
অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোর নামে বাংলাদেশে ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন করা বিজেপির একটি রাজনৈতিক অপকৌশল। এমনটাই মনে করেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, রাতের আধারে নিরীহ মুসলিমদের বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করছে ভারত। পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।
অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানোর নামে বাংলাদেশে ভারতীয় নাগরিকদের পুশইন করা বিজেপির একটি রাজনৈতিক অপকৌশল। এমনটাই মনে করেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকেরা। তাদের মতে, রাতের আধারে নিরীহ মুসলিমদের বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন ভঙ্গ করছে ভারত। পুশইন ঠেকাতে সীমান্তে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।
গেল কয়েক বছরে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি সন্দেহে অনেককে বাংলাদেশে পুশব্যাক করেছে ভারত। বিশ্লেষকদের অভিমত, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিক রীতি বা আইন-কোনোটারই তোয়াক্কাই করছে না ভারত।
মূলত বিজেপি সরকারের আসলেই ভারতীয় মুসলিমদের অনুপ্রবেশকারী আখ্যা দিয়ে দেশ থেকে বিতাড়ন শুরু হয়। এর মধ্যে ভারতে পাস হয় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সিএএ। যা পুশব্যাক প্রক্রিয়াকে জোরদার করে।
ভারতের এই বিতর্কিত পুশব্যাক নীতিকে এক প্রকার ধর্মীয় সংঘাত হিসেবেই দেখছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ আকমল হোসেন।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আকমল হোসেন বলেন, ‘ভারত তাদের বিষয়ে তো কথা বলছে না। তারা বলছে যে, নাগরিবত্ব আইনে এই মানুষদের কাভার করছে, কিন্তু মুসলিমদের ব্যাপারে তারা বলছে না। বিষয়টা হচ্ছে হিন্দু–মুসলিম সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।’
বাংলাদেশি তকমা দিয়ে মিয়ানমারের অনেক রোহিঙ্গা শরাণার্থীকেও বাংলাদেশে পুশইন করেছে ভারত। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে এভাবে এক দেশের নিবন্ধিত শরণার্থীদের নিজ দেশে পরিবর্তে অন্য দেশে পুশইন করা সম্পূর্ণ বেআইনি। এতে হুমকিতে পড়ছে দুই দেশের নিরাপত্তা।
নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর (অব.) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, ‘এসব মানুষের অধিকাংশ দেখবেন সীমান্তের গরীব মানুষ। এদের জন্য বলার কেউ নেই। সুতরাং এদের নিয়ে এ ধরনের খেলা অত্যন্ত অমানবিক। এবং এগুলো যদি ঘটে থাকে কিংবা ঘটনা শুরু হয়, তাহলে আমার মনে হয় তা সঙ্গে সঙ্গে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নজরে আনা উচিত। এ ছাড়া আমাদের সীমন্তরক্ষী বাহীনিও আরও সজায় থাকবে।’
এই মুহুর্তে বাংলাদেশ লাগোয়া ভারতের তিন রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় বিজেপি ক্ষমতায়। তাই বাংলাদেশকে পুশইন নিয়ে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।







































