
পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত নূরুল ইসলাম (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় পুলিশ এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।রোববার সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নূরুল ইসলামের মৃত্যু হয়। তিনি উপজেলার নারান্দী ইউনিয়নের দাড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে গত ৩ জুন সকালে দাড়পাড়া গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে নূরুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এতে নূরুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।স্বজনরা তাকে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।নূরুল ইসলামের মৃত্যুর পর তার মেয়ে শাহনেওয়াজ (শাহানা আক্তার) বাদী হয়ে রোববার সকালে পাকুন্দিয়া থানায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি সোহাগ মিয়া (৩০)কে গ্রেপ্তার করে। তিনি দাড়পাড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”





























