
মো. আল আমিন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিকিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়ক জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা, ভৈরবসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, পণ্যবাহী যানবাহন, সিএনজি অটোরিকশাসহ হাজারো যানবাহন চলাচল করে। অথচ এমন গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে স্তূপ করে ফেলে রাখা হয়েছে পোল্ট্রি খামারের মুরগির বিষ্ঠাভর্তি বস্তা। এতে তীব্র দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও যাত্রীরা।সম্প্রতি কটিয়াদী পৌরসভার ভরারদিয়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে স্তূপ করে রাখা হয়েছে মুরগির বিষ্ঠাভর্তি অসংখ্য বস্তা। দুর্গন্ধে ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করাই কষ্টকর হয়ে পড়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।এদিকে একই সময়ে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের ঘাস কাটা কার্যক্রম চলতে দেখা যায়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গজারিয়া থেকে বিন্নাটি পর্যন্ত মহাসড়কে কাজ করছে রূপসী বাংলা এন্টারপ্রাইজ। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে চলমান এ কাজে চারটি ঘাস কাটার মেশিন এবং ১৫ থেকে ২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছেন।কাজের তদারকির দায়িত্বে থাকা বাবুল (কিশোরগঞ্জ) জানান, কাজের আওতায় রাস্তার পাশের ঘাস ও ঝোপঝাড় পরিষ্কার, ভেঙে যাওয়া গাইড পোস্ট সোজা করা এবং সাইনপোস্টে রং করার কাজ করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, মহাসড়কের পাশে স্তূপ করে রাখা মুরগির বিষ্ঠাভর্তি বস্তা অপসারণের জন্য তাদের কোনো কার্যাদেশ বা দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। ফলে তারা শুধুমাত্র চুক্তিভুক্ত রক্ষণাবেক্ষণের কাজই করছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার পাশের ঘাস পরিষ্কার ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ চললেও দুর্গন্ধ ছড়ানো এসব বর্জ্য অপসারণে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেই। এতে শুধু পরিবেশ দূষণই নয়, জনস্বাস্থ্যও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।স্থানীয় সচেতন মহল মহাসড়কের পাশ থেকে দ্রুত এসব বর্জ্য অপসারণ এবং ভবিষ্যতে সরকারি সড়কের পাশে এ ধরনের বর্জ্য ফেলা বন্ধে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ কামনা করেছেন।





























