
রাজশাহী মহানগরীর রাজপাড়া থানাধীন দাশপুকুর এলাকায় পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার দুপুরে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মুজদার আলীর ছেলে জাফর আলী।
তিনি জানান, হড়গ্রাম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মোহাম্মদ আলী ও তার বোন হেনা বেগম তাদের পৈতৃক মালিকানাধীন বসুয়া মৌজার আরএস-৭৬ খতিয়ানভুক্ত ৫০২ নম্বর দাগের ০.৩৩ শতাংশ জমি দীর্ঘ দুই বছর ধরে অবৈধভাবে দখলে রেখেছেন। অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি হওয়ার সুবাদে রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এই দখলদারিত্ব চালিয়ে আসছেন বলে দাবি করা হয়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, জমি উদ্ধারের চেষ্টা করলে মোহাম্মদ আলী ও তার সহযোগীরা তৎকালীন সরকারের ভয় দেখিয়ে তাদের মারধর ও জেল-হাজতে পাঠানোর হুমকি দিতেন।
জাফর আলী অভিযোগ করেন, "মোহাম্মদ আলী নিজেকে অজেয় দাবি করে বলেন যে ওসি থেকে শুরু করে মন্ত্রী-এমপি সবাই তার পকেটে। জমি নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে পরিবারের সবাইকে টুকরো টুকরো করে পদ্মা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তিনি।"
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত বছরের ১৬ অক্টোবর সার্ভেয়ার নিয়ে জমি পরিমাপ করতে গেলে মোহাম্মদ আলী ও তার অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর চড়াও হন। ওই সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তারা প্রাণে রক্ষা পান। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগী পরিবারটি।
ভূমিদস্যুদের কবল থেকে নিজেদের জমি ফেরত পেতে এবং জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মুজদার আলীর পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।





























