে না আমাদের, কিন্তু বসে বসে যেটুকু সাহায্য পাবো, সারাজীবন সেটাই খাবো? নিজের জায়গায় যুদ্ধ করে হলেও সেখানেই থাকতে চাই।’


ফেরার বিষয়ে মা-বাবা কী বলেন, প্রশ্নে এখানকার মেয়েদের দলটির সবচেয়ে বড়জন ১৩ বছরের হেরাজান বলেন, ‘এখানে কেউ ঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে না বলে যুদ্ধ নাই, তা তো না। আমাদের জীবনটাই যুদ্ধের। সাত বছর হয়ে গেছে, এখন চলে যাবো নিজের জায়গায়। মা বলে— এখানে বন্দি জীবনে রোজ যুদ্ধ। এই কেউ মারা যাচ্ছে, এই পুলিশ অভিযান করছে, এই আগুন লেগে যাচ্ছে, মিছিল মিটিং করলেও ভয়ে ভয়ে করতে হয়।’


শিশু অধিকারকর্মী গওহার নঈম ওয়ারা মনে করেন, এই শিশুদের প্রতি নানাবিধ অন্যায় করা হচ্ছে। যেহেতু তারা শরণার্থী নয়, ফলে নানাবিধ অধিকারের দাবিদার নয়। তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মনোসামাজিক অবস্থান নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই বন্দিজীবন, এই অপরাধপ্রবণ পরিবেশ তাদের প্রাপ্য না। তাদের যদি ট্রাভেল ডকুমেন্ট করে দেওয়া যায় তাহলে যে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে, সেখান থেকে তারা রক্ষা পায়। শিশুদের জন্য সর্বোচ্চটা করতে চাওয়া এবং পারা আমাদের উচিত। যেহেতু এখনই তাদের পাঠিয়ে দিতে পারছি না, সেহেতু ভাষাগত দূরত্ব যেন না থাকে, সেসব নিয়েও আমাদের পরিকল্পনা দরকার। 



মা-বাবা তাদের কী বলেন— জানতে চাইলে ১৪ বছরের রিমা বলে, ‘‘আমাদের দেশ ‘বার্মা’, আমরা এখানে বিদেশি সাহায্য নিয়ে থাকি। ওই দিকের যুদ্ধ থামলে আমরা চলে যাবো।’’ 


এরই মধ্যে রিমার বিয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করেছে। এখানেই বিয়ে-সংসার ও আরও কতবছর থাকতে হবে ধারণা করতে পারেন কিনা প্রশ্নে সে বলে, ‘আমাদের দেশে যুদ্ধ শুরু হলো, কী রক্ত মারামারির মধ্যে পালিয়ে এলো সবাই, তাতে প্রাণ বেঁচেছে ঠিকই, কিন্তু যুদ্ধের মধ্যেই আছি। নিজের মাটিতে থাকলে ভরসা থাকে, আমাদের আসলে কোনও জীবন নেই।


‘ক্যাম্প-জীবন তো স্বাভাবিক জীবন হওয়ার কোনও সুযোগ নেই’ উল্লেখ করে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ্দৌজা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করি তাদের নানাবিধ অ্যাক্টিভিটির মধ্যে রাখতে। ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয় কমিশনের পক্ষ থেকে। তারপরেও ক্যাম্প তো ক্যাম্পই। তাদের ফিরে যাওয়া নিয়ে নানা রাজনীতি আছে, সেসব কথা শিশুদের কানে যায়। তারা মানসিকভাবে বিভ্রান্ত বোধ করতে পারে।’


আরও খবর




ব্রাজিলের জার্সি পরলেই ভিজিট ফ্রি, ডা. ফরিদ এইচ খান

চন্দনাইশে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ কৃষক মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত

মাদক,কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ

অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্প অনুষ্ঠিত

আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ

জামালগঞ্জে নতুন ইউএনও হিসেবে পদায়ন পেলেন শিল্পী রাণী মোদক

মুরাদনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ‘ছাত্রদলের’ বিক্ষোভ মিছিল

ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি আবুল কালাম মল্লিকের শিবচর থানায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় যোগদান

আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা ও সহযোগী আটক

লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৪০ পরিবারের মাঝে আতঙ্ক

বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

নারায়ণগঞ্জে ডাম্পট্রাকের চাপায় ছাত্রদল ও যুবদল নেতা নিহত

সরকারি টাকায় নিম্নমানের রাস্তা নির্মাণ, প্রকৌশলী বললেন ‘মারামারি করে কাজ বন্ধ করব নাকি!

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদক মামলায় এক আসামী আটক

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

ধুনটে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা আসিফ সিরাজ রব্বানী

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

দক্ষিণ আইচায় ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক কথিত মাদক সম্রাট বাবুল

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

সাতক্ষীরায় কোটি টাকার কোর্ট ফি জালিয়াতির মূলহোতা পিওন সিরাজুল গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত রনির মৃত্যু,থানায় মামলা দায়ের

কাঞ্চন পৌরসভায় ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা, হাতপাখা প্রতীক তুলে শপথ

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কফিল উদ্দিন আর নেই

ফুলপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ঈদ যাত্রায় সড়ক-রেল-নৌপথে নিহত ৪৩৮ জন

মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম, জুলাইতেও মানুষের পক্ষেই ছিলাম: ফারুকী

ব্যাংকখাতে সুশাসন নিশ্চিতে সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারের ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি

‘ডেঙ্গুর চিকিৎসা পদ্ধতি শুনে আমি ভয় পেয়ে গেছি’

সনদসর্বস্ব শিক্ষার বদলে কর্মমুখী কারিকুলাম জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার আগেই প্রতিহত করতে চান ডিএসসিসি প্রশাসক

দীর্ঘ ছুটি শেষে কাল খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পুশইন মেনে নেবে না বাংলাদেশ, বন্ধে কূটনৈতিক সংলাপের তাগিদ বিশ্লেষকদের