শিরোনাম
পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২ শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার,ফারুকের বিরুদ্ধে ৯ মামলা প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন-২০২৬: যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন লালমোহনে মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মসজিদের টাকা চুরি চক্রের সদস্য মোতাকে কারাগারে প্রেরণ পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার
বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার ০৪ নভেম্বর ২০২৬

নজরদারির অভাবে প্রশাসনে লাগাম ছাড়াচ্ছে দুর্নীতি

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ জুলাই ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

প্রশাসনের দুর্নীতি এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমান ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়টি মূলত এ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক আমলারা জানিয়েছেন, প্রশাসনে এখন দুর্নীতি ব‌্যাপক আকার ধারণ করেছে। দুর্নীতি প্রতিরোধে যথেষ্ট বিধি-বিধান থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন নেই। অনিয়ম-দুর্নীতি রোধে কোনো রকম তদারকি নেই। নজরদারির অভাবে প্রশাসনের সব স্তরে লাগাম ছাড়াচ্ছে দুর্নীতি।


যাদের দুর্নীতি সামনে আসছে, তারা অনেক দিন ধরেই এটা করছেন। নজরদারি না থাকায় এদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি সরকার। গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের তথ্য এসেছে। এমন বহু সরকারি কর্মকর্তা রয়েছেন; নজরদারি না থাকা কিংবা দুর্নীতি রোধে বিধি-বিধান বাস্তবায়নের আন্তরিক পদক্ষেপ না থাকায় এরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা।


তারা আরও বলছেন, এখন শাস্তিও দেওয়া হচ্ছে রাজনৈতিক বিবেচনায়। বড় অপরাধ করেও সামান্য শাস্তিতে পার পেয়ে যাচ্ছেন। দৃষ্টান্তমূলক কোনো শাস্তির নজির নেই। সব মিলিয়ে দুর্নীতিকে উৎসাহিত করার অনুকূল পরিবেশ এখন প্রশাসনে।



সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় ইতোমধ্যে ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ কার্যকর করে সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সম্পদ হিসাব নিশ্চিতের জন‌্য গত মঙ্গলবার (২ জুলাই) নির্দেশনা দিয়েছেন উচ্চ আদালত।



‘সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮’ অনুযায়ী দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য সরকারি কর্মচারীদের লঘু ও গুরুদণ্ড দেওয়া হয়। তিরস্কার, পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি স্থগিত রাখা, দায়িত্বে অবহেলার কারণে সরকারের আর্থিক ক্ষতির সম্পূর্ণ অংশ বা অংশবিশেষ আদায়, বেতন গ্রেডের নিম্নতর ধাপে অবনমিত করা হচ্ছে লঘুদণ্ড।



অন্যদিকে গুরুদণ্ডের মধ্যে রয়েছে- নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিত করা, বাধ্যতামূলক অবসর প্রদান, চাকরি থেকে অপসারণ ও চাকরি থেকে বরখাস্ত করা।




বিধিমালায় ‘দুর্নীতি’র বিষয়ে বলা হয়েছে- কোনো কর্মচারী যদি দুর্নীতি পরায়ণ হন বা নিম্ন বর্ণিত কারণে দুর্নীতি পরায়ণ বলে যুক্তিসঙ্গতভাবে বিবেচিত হন- তিনি বা তার ওপর নির্ভরশীল বা অন্য যেকোনো ব্যক্তি তার মাধ্যমে বা তার পক্ষে যদি তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো অর্থ সম্পদ বা অন্য কোনো সম্পত্তির (যার যুক্তিসঙ্গত হিসাব দিতে তিনি অক্ষম) অধিকারী হন। বা তিনি প্রকাশ্য আয়ের সঙ্গে সংহতিবিহীন জীবন যাপন করেন বা তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি পরায়ণতার অব্যাহত কুখ্যাতি থাকে। এসব ক্ষেত্রে ওই কর্মচারীকে শাস্তি দেওয়া যাবে।


এক্ষেত্রে দুর্নীতির জন্য যে কোনো দণ্ড, তবে ওই অপরাধের পুনরাবৃত্তির ক্ষেত্রে নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ দণ্ড ছাড়া যে কোনো দণ্ড দেয়া যাবে বলে বিধিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক অবসর বা চাকরিচ্যুতির মতো শাস্তি দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সরকারি কর্মচারীরা বড় বড় অপরাধ ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও বিগত বছরগুলোতে এমন শাস্তি দেওয়ার নজির নেই।


‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ অনুযায়ী পাঁচ বছর পর পর সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদ বিবরণী দাখিল এবং স্থাবর সম্পত্তি অর্জন বা বিক্রির অনুমতি নেয়ার নিয়ম রয়েছে। সেটারও বাস্তবায়ন নেই। বছরের পর বছর সম্পদের হিসাব না দেওয়ার জন্য সরকারি কর্মচারীদের কোনো জবাবদিহিতাও নেই।



দুর্নীতি রোধে আইন ও বিধি-বিধানের কমতি নেই বলে মনে করেন কোনো কোনো কর্মকর্তা ও সাবেক আমলা। তারা বলছেন, যা আছে তা শক্তভাবে কার্যকরের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। মূল সমস্যা নজরদারিতে। সরকারের নিষ্ক্রিয়তায় পরিস্থিতি বর্তমান অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে।



সাবেক সিনিয়র সচিব আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, ‘বাংলায় একটি কথা আছে- বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো। আইন যেটা আছে সেটা ঠিক আছে, আইনটা প্রয়োগ না করলে লাভ নেই। আইনটা বাস্তবায়ন করতে হবে। যাদের মনিটরিং করার কথা, এগুলো দেখভাল করার কথা, তারা যদি চোখ বন্ধ করে রাখেন, কানে তুলা দিয়ে রাখেন- তবে তো এতে কাজ হবে না।’


‘প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলে যাচ্ছেন। সরকারের যে মূল লক্ষ্য ছিল তার প্রধান দুটি ছিল দুর্নীতি ও মাদক নির্মূল। প্রধানমন্ত্রীর যে নির্দেশনা, সেটি পালন হয় না কেন? সেটি প্রতিপালন হয় না কেন? সেটি বের করতে হবে, মনিটরিং জোরদার করতে হবে। সরকারের দুর্বলতার জন্য রাষ্ট্রীয় ইনস্টিটিউশনগুলো ঠিকমতো কাজ করছে না কিংবা রাষ্ট্রীয় ইনস্টিটিউশনগুলোকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।’



স্থানীয় সরকার বিভাগের সাবেক এই সচিব বলেন, ‘এখন বড় বড় দুর্নীতি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। যে কোনো সেবা নিতে গেলে মানুষের অভিযোগ। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষকে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। এমন কোনো সেক্টর আপনি বের করেন যেখানে সেবা গ্রহীতা সেবাটা পাচ্ছেন অতিরিক্ত খরচ না করে। সব ক্ষেত্রে আমরা নজরদারির চরম দুর্বলতা দেখছি। কোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার উদাহরণ নেই। শাস্তি যেটা হয় সেটা চুজ অ‌্যান্ড পিক, পলিটিক্যাল ডিসিশন।’


দুর্নীতি রোধে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি দেখছেন না জানিয়ে আবু আলম মো. শহীদ খান বলেন, ‘তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু সেটার বাস্তবায়ন কোথায়? প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছার কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু তার নির্দেশনার বাস্তবায়ন তার লোকেরা করছেন না। তার যে রাজনৈতিক অনুসারী বা কেবিনেট আছেন, তার দল এবং তার সরকার, যাদের তিনি পরিচালনা করছেন- তারা তার নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছেন না।’



প্রতিটি ক্ষেত্রেই দুর্নীতি জেঁকে বসেছে। ঘুস ছাড়া কোনো সেবাই মিলছে না। তাই সাধারণ মানুষ ঘুস দিয়ে সেবা নেওয়াকেই স্বাভাবিক বাস্তবতা হিসেবে মেনে নিয়েছেন বলে মনে করছেন কোনো কোনো সাবেক আমলা।



সাবেক সচিব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আসলে আমরা এখন দুর্নীতিটাকে সবাই মেনে নিয়েছি। এটি এখন স্বাভাবিক যে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে গেলে আমাকে ঘুস দিতে হবে, এসিল্যান্ডকে ঘুস দিতে হবে, কাস্টমসে ঘুস দিতে হবে, থানায় গেলে ঘুস দিতে হবে। এটিকে আমরা পাবলিক অ্যাকসেপটেন্সের জায়গায় নিয়ে গেছি। এজন্য তো আমরা কারো শাস্তি দেখছি না।’


ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘শাস্তি যেটা হচ্ছে সেটা খুবই নগণ্য। বড় একটা অপরাধ করলো তাকে বদলি করে দিল শাস্তি হিসেবে, এটা তো শাস্তি হতে পারে না। ফৌজদারি অপরাধ করে সরকারি কর্মকর্তারা সামান্য শাস্তি পাচ্ছেন। জেলে যাওয়ার মতো অপরাধ তারা করছেন, কিন্তু শাস্তি নেই।’


‘সম্পদের বিবরণী দেওয়ার কথা, কিন্তু সেটা কেউ দিচ্ছেন না। সেটা কেউ দেখছেও না, কোনো তদারকি নেই। অন্য দেশে দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বাড়িতে অফিসে রেইড হয়, তাদেরকে হাতেনাতে ধরা হয়। আমাদের এখানে দুর্নীতি এত ছড়িয়েছে যে আপনি সাব-রেজিস্ট্রার অফিস কিংবা শুল্ক ভবনে রেইড দিলে অনেককে ধরতে পারবেন। কিন্তু এগুলো যাদের করার কথা, তারা তো করছে না।’



ফাওজুল কবির খান আরও বলেন, ‘আগে পাঁচ থেকে দশ শতাংশ মানুষ দুর্নীতি করতো। সমাজের অন্য সবাই তাদের খারাপ চোখে দেখতো, তাদের সঙ্গে মানুষ বৈবাহিক সম্পর্ক করত না, তাদের দাওয়াতে যেত না। এখন যারা দুর্নীতিবাজ তারাই সমাজের মাথা। এখন যে বেশি ঘুস খায় তার সমাজে প্রতিপত্তি বেশি। অনেক ক্ষেত্রে এখন সমাজে সাফল্যের মাপকাঠি হয়ে গেছে আপনি কত বেশি ঘুস খেতে পারেন।’


তবে সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। কারো দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনা নেই। দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে কোনো সহানুভূতি দেখানো হবে না।



দুর্নীতি রোধে বিধি-বিধান বাস্তবায়নের নির্দেশ ও নিষ্ক্রিয়তার বিষয়ে রুল জারি করেছে উচ্চ আদালত। গত মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সম্পদ বিবরণীর ঘোষণা ও সময়ে সময়ে দাখিলের বিধি (১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী আচরণ বিধিমালা) যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। তিন মাসের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।


একই সঙ্গে রুল জারি করেছেন আদালত। রুলে সরকারি কর্মচারী ও তাদের পরিবারের অবৈধ সম্পদ অর্জন রোধে প্রয়োজনীয় নীতিমালা, আইন ও নীতি করতে বিবাদীদের ভয়াবহ ব্যর্থতা এবং কথিত নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি হবে না এবং সরকারি কর্মচারীদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ ও ডিজিটাল মাধ্যমে সময়ে আপডেট করার নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়েছেন।


মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘দুর্নীতি তো সবাই করে না। একটা অফিসের সবাই কি দুর্নীতিবাজ? হাতেগোনা কয়েকজন করে। ওই হাতেগোনা কয়েকজনের জন্য বাকি সবাই বিব্রত হয়। সরকারের পক্ষ থেকে অবস্থানটা তো পরিষ্কার হয়েছে যে, দুর্নীতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে কোনো সহানুভূতি দেখানো হবে না এবং দেখানো হচ্ছে না।’


মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সরকারের প্রশাসন যন্ত্র দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে কেউ কোনো রকম বাধা দেয়নি, সরকারের সব মেকানিজম এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সব সময় সহযোগিতা করছে। কোনো একটা জায়গায় দুর্নীতি প্রমাণিত হয়েছে, কিন্তু ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, এমন কোনো তথ্য আমার কাছে নেই। এমন কোনো বিষয় থাকলে আমার নজরে আনেন, তবে আমি আবার তদন্তের ব্যবস্থা করব। সেটি আমি আপনাদের বলতে পারি।’


নজরদারির অভাবে প্রশাসনে দুর্নীতি বেড়েছে- এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘ফোনে এ বিষয়ে মন্তব্য করব না। সরাসরি কথা বলব।’ এ নিয়ে তিনি তার একান্ত সচিবের (পিএস) কাছ থেকে সময় নেওয়ার অনুরোধ জানান।


এ বিষয়ে সিনিয়র সচিবের পিএস মোহাম্মদ বারিউল করিম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘স্যারের সঙ্গে কথা বলে আপনাকে সময় জানাবো।’ কিন্তু তিনি আর সময় জানাননি। ফের যোগাযোগ করা হলে পিএস বলেন, ‘শিডিউল মেলাতে পারিনি।’


আরও খবর




পত্নীতলায় ৭০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ২

শেরপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম,লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

ধুনটে উপজেলা পর্যায়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে প্রথম আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল

ঈশ্বরগঞ্জে ইয়াবা-হেরোইনসহ গ্রেপ্তার,ফারুকের বিরুদ্ধে ৯ মামলা

প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম উড়াল রেলে বাঁশকাইটে স্টেশন স্থাপনের দাবিতে মুরাদনগরে মানববন্ধন

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে যুব উন্নয়ন ক্যাম্পেইন-২০২৬: যানবাহন রক্ষণাবেক্ষণ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

অষ্টগ্রাম উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ঘুষ ও হয়রানির অভিযোগ,জেলা প্রশাসকের কাছে তদন্তের আবেদন

উলিপুরে গভীর রাতে জুয়ার আসরে পুলিশের অভিযান, নগদ টাকাসহ আটক ৪

লালমোহনে মাসিক সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চাটখিলে সাংবাদিকের ওপর হামলা: মসজিদের টাকা চুরি চক্রের সদস্য মোতাকে কারাগারে প্রেরণ

ফতুল্লায় ২০০ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

উলিপুরে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শেয়ার প্রোফাইল ভ্যালিডেশন ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

পত্নীতলায় ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার

পত্নীতলায় নজিপুর বালিকা বিদ্যালয়ে বৃক্ষের চারা বিতরণ

রাসেল হত্যা মামলায় শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

তিন দশকের পথচলার অবসান: খবরের কাগজ হাতে আর দেখা যাবে না নিতাইকে

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

বাউফলে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ, সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা

রাজশাহীতে পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন


এই সম্পর্কিত আরও খবর

পুষ্টি নিরাপত্তায় খাদ্য ফোর্টিফিকেশন জোরদারের আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর

সাতক্ষীরায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, প্রধান আসামী আমিনী গ্রেপ্তার

শিশুদের মালিকানাবোধেই লুকিয়ে আছে জলবায়ু সংকটের সমাধান

সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার: খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম

কপ৩১-এর প্রস্তুতি: জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংসদে তরুণদের সম্মেলন

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে কষ্টে ফেলা যাবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হাম-ডেঙ্গুতে ৪ জনের মৃত্যু

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ ছাড়লেন সায়মা ওয়াজেদ

গুজব ও উস্কানি রুখে প্রমাণনির্ভর রাজনীতি চর্চার আহ্বানে ঢাকায় প্রচারণা