
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও প্রয়াত জননেতা আলহাজ মুজিবুর রহমান মঞ্জুর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।সোমবার (১৮ মে ২০২৬) বিকেলে তার বাসভবন প্রাঙ্গণে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন স্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ।এ সময় বক্তারা বলেন, আলহাজ মুজিবুর রহমান মঞ্জু ছিলেন কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছিলেন। সততা, সাহসিকতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে স্থায়ী স্থান করে নিয়েছেন।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মরহুমের সন্তান ও উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মামুন। তিনি বলেন, “আমার বাবা আজীবন মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার আদর্শ ও রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”তিনি আরও বলেন, “মরহুম মুজিবুর রহমান মঞ্জু ছিলেন তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিভাবকসুলভ একজন মানুষ। রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি জনগণের অধিকার আদায়ে সবসময় সোচ্চার ছিলেন। তার শূন্যতা শুধু পরিবারের নয়, পুরো রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি।”দোয়া শেষে উপস্থিত সবার মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।আয়োজক সংগঠন “আলহাজ মুজিবুর রহমান মঞ্জু স্মৃতি সংসদ” জানায়, প্রয়াত এ নেতার স্মৃতি সংরক্ষণ এবং তার আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন সামাজিক ও স্মরণমূলক কর্মসূচি পালন করা হবে।উল্লেখ্য, আলহাজ মুজিবুর রহমান মঞ্জু ১৯৪৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৫ সালের ১৮ মে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।





























