শিরোনাম
চন্দনাইশে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ কৃষক মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত মাদক,কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্প অনুষ্ঠিত আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ জামালগঞ্জে নতুন ইউএনও হিসেবে পদায়ন পেলেন শিল্পী রাণী মোদক মুরাদনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ‘ছাত্রদলের’ বিক্ষোভ মিছিল ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি আবুল কালাম মল্লিকের শিবচর থানায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় যোগদান আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা ও সহযোগী আটক লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৪০ পরিবারের মাঝে আতঙ্ক বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়
বুধবার ১০ জুন ২০২৬
বুধবার ১০ জুন ২০২৬

রোগী-চিকিৎসকের আস্থাহীনতার সংকট: সমাধান কোন পথে?

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষার্থী ছিলেন আহসানুল হক দীপ্ত। গত শনিবার (৩১ আগস্ট) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।


এরপর দীপ্তর পরিবার ও বিইউবিটির শিক্ষার্থীরা ঢাকা মেডিকেলে আসেন। তারা দাবি করেন, অবহেলার কারণে দীপ্ত মারা গেছেন। এটিকে কেন্দ্র করে মৃতের বন্ধুরা ঢামেকের একটি অপারেশন থিয়েটারে ঢুকে চিকিৎসকদের মারপিট করেন। এতে আহত হন নিউরো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ইমরান, মাশরাফি ও জুবায়ের।


এ ঘটনার পর গত রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই জরুরি ও বহির্বিভাগের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে কর্মবিরতিতে যান চিকিৎসকরা।


একইদিন আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় ৫১ বছর বয়সী এনামুল হক রিটন নামে এক কিডনি রোগীর মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, অর্থের লোভে তড়িঘড়ি করে অপারেশন করাতে গিয়ে রোগীকে ভুল চিকিৎসা দিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসক আবিদ হোসাইন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।


স্বজনদের অভিযোগ, ডা. আবিদ গত রোববার দ্রুত অপারেশনের কথা জানিয়ে রাত ১১টায় অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। তবে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সন্ধ্যা ৬টায় রোগীকে ওটিতে নিয়ে অপারেশন করেন ডা. আবিদ। কিছুক্ষণ পর অবস্থার অবনতি হলে এনামুলকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) রেখে পালিয়ে যান। পরে তাকে মৃত অবস্থায় পান আইসিইউর দায়িত্বরত চিকিৎসকরা।


এ ঘটনা দুটির মতো সারাদেশেই এমন ঘটনার খবর নিয়মিত সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এসব ঘটনায় রোগী কিংবা রোগীর স্বজনেরা ভুল চিকিৎসার অভিযোগ করে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের মারধর কিংবা লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়।


চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে ডাক্তার ও রোগীর মধ্যে চরম আস্থাহীনতার সংকট রয়েছে। এ সংকট দূর করতে একটি ভারসাম্যমূলক স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন কিংবা স্বাস্থ্য খাতের প্রকৃত জনবান্ধব সংস্কার করা জরুরি। যেখানে, সেবাগ্রহীতা বা রোগী, সেবাদাতা চিকিৎসক ও চিকিৎসা টিম এবং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের অধিকার ও দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট করা হবে।


কোনো পক্ষের অধিকার রক্ষিত না হলে অথবা কোনো পক্ষ দায়িত্ব পালন না করলে আইনের দ্বারা সেটি সমাধানের সহজলভ্য ব্যবস্থা থাকবে। পৃথিবীর সব সভ্য দেশে এ ধরণের আইন রয়েছে। কিন্তু বিগত ৫৩ বছরে বাংলাদেশে এরকম একটি জন-গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন বা সংস্কার কোনো সরকার করতে সমর্থ হয়নি। যে কারণেই রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে এমন সংকট বাড়ছে।


এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন চিকিৎসাবিজ্ঞানী, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের (বিইউএইচএস) প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী বলেন, চিকিৎসাগ্রহীতা এবং চিকিৎসা প্রদানকারীর অধিকার বলে এক ধরনের চার্টার মন্ত্রণালয়ে আছে, যেটা সব চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে দৃশ্যমান স্থানে টাঙিয়ে রাখার কথা। কিন্তু কখনো তা হয়নি। স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনও অত্যন্ত জরুরি। তবে আইনটা প্রণয়ন হয়নি। কারণ, আইন যারা প্রণয়ন করবেন, তারাই আবার দেখা যাচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর মালিক, ধারক বাহক। এই জটিলতার ফলে কোনো রকম জনমুখী আইন যেটা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করবে, তা আর হয়ে ওঠেনি। এমনকি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার মূল্য নির্ধারণের বিষয়টাও করা সম্ভব হয়নি।


তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবার পাবলিক সেক্টর অবহেলিত হতে হতে ৭০ শতাংশ সেবাই প্রাইভেট সেক্টরে চলে গিয়েছে। তখন স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের মতো এমন আইন পাশ করা খুব কঠিন হয়ে যায়। তখন চিকিৎসকেরাও এই বেসরকারি ব্যবসায় একটি অংশীদার হয়ে যায়। পাশাপাশি যারা সেবা গ্রহীতা (রোগী) তাদের মধ্যেও অসহিষ্ণুতা এবং মাস্তানি করার প্রবণতা বেড়ে যায়। একই লোক দেখবেন বিদেশে গিয়ে লাইনে দাড়িয়ে চিকিৎসা বা অন্যান্য সেবা গ্রহণ করছেন। কিন্তু দেশে সেই লোকই একটু অপেক্ষা করতে চান না। কারণ, সে কোনো না কোনো শক্তির সঙ্গে জড়িত। এসব মানসিকতা পরিহার করতে প্রথমত আইন লাগবে, সেটা জনমূখী আইনে সংস্কার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সেবা গ্রহীতা এবং দাতা একে অপরের শত্রু না বরং বন্ধু সেই প্রচার প্রচারণাও করতে হবে। একইসাথে চিকিৎসার প্রয়োজনীয় জনবল ও উপকরণ দিতে হবে।


এ চিকিৎসা বিজ্ঞানী আরও বলেন, স্বাস্থ্য শিক্ষায় নৈতিকতার শিক্ষা, রোগীর সাথে ব্যবহারের শিক্ষা, এসব বিষয় কারিকুলামে যুক্ত করতে হবে। ভালো ডাক্তারের সাথে ভালো ব্যবস্থাপক তৈরিতেও গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার পুরোপুরি সংস্কার ছাড়া সহজে এইসব বিষয় সমাধানযোগ্য নয়।


বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সাবেক সভাপতি এবং স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলন সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব এ বিষয়ে বলেন, রোগীর সাথে চিকিৎসকের সম্পর্ক চিকিৎসা দেওয়া, সেখানে সুরক্ষার প্রশ্ন আসে কেন? রোগীর বিশ্বাস, ডাক্তার তাকে সঠিক চিকিৎসা দেবে। সুরক্ষার সাথে যুক্ত নিষ্ঠা। ডাক্তার এবং রোগীর যে ভুল বোঝাবুঝি এখানে সুরক্ষার বিষয় একটাই, চিকিৎসক সঠিক চিকিৎসা দিচ্ছে কি না এবং রোগী চিকিৎসায় সন্তুষ্ট হচ্ছে কি না।


তিনি বলেন, এখানে কোথায় ঘাটতি হচ্ছে। কোনো প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি চিকিৎসা বিষয়ে অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে পারে। নৈতিকতা সংক্রান্ত অভিযোগ বিএমডিসিতে করা যায়। এরপরেও আপনি যদি খুশি না হন দেশের আইনেও যেতে পারেন। মনে রাখতে হবে, চিকিৎসক কাউকে ইচ্ছা করে যদি ভুল চিকিৎসা দেয়, সেটা যদি আপনি প্রমাণ করতে পারেন সেটা হলো তার অবহেলা। এতে রোগীর ক্ষতি হলে আপনি আদালতে যেতে পারেন। সারা বিশ্বের সব জায়গায় এভাবেই চলে স্বাস্থ্যসেবা।


অধ্যাপক ডা. রশিদ-ই-মাহবুব আরও বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যসেবায় জটিলতা কোথায় তৈরি হচ্ছে সেটা দেখতে হবে। সরকারি স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত বাজেট নাই, হাসপাতালগুলো অপরিছন্ন, অনেক লোকের সমাগম, ভদ্রলোকেরা সেখানে গিয়ে বিপদে পড়ে যায়। প্রাইভেট সেক্টরে সেবার মূল্য অনেক বেশি। আবার রোগী মারা গেলে টাকা দিতে চাইবে না এটাই স্বাভাবিক। এসব হচ্ছে সমস্যা। চিকিৎসকদের বুঝতে হবে রোগী আসলে তাকে কোন ভাষায় বোঝাতে হবে। রোগী ডাক্তারের কাছে আসে ভালো হতে, কিন্তু সব রোগতো আর ভালো হবে না। তাই রোগীদের সেইভাবেই বোঝাতে হবে। এখন ডাক্তারদের মারলে বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করলে আইনের আশ্রয় নিতে পারে। আইনের ঘাটতি আমি দেখি না।


গণমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আপনারা (সাংবাদিকরা) এটা বের করতে পারেন ডাক্তারের অবহেলা কোন কোন জায়গায় আছে, সেগুলো তাদের বলা। আবার জনগণকে বলা চিকিৎসক ইচ্ছা করে কোনো সময় রোগীকে মারে না। কাউকে মারা ডাক্তারের দায়িত্ব না, তবে রোগীরাভাবে ডাক্তার মেরে ফেলছে। পৃথিবীর কোথাও ডাক্তারদের সুরক্ষার জন্য আইন করা হয় না।


স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার প্রয়োজন আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের প্রধান উপদেষ্টা স্বাস্থ্যখাতকে ডি-সেন্ট্রালাইজের কথা বলেছেন। আবার স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেছেন, এটা তাড়াতাড়ি সম্ভব না, সময় লাগবে। আমি বলি স্বাস্থ্য নিয়ে যারা চিন্তা করে তারা দরিদ্র মানুষ, তাদের কথা কেউ শুনবে না। আর যাদের সংগতি আছে তাদের বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। আমি গত ৪০ বছর ধরে একি কথা বলছি, কিন্তু কেউ শোনে না। আমাদের দেশের স্বাস্থ্য খাতের কিছু পরিবর্তন ডোনারদের পয়সা এবং তাদের কথায় হয়। নেতা এবং আমলারা তাদের নিজেদের স্বার্থে কিছু অবকাঠামোর উন্নয়ন করে টাকা পয়সা কামানোর জন্য। এই জন্যে স্বাস্থ্যসেবায় বাজেট কম, ম্যানেজম্যান্টে দক্ষ লোক তারা তৈরি করছে না। সুতরাং স্বাস্থ্য খাতের প্রতিটি স্থানে সমস্যা আছে। এসব বিষয়ে নজর দেওয়া দরকার।  


স্বাস্থ্যখাতের সংস্কার প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম গণমাধ্যমে বলেন, স্বাস্থ্য খাতের সংস্কার তাড়াতাড়ি সম্ভব না, তড়িঘড়ি করে করা যাবে না, উচিতও না। প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য নীতিমালা করতে হবে। চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ানসহ বহু ধরনের কর্মকর্তা, কর্মচারী রয়েছেন। আছে নানা স্তরের শিক্ষা ও সেবা প্রতিষ্ঠানও। সংস্কার হতে হবে সবার জন্য, সব প্রতিষ্ঠানের জন্য। কাজটি করার জন্য বিশেষজ্ঞদের দরকার, আমি বিশেষজ্ঞদের কমিটি দিয়ে কাজটি করাতে চাই। এ রকম একটি কমিটি ইতিমধ্যে গঠন করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমিশন করার মতো চিন্তা আপাতত নেই। 


আরও খবর




ব্রাজিলের জার্সি পরলেই ভিজিট ফ্রি, ডা. ফরিদ এইচ খান

চন্দনাইশে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের হাতে অপহৃত ২ কৃষক মুক্তিপণ দিয়ে মুক্ত

মাদক,কিশোর গ্যাং ও রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে নোয়াখালীতে বিএনপির বিক্ষোভ

অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয় করণ তৃতীয় পর্যায়ে প্রকল্প অনুষ্ঠিত

আদিবাসী খামারিদের উন্নয়নে পোরশায় ১৬০ জনের মাঝে গবাদিপশুর খাদ্য বিতরণ

জামালগঞ্জে নতুন ইউএনও হিসেবে পদায়ন পেলেন শিল্পী রাণী মোদক

মুরাদনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে ‘ছাত্রদলের’ বিক্ষোভ মিছিল

ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি আবুল কালাম মল্লিকের শিবচর থানায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত মত বিনিময় সভায় যোগদান

আমতলীতে বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ৯ শত পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা ও সহযোগী আটক

লালমোহনে তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে ১৪০ পরিবারের মাঝে আতঙ্ক

বানিয়াচংয়ে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজনের সাথে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময়

নারায়ণগঞ্জে ডাম্পট্রাকের চাপায় ছাত্রদল ও যুবদল নেতা নিহত

সরকারি টাকায় নিম্নমানের রাস্তা নির্মাণ, প্রকৌশলী বললেন ‘মারামারি করে কাজ বন্ধ করব নাকি!

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মাদক মামলায় এক আসামী আটক

সাতক্ষীরায় জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের শুভেচ্ছা বিনিময়

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

ধুনটে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা আসিফ সিরাজ রব্বানী

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

দক্ষিণ আইচায় ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক কথিত মাদক সম্রাট বাবুল

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়

সাতক্ষীরায় কোটি টাকার কোর্ট ফি জালিয়াতির মূলহোতা পিওন সিরাজুল গ্রেপ্তার

রূপগঞ্জের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত রনির মৃত্যু,থানায় মামলা দায়ের

কাঞ্চন পৌরসভায় ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা, হাতপাখা প্রতীক তুলে শপথ

সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কফিল উদ্দিন আর নেই

ফুলপুরে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ঈদ যাত্রায় সড়ক-রেল-নৌপথে নিহত ৪৩৮ জন

মুক্তিযুদ্ধের সময় থাকলে আমি মানুষের পক্ষে থাকতাম, জুলাইতেও মানুষের পক্ষেই ছিলাম: ফারুকী

ব্যাংকখাতে সুশাসন নিশ্চিতে সংস্কার কমিশন গঠন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রাশিয়া গে‌লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারের ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি

‘ডেঙ্গুর চিকিৎসা পদ্ধতি শুনে আমি ভয় পেয়ে গেছি’

সনদসর্বস্ব শিক্ষার বদলে কর্মমুখী কারিকুলাম জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুর প্রভাব বাড়ার আগেই প্রতিহত করতে চান ডিএসসিসি প্রশাসক

দীর্ঘ ছুটি শেষে কাল খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পুশইন মেনে নেবে না বাংলাদেশ, বন্ধে কূটনৈতিক সংলাপের তাগিদ বিশ্লেষকদের