
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সড়কে পৃথক দূর্ঘটনায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ ৪ জন নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) উপজেলার বার আউলিয়া, কুমিরা, বাড়বকুণ্ড এবং ছোট দারোগারহাট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।জানা যায়, ভোরে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের বার আউলিয়া এলাকায় মহাসড়কে বালু ভর্তি একটি ট্রাকের ধাক্কায় মোঃ হারুনুর রশিদ (৫৪) নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। সে ছোট কুমিরার হিঙ্গুরী পাড়া গ্রামের মোহরম আলির পুত্র। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে।অপরদিকে সকাল সাড়ে ১০টার সময় উপজেলার ছোট কুমিরা বাজার এলাকায় চট্টগ্রামমূখী গরু ভর্তি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোঃ হাসান (১৪) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। সে মিরসরাই উপজেলার নদুয়ারীয়া গ্রামের মুসলিম উদ্দিন এর ছেলে এবং মিরসরাইয়ের মির্জা বাজার ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্র।জানা যায়, নিহত হাসান সহপাঠীদের নিয়ে একটি খোলা মিনি ট্রাকে করে কুমিরাস্থ আলেকদিয়া সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসে। গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে মহাসড়কে নামার সাথে চট্টগ্রামমূখী গরুবাহী একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।এদিকে দুপুর ১১টার সময় উপজেলার ছোট দারোগারহাট এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় একটি মোটর সাইকেলের ধাক্কায় মোঃ রোস্তম আলী (৬৯) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে। তিনি উত্তর পশ্চিম সৈয়দপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ওয়ারিশ ভূঁইয়া বাড়ির তমিজ উদ্দিনের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিরা হাইওয়ে থানার ওসি জাকির রাব্বানী। বার আউলিয়া ও কুমিরায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুটি মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি এম এ হক। অপরদিকে একইদিন সকালে উপজেলার বাড়বকুণ্ডের মুছা কলোনী এলাকার রেল লাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত (৪৫) একব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে রেল পুলিশ। সীতাকুণ্ড রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দীপক দেওয়ান জানান, সকালে একব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিহত ব্যক্তি চলন্ত ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছেন। মরদেহটি দুই রেললাইনের মাঝখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তার শরীরে কোন ধরণের আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে মুখে সামান্য আঘাতে চিহ্ন দেখা গেছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং নিহতের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।





























