
মো কামরুল হোসেন সুমন,মনপুরাঃভোলার মনপুরা উপজেলার একটি প্রভাবশালী চক্র জ্বালানি তেল,নির্মাণসামগ্রী ও চাল-ডালের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য পাচারের প্রতিযোগিতায় নেমেছে এলাকার সেরাং গন। মাছ ধরার ট্রলারের আড়ালে এসব পণ্য প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে পাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।পাচার শেষে ট্রলারগুলো ফিরে আসার সময় নিয়ে আসে কোটি কোটি টাকার মাদকের চালান বলে ধারনা করা হচ্ছে।অনুসন্ধানে এই সক্রিয় পাচারকারী চক্রের বর্তমানে বেশ কিছু সদস্যের নাম উঠে এসেছে আজ ১৫-মে-২০২৬ রোজ শুক্রবার আমাদের করা আজকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে কয়েকজন মূল হোতার নাম। তারা দেশের স্বার্থে এই নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পাচারের পথ থেকে ফিরে আসার আহ্বান পাচারকারী চক্রের সদস্যদের।তবে এই পথ থেকে ফিরে না আসলে পরবর্তী নিউজে থাকবে পাচারকারী চক্রের মূলহোতাদের নাম।এছাড়াও নতুন করে যুক্ত হয়েছে লতাখালি,জনতা বাজার,তালতোলা ঘাটের আরো বেশ কিছু সদস্য।অভিযুক্তরা সবাই মনপুরা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা।পেশায় জেলে হলেও তারা সমুদ্র উপকূল ব্যবহার করে কৌশলে এই পাচার বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন দীর্ঘ দিন ধরে।এছাড়াও নতুন আরো কয়েক জন জড়িয়েছে এই চক্রের সাথেে।অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে জ্বালানি তেল ও ভোগ্যপণ্য সংগ্রহ করে মনপুরার সমুদ্র উপকূল হয়ে রাতের আঁধারে নিঝুম দ্বীপের পূর্ব পাশে অবস্থিত ‘দমার চর’-এ নিয়ে যায়।শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে প্রতিটি ট্রলার বোঝাই পণ্য মিয়ানমারে খালাস করার বিনিময়ে তারা মোটা অঙ্কের অর্থ পায়।ফিরতি পথে তারা নিয়ে আসে মাদক,যা স্থানীয় ডিলারদের কাছে তিনগুণ দামে বিক্রি করা হয় বলে জানা যায় একাধিক সূত্রে।সূত্রের দাবি,পাচারের শুরুতে কয়েকজন করলেও বর্তমানে এই চক্রের সদস্য রয়েছে দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে বেশি বলে জানা যায়। গত চর মাস ধরে সাগরে মাছ ধরার ছদ্মবেশে এই চক্রটি সক্রিয় রয়েছে।পাচারকারী এই চক্রের আরও কিছু সদস্য নতুন যুক্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি সঠিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে।তবে কিছু সদস্যের নাম কে বা কাহারা সত্রুতা করেও মিথ্যা তথ্য দিয়েছে বলে দেখা গেছে।তবে লক্ষ টাকার দেনা থাকা মাঝি এখন "আঙুল ফুলে কলা গাছ" গল্পের মতো হলেও তা হয়েছে তা বাস্তবে পরিনত।জনৈক্য স্থানীয় এক জেলে জানান, মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ও দক্ষিন সাকুচিয়া এলাকার বেশ কিছু ট্রলার রাতের আঁধারে জনতা বাজার মৎস্যঘাট থেকে ও তালতলা ঘাটের কিছু ট্রলার পণ্য নিয়ে পাচারের উদ্দেস্যে কিছু দিন পর পর যাতায়াত করে। একাধিক সূত্র জানান দক্ষিণ সাকুচিয়ার বিভিন্ন ঘাটের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চড়া দাম দিয়ে জ্বালানি তেল কিনে নেয় পাচার চক্রের সেরাংগন। এক ব্যাক্তি বলেন, সাগরে অভিযান থাকার মাঝে প্রশাসনের চোখে আঙ্গুল দিয়ে তারা বর্তমানে সাগরে মাছ শিকারের নামে এই সুযোগ কাজে লাগায়।হাতিয়ার কোস্টগার্ড ইতিমধ্যে পাচারকারী চক্রের বেশ কিছু মালামাল ও ট্রলার জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে। সাগরের বিভিন্ন চ্যানেলে কোস্টগার্ডের নিয়মিত টহল জোরদার করা দরকার বলে মনে করেন স্হানীয়রা।মনপুরার কোস্টগার্ড জানান, আমরা অবগত আছি আপনারা আমাদেরকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে আমরা আশা করি তাদের কে আইনের আওতায় আনতে পারব।যেহেতু মনপুরা উপজেলা এটি সমুদ্রপথের বিষয় তাই নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।কোনো জেলে জড়িত থাকার প্রমাণ পেলে অবশ্যই তাদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান করছেন সংশ্লিষ্টরা।'এছাড়া নতুন ও পরাতন সদস্যদের নাম প্রকাশ সহ থাকবে পরবর্তী নিউজে আমাদের অনুসন্ধান চলমান থাকবে।





























