
মোঃ রায়হান মাহামুদ :
নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলায় পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে এক নারী, তার স্বামী ও ছেলেকে কুপিয়ে ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্বজনদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মনোহরদী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নাছিমা বেগম (৪৬)। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের গন্ডারদিয়া ফরাজী বাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে নাছিমা বেগমের সঙ্গে তার দেবরদের বিরোধ চলছিল। গত ৯ মে বিকেলে নাছিমার স্বামী কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে ছোট ছেলে আব্দুল্লাহকে খড় বাঁধার জন্য রশি আনতে পাঠান। এ সময় রশি আনা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্ত তারা মিয়া ধারালো দা দিয়ে আব্দুল্লাহর মাথায় কুপিয়ে গুরুতর আহত করে বলে অভিযোগ করা হয়। ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে কুলি মিয়া নাছিমার স্বামীকেও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। এছাড়া আশিক ফরাজী নামে আরেক অভিযুক্ত বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। নাছিমা বেগম আরও অভিযোগ করেন, হামলার সময় তাকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করা হয়। এ সময় তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া এবং বসতঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে। পরে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিলে আহত পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের প্রথমে মনোহরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি গাজীপুরের কালীগঞ্জে আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত তারা মিয়া, কুলি মিয়া এবং আশিক ফরাজী সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।
মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাহতাবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। একজন অফিসারকে তদন্ত করার দায়িত্ব দিয়েছি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।





























