শিরোনাম
পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২ শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার,ফারুকের বিরুদ্ধে ৯ মামলা প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন-২০২৬: যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন লালমোহনে মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মসজিদের টাকা চুরি চক্রের সদস্য মোতাকে কারাগারে প্রেরণ পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার
মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬

মাদক মামলায় সাজার হার না বাড়ার ১০ কারণ

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৭ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

মাদক মামলায় সাজার হার না বাড়ার ১০টি কারণ খুঁজে বের করেছে পুলিশ। এই দশ কারণ ও করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করে তা যথাযথভাব অনুসরণ করতে নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান। মাদক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও তদন্ত তদারকি কর্মকর্তাদের এই নির্দেশনা মেনে মামলা তদন্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


সম্প্রতি পুলিশ সদর দফতর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দফতরে একাধিক মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় মাদক মামলায় সাজার হার না বাড়ার কারণ নিয়ে আলোচনা হয়। গত বছর জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাদক মামলার সাজার হার ছিল ৩৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ।


পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মাদক উদ্ধারজনিত মামলার বাদী হন পুলিশ কর্মকর্তারা। পুলিশ বাদী এবং পুলিশি তদন্তের পরও মাদক মামলার আসামিদের খালাস পেয়ে যাওয়া দুঃখজনক। এছাড়া মাদক মামলায় শুধু বহনকারীদের গ্রেফতার না করে মামলার তদন্তে মাদকের উৎস পর্যন্ত যাওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।


ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার আজহার ইসলাম মুকুল জানান, মাদক মামলায় সব সময় উৎসমূলে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এছাড়া মাদক মামলায় সাজার হার বাড়ার জন্য তদন্তের গুণগত মানও উন্নত করা হচ্ছে।


সাজার হার না বাড়ার ১০ কারণ


ডিএমপি সূত্র জানায়, বিভিন্ন মাদক মামলা, মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করে ১০টি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো- এজাহার দায়ের ও জব্দ তালিকা প্রস্তুতের সময় গড়মিল। এজাহার দায়েরকারী ও তদন্তকারী পুলিশ অফিসার একই ব্যক্তি হওয়া। জব্দ তালিকায় জব্দকৃত আলামতের সঠিক পরিমাণ, রঙ, আলামতের অবস্থা ইত্যাদি সঠিকভাবে উল্লেখ না করা, উদ্ধার মালামালের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় জব্দ তালিকায় ভাসমান বা অস্থায়ী ঠিকানার ব্যক্তিদের সাক্ষী মানা, জব্দ তালিকার সাক্ষীদের সঠিকভাবে ব্রিফ না করা, মামলায় গুণগত সাক্ষীদের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ না করে অধিক সংখ্যক সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা, বর্তমানে প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুসারে জব্দকৃত আলামত উদ্ধার অভিযান, সাক্ষীদের স্বাক্ষর গ্রহণ ইত্যাদি ভিডিওর মাধ্যমে ধারণ এবং ডকুমেন্টের সঙ্গে প্রেরণ না করা, মামলার তদন্ত শেষে চার্ট অব এভিডেন্স দাখিল না করা, সঠিক সময়ে তলব মতে সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন না করা এবং রাষ্ট্রপক্ষ মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতার অভাব পরিলক্ষিত হওয়া।


করণীয়


ডিএমপি সূত্র জানায়, মাদক মামলায় জব্দ তালিকায় প্রকৃত সময়, তারিখ ও ঘটনাস্থলের সঙ্গে মিল রেখে এজাহার রুজু নিশ্চিত করতে হবে। এজাহার দায়েরকারী কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য কর্মকর্তা দ্বারা মামলার তদন্ত করতে হবে। মাদক মামলার জব্দকৃত আলামত সংখ্যা নয়, ওজনে পরিমাণ করা, আলামতের রঙ ও বহনের প্যাকেট বা মোড়কের বিবরণ, আসামির দেহের বা পোশাকের কোন অংশ হতে জব্দ করা হয়- তার সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে কী পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হলো তা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং প্রত্যেক আলামত শনাক্ত করার জন্য আলাদা আলাদা শনাক্তকরণ চিহ্ন দ্বারা মার্ক করতে হবে। ঘটনাস্থলের আশেপাশে অবস্থানকারী আবাসিক ভবনের বাসিন্দা কিংবা কোনও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্টেশনারি কিংবা যেকোনও স্থায়ী দোকানের মালিকদের মাদক মামলার জব্দ তালিকার সাক্ষী করতে হবে। কোনও অবস্থাতেই ভাসমান দোকানদার কিংবা ভাসমান ব্যক্তিদের জব্দ তালিকার সাক্ষী করা যাবে না।


নির্দেশনায় বলা হয়েছে, জব্দ তালিকায় মানিত সাক্ষীদের জবানবন্দি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধ করে সাক্ষীকে সঙ্গে সঙ্গে পড়ে শোনাতে হবে। মামলা বিচারকালে কাঠগড়ায় ওঠার পূর্বেই সাক্ষীকে ঘটনা সম্পর্কে জব্দ তালিকার বিষয়ে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে হবে। সাক্ষীদের সংখ্যা নয় বরং গুণগত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে মামলার বিচার করা হয় (সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা)। সুতরাং উদ্ধার মামলার গুণগত সাক্ষী নির্বাচনের মাধ্যমে অধিক সাক্ষী বর্জন করতে হবে। সংশোধিত সাক্ষ্য আইনে ছবি এবং ভিডিওচিত্রের সাক্ষ্যগত মূল্য রয়েছে। সুতরাং জব্দ তালিকা প্রস্তুতকালে অবশ্যই ছবি এবং ভিডিও ধারণ করে মামলার ডকেটে সংযুক্ত করতে হবে। মামলা তদন্ত শেষে চার্ট অব এভিডেন্স অবশ্যই দাখিল করতে হবে। যথাসময়ে সাক্ষীকে আদালতে হাজির ও উপস্থাপন নিশ্চিত করতে হবে। মামলা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত রাষ্ট্রপক্ষের পিপি ও এপিপিদের সাথে সমন্বয়পূর্বক সাক্ষীর সাক্ষ্য দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে এবং সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে এসে কোনও হয়রানির শিকার হলে পৃথক একটি রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ করে প্রতি মাসে পুলিশ কমিশনার বরাবর দাখিল করতে হবে।


আরও খবর




পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২

শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল

ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার,ফারুকের বিরুদ্ধে ৯ মামলা

প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন-২০২৬: যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন

উলিপুরে গভীর রাতে জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, নগদ টাকাসহ আটক ৪

লালমোহনে মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মসজিদের টাকা চুরি চক্রের সদস্য মোতাকে কারাগারে প্রেরণ

ফতুল্লায় ২০০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

উলিপুরে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শেয়ার প্রোফাইল ভ্যালিডেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার

পত্নীতলায় নজিপুর বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষের চারা বিতরণ

রাসেল হত্যা মামলায় শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

তিন দশকের পথচলার অবসান: খবরের কাগজ হাতে আর দেখা যাবে না নিতাইকে

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

রাজশাহীতে পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা