শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড় ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ফায়ার সার্ভিস পায়নি নকলাবাসী,আগুনে পুড়ছে কোটি টাকার স্বপ্ন ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বাখরনগরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল লালমোহনের কৃতি সন্তান মনিরুল ইসলাম লন্ডন থেকে অর্জন করলেন ব্যারিস্টার ডিগ্রি পোরশায় মাননীয় সাংসদকে ঘাটনগর পাহিড়া পুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর সংবর্ধনা বান্দরবানের থানচিতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার বাঙ্গরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও ধর্মমন্ত্রীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত
সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬

সাপে কাটার সুচিকিৎসায় দ্বিগুণ হচ্ছে অ্যান্টিভেনমের মজুত

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ৩০ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপারের প্রাদুর্ভাবে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে সাপ আতঙ্ক। এতে নড়েচড়ে বসেছে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও। সাপে কাটা রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিতে গত বছরের তুলনায় এবার দ্বিগুণ অ্যান্টিভেনম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।


সাপে কাটা রোগীর প্রধান প্রতিষেধক অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন। দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে যেটার সরবরাহ চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। সরকারই শুধু এটা কিনে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালে সরবরাহ করে। বেসরকারিভাবে দেশের কোনো ফার্মাসিউটিক্যালসের বাইরে বিক্রির তথ্য নেই।


এছাড়া শুধু বাড়তি অ্যান্টিভেনম কেনা নয়, এতদিন সাপের দংশনে আক্রান্ত রোগীর সঠিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে ঢিলেমি থাকলেও দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলার হাসপাতাল থেকে সঠিক পরিসংখ্যান দ্রুত সংগ্রহেও গুরুত্ব দিচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।



এতদিন সঠিক কোনো পরিসংখ্যান না থাকলেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের দাবি, সাপের দংশনের শিকার রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি। তবে চন্দ্রবোড়া বা রাসেলস ভাইপার সাপের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে।




স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সাপ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একসময় সাপের প্রকোপ বাড়লে সাপ মেরে ফেলাকে সমাধান মনে করা হতো। কিন্তু বর্তমানে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই সাপ মেরে ফেলা সমাধান নয়, বরং সাপের দংশন থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অনুসরণ ও ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন।



স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (ই-হেলথ) ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ড. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি বছর সারাদেশে মোট ১৩৬ জন সাপের দংশনে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ২৯ জন। সরকারি হাসপাতাল থেকে ১৭ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। বাকি ১২ জনের মৃত্যুর খবর বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা যায়। আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১০৭ জন।’




মৃত্যুবরণকারীরা রাসেলস ভাইপার কিংবা অন্য কোনো সাপের দংশনে মারা গেছেন কি না এ তথ্য তাদের কাছে নেই বলে তিনি জানান।


২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাসেলস ভাইপারসহ সব ধরনের সাপের দংশনের রোগীদের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বছরজুড়ে ধাপে ধাপে সারাদেশে মোট ২৫ হাজার ডোজ অ্যান্টিভেনম সংগ্রহ ও বিতরণ করার কথা ছিল। এর মধ্যে সরকারি এসেনসিয়াল ড্রাগ কোম্পানি (ইডিসিএল) থেকে ১৫ হাজার এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে পাওয়ার কথা ছিল ১০ হাজার ভায়াল অ্যান্টিভেনম।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ (এনসিডিসি) শাখার ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. নোসায়ের চৌধুরী বলেন, ‘সবশেষ অর্থবছর (জুলাই ২০২৩ থেকে জুন ২০২৪) ২০ হাজার ভায়াল ইনজেকশন সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে সাড়ে ১৮ হাজার ভায়াল ইনজেকশন দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা হাসপাতালে সরবরাহ করা হয়েছে। বর্তমানে মজুত মাত্র দেড় হাজার ভায়াল ইনজেকশন। শিগগির আরও ৫ হাজার ভায়াল ইনজেকশন সংগ্রহে যুক্ত হবে।’


তিনি জানান, আগামী অর্থবছর (জুলাই ২০২৪ থেকে জুন ২০২৫) থেকে শুধু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে ৩০-৪০ হাজার ভায়াল অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন কেনা হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে অতিরিক্ত অ্যান্টিভেনম পেলে তা হবে উপরি পাওয়া।


এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দাবি, সাপের দংশনের রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি। কীভাবে নিশ্চিত হলেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস) শাখার অধীনে হেলথ ইমার্জেন্সি অ্যান্ড ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন রোগব্যাধির তথ্য-উপাত্র সংগ্রহ করা হয়। তাদের কাছ থেকে সাপের দংশনের রোগী বেড়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। আর আমরা পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি রাসেলস ভাইপারের সংখ্যা বেড়েছে। সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি প্রাণিসম্পদ বিভাগের কাজ।’


রাসেলস ভাইপার মারাত্মক বিষধর সাপ কি না জানতে চাইলে ডা. নোসায়ের চৌধুরী বলেন, ‘অন্য বিষধর সাপের তুলনায় রাসেলস ভাইপার তুলনামূলক কম বিষধর। কারণ অন্য বিষধর সাপে নিউরো টক্সিকের পরিমাণ অনেক বেশি হলেও রাসেলস ভাইপারে তুলনামূলক কম। তবে অন্য সাপ দংশন করলে নমুনা ও উপসর্গ দ্রুত দেখা গেলেও এক্ষেত্রে অনেক পরে দেখা যায়। ততক্ষণে রোগীর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।’


অন্য সাপ মানুষের উপস্থিতি টের পেলে দ্রুত সরে গেলেও এ সাপ সরে যায় না। জায়গায় বসে আওয়াজ করতে থাকে বলেও জানান তিনি।



চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থাপিত ভেনাম রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে একজন সাপে কাটা রোগী আসে। অজগর সাপের বাচ্চা মনে করে ধরতে গেলে সাপটি ওই রোগীকে দংশন করে। পরবর্তীসময়ে বিশেষজ্ঞরা সাপটি রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়া হিসেবে শনাক্ত করেন।


২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত দেশের ২৭ জেলায় এ সাপের বিস্তৃতি ঘটেছে। বিশেষ করে পদ্মা নদী ও তার শাখা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে এর বিস্তার ঘটেছে সবচেয়ে বেশি।


২০১৮ সালের এক গবেষণাপত্র থেকে জানা যায়, বাংলাদেশে ১১ জেলায় (নীলফামারী, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, যশোর, সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট ও চট্টগ্রাম) একসময় রাসেলস ভাইপারের বিস্তৃতি থাকলেও ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত নতুন ছয়টি জেলাসহ শুধু নয়টি জেলায় (দিনাজপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, রাজবাড়ী, চুয়াডাঙ্গা ও পটুয়াখালী) রাসেলস ভাইপারের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গিয়েছিল।




শুধু নিশ্চিত তথ্য যেমন সংগ্রহ করা সাপ, দংশনের শিকার রোগী ইত্যাদি থেকে ভেনম রিসার্চ সেন্টারের গবেষকদের করা ২০২৩ সালের গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী বিভাগের বগুড়া ও সিরাজগঞ্জ ব্যতীত ছয়টি জেলা: ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জ; খুলনা বিভাগের কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলা, চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা, বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর ব্যতীত বাকি পাঁচটি জেলায় রাসেলস ভাইপারের উপস্থিতি নথিভুক্ত করা হয়।


২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত আরও চারটি জেলায় (যশোর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুর) এ সাপের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রথম শনাক্তের ১১ বছর পর রাসেলস ভাইপারের বিস্তৃতি ঘটেছে।


জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাপের আবাসস্থল ধ্বংস, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, বন্যার পানি ও কচুরিপানার সঙ্গে নদীর পানির বিস্তার, গুঁইসাপ, বেজি, পেঁচা, চিল, বাজপাখির মতো শিকারি পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে এর বিস্তার ঘটছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।



নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সাপ বিশেষজ্ঞ বলেন, এ সাপের প্রকোপ ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে। কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, এ সাপের প্রজননক্ষমতা খুব বেশি। একসঙ্গে ৩০-৪০টি বাচ্চা হয়। অন্য সাপের বাচ্চা খুব বেশি বেঁচে না থাকলেও এগুলো বেশির ভাগই বেঁচে যায়। ফলে দিন দিন সংখ্যা বাড়তে থাকে। ভবিষ্যতে পাহাড়ি অঞ্চল ছাড়া দেশের সর্বত্র এ সাপের বিস্তৃতি ঘটতে পারে।



>>সাপ স্বেচ্ছায় মানুষকে দংশন করে না, সুযোগ দিলে সাপ সরে যাবে। কেবল আত্মরক্ষায় কিংবা উত্ত্যক্ত করলে সাপ মানুষকে দংশন করে।



>>অনাবশ্যক সাপ মারবেন না, কারণ সাপ কীটপতঙ্গ ও ছোট ছোট প্রাণীদের নিয়ন্ত্রণে রেখে মানুষের উপকার করে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।


আরও খবর




ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ২০তম কর্পোরেশন সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মানববন্ধনের অভিযোগ ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’, সংবাদ সম্মেলনে আশিক মাহমুদ

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা

হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়

ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত

ফুলবাড়ীয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পঞ্চগড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলপুরে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ২ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নন্দীগ্রামে এমইপি গ্রুপের ইলেকট্রিশিয়ানদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত সুস্থতার আশাবাদ চিকিৎসকদের

অসুস্থ শিশু মুজাহিদকে নগদ অর্থ প্রদান করলেন আলোর পথে ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়

শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পোলশার বারিন্দা গ্রামে সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতে সাক্ষ্য ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে রায়হান আহমেদ বাদশা

নরসিংদীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

চন্দনাইশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল

চিরিরবন্দরে সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু

চাঁদপুরে যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াস গ্রেপ্তার

বৃত্তির ফল নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে আলোচনায় আহাদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল

ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ কবিরের বিরুদ্ধে

মাটির মা ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কাজী আলম ভূঁঞা

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট ইফার ফিল্ড অফিসার

আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

দয়ারামপুর (তালতলা, বিলপাড়া ও কাজিরদিয়ার) আদর্শ গ্রাম বিনির্মাণে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী (আহবায়ক) কমিটি গঠন

বাজেট সংকটে কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার কাজ বন্ধ: মরণফাঁদে পরিণত প্ল্যাটফর্ম, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সমাজ ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলাউদ্দিন আদরকে সম্মাননা

শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বিজিবির বাধায় দৌলতপুর সীমান্তে পুশ-ইন ব্যর্থ

স্পিডবোট চালক নির্যাতনের অভিযোগে নাম জড়ানো ভিত্তিহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত চান যুবদল নেতা এম শহীদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর পুনর্নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা

৫ আগস্ট খুলে দেয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী

উত্তোলনের তুলনায় মাটির নিচে পানি জমছে কম, খরাপ্রবণ এলাকায় বড় শঙ্কা

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী