শিরোনাম
পটিয়ার ঐতিহাসিক থানার হাটে জমজমাট কোরবানির পশুর বেচাকেনা প্রচন্ড ঝড়ে চাঁদপুর ঘাটে যাত্রীবাহী লঞ্চ কাত হয়ে ১০ যাত্রী আহত জাল টাকা প্রতিরোধ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পিরোজপুরের পশুর হাটে র‌্যাব এর কন্ট্রোল রুম স্থাপন দক্ষিণ আইচায় ইয়াবাসহ জনতার হাতে আটক কথিত মাদক সম্রাট বাবুল কুয়াকাটা রিপোর্টার্স ইউনিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা পিরোজপুরে টিআরসি নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ লালমোহনে কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা ঈদ উপলক্ষে গরিব জনগণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা বিতরণ টাঙ্গাইলে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত লালমোহনে মেধা, সর্বোচ্চ উপস্থিতি ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
সোমবার ২৫ মে ২০২৬
সোমবার ২৫ মে ২০২৬

সংবিধানের পরিবর্তন না হলে আরও বড় স্বৈরাচার আসবে!

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে সংবিধান সংস্কারের জন্য ড. শাহদীন মালিককে প্রধান করে একটি কমিশনের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা বলছেন, গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য স্বৈরাচার আমলে ব্যাপক কাটা ছেড়ার শিকার হওয়া সংবিধানের পুনর্লিখন প্রয়োজন। সংবিধানের মৌলিক কাঠামোতে পরিবর্তন আনা না গেলে, ভবিষ্যতে আরও বড় স্বৈরাচার ফিরে আসার শঙ্কাও করছেন তারা। কিন্তু অনির্বাচিত একটি সরকারের নেতৃত্বে এই সংস্কার কতটা সম্ভব?


সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সংবিধান সংশোধন করা হয়। আর সেই সংবিধানের দোহাই দিয়ে তিন-তিনটি এক তরফা নির্বাচন হয়েছে। সংবিধান আর নির্বাচন ব্যবস্থার এই যে পরিবর্তন সেটাও আওয়ামী লীগকে স্বৈরশাসক হওয়ার পথ তৈরি করে দিয়েছে বলেই মনে করা হয়।


২০১১ সালে সর্বোচ্চ আদালত বাতিল করে দেয়, তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা সম্পর্কিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের আগেই সংবিধান সংশোধন করে ফেলে আওয়ামী লীগ। সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে সংবিধানে ফিরিয়ে আনে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন পদ্ধতি।


ছাত্র-জনতার বিপ্লবে যখন কর্তৃত্ববাদী সে শাসনামলের পতন ঘটেছে তখন রাষ্ট্র সংস্কারের আলোচনার সঙ্গে দাবি উঠেছে সেই সংবিধান পুনর্লিখনের। কিন্তু প্রশ্ন হলো যেখানে, সংশোধনের সুযোগ আছে, সেখানে পুনর্লিখন কেন?


রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'পুনর্লিখনের প্রশ্নটা এসেছে তিনটি কারণে। প্রথমটা হচ্ছে, বাংলাদেশে এখন যে বিরাজমান সংবিধান আছে ১৭টি সংশোধনীর পর, দেখা যাচ্ছে এর মধ্যে দিয়ে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পথ খুব সহজ। শুধু সহজই না, এই সংবিধান স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার পথই খুলে দেয়। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, সংবিধান এখন যেভাবে আছে সেখানে তার এক-তৃতীয়াংশতে হাত দেয়ার জায়গা নেই।'


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'অ্যামেনমেন্ডের থেকে রিলাইটি ভালো। কারণ অ্যামেনমেন্ড করলে এদের স্পিডটা প্রসিউড হচ্ছে না। এই বিপ্লবের স্পিডটা প্রসিউড হচ্ছে না। অনেকেই বলে যে না, এমন কোনো ফর্ম রাখা যাবে না যে ফর্মে আওয়ামী লীগ আছে।'


বস্তুত, প্রায় ১৭ বছরের একনায়ক শাসনামলে সব মিলিয়ে চারটি সংশোধনী আনে আওয়ামী লীগ। এবং এর মাধ্যমে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয় সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ও সাধারণ কাঠামোতে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা পুনর্লিখনের ব্যাপারে যে কারণে জোর দিচ্ছেন, তার অন্যতম কারণ গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য যে ধরনের পরিবর্তন দরকার সংবিধানে তার সুযোগও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে আগের আমলে সংবিধানের নানা ধরনের কাটা ছেড়ার মাধ্যমে।


যেমন, সংবিধানের প্রথম ভাগের ৭(খ) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে। এবং ৭ এর ক-তে বলা হয়েছে, 'কোনো ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোনো অসাংবিধানিক পন্থায় এই সংবিধান বা এর কোনো অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে কিংবা সেটি করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করলে তার এই কাজ রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ওই ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবেন।'


অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'একটা সংবিধান পরিবর্তনের ধারা যদি না থাকে তাহলে তো হবে না।'


বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের ব্যারিস্টার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, 'সংস্কার করতে হলে রাষ্ট্রের যে সুপ্রিম আইন বা সংবিধান আছে, সেটাকে রিফর্ম করা জরুরি। যেহেতু অনেককিছু এসেছে সেজন্য অনেককিছু সংযোজন করতে হবে। এতো অ্যামেনমেন্ডের আর দরকার নেই। পুনর্লিখন করলে এটা সহজ হবে।'


কিন্তু সংবিধানে সংযোজন কিংবা বিয়োজনের অধিকার তো আইনসভা বা সংসদ দ্বারা সীমাবদ্ধ। এমন অবস্থায় পুনর্লিখন কীভাবে সম্ভব?


অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহ বলেন, 'এই যে রক্ত, এটা কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের রক্ত না। এটা কোনো রাজনৈতিক ব্যানারের রক্ত না। এটা আপামর জনতার রক্ত, সবাই রাস্তায় নেমে এসেছে। সেজন্য এটাকে বিপ্লব হিসেবে আখ্যা দেয়া যায়। অর্থাৎ অভ্যুত্থানের পরবর্তী অবস্থাতে নতুন করে সবিধান লেখা দরকার।'


মোটা দাগে বিশ্লেষকরা যে তিনটি পদ্ধতির কথা বলছেন, তাতে ১৯৭২ সালে সংবিধান লেখার জন্য গঠিত গণপরিষদের আলোকে আরেকটি গণপরিষদ বা কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি, সব রাজনৈতিক দল ও পক্ষগুলোকে ডেকে কনস্টিটিউশন কনভেনশন কিংবা আলোচনার ভিত্তিতে পুনর্লিখনের ব্যাপারটি আলোচনা হচ্ছে। এক্ষেত্রে গণভোট নেয়া হবে কি না, এ নিয়ে মতপার্থক্য আছে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।


অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'যে তিনটি পথ বলেছি, প্রতিটির বিষয়ে প্রধান বিষয় হলো গণভোট করতে হবে। প্রতিটি মানুষ যেন বলতে পারেন যে তারা এটা পছন্দ করছেন বা করছেন না। ‌এই আলোচনা সবাইকে করতে হবে। তারপর তারই একটা প্রতিফলন হয়তো আমরা দেখতে পাবো। আর এখানে অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলো কোনো না কোনোভাবে সংযুক্ত করতে হবে। কারণ রাজনীতি তো রাজনৈতিক দলগুলোই করবে। অন্তর্বর্তী সরকার তো অন্তর্বর্তী সরকার। দেশ শেষ পর্যন্ত শাসন করবে রানৈতিক দলগুলো।'


এসব বিশ্লেষকদের কথায় এটা স্পষ্ট, গণবিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য তারা বিরাজমান সংবিধানের একটা আমূল পরিবর্তন চাইছেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো শপথ নেয়া থেকে শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার আগের সংবিধান অনুসরণ করেই চলছে। যদিও এরই মধ্যে আগের সংবিধানের কয়েকটি আইন রহিত করে কয়েকটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি, যেগুলো আইন আকারে বৈধতা না দিলে আবার ফিরে আসার সুযোগ রয়েছে। প্রশ্ন ছিল, যদি শেষমেষ সংবিধানের যে আমূল পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে, সেটি যদি না হয়, তাহলে কী হবে?


অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, 'সংবিধানের পুনর্লিখন ব্যবস্থা না করা গেলে বাংলাদেশ বৃত্তের মতো আরও ভয়াবহ এক স্বৈরাচারের কবলে পড়বে।'


এখন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সংবিধান পুনর্লিখনের ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রূপরেখা প্রকাশ করা হয়নি। তাই পুনর্লিখন না সংশোধন, গণপরিষদ না গণভোট নাকি কোনোটাই নয়, এসব ব্যাপারগুলো নিশ্চিত হতে অপেক্ষা করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত বা ঘোষণার জন্য। 


আরও খবর




দেওপাড়া ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী বাদশা

খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে দেশের এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি থাকবে না: কৃষিমন্ত্রী

পটিয়ার ঐতিহাসিক থানার হাটে জমজমাট কোরবানির পশুর বেচাকেনা

সাতক্ষীরা জজ কোর্টের সাবেক পিপি আব্দুল লতিফের কারাবন্দী অবস্থায় মৃত্যু

আদালতে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে চট্টগ্রামে বৈধ গরুর হাট বন্ধের অপচেষ্টার অভিযোগ

ঈদুল আযহা উপলক্ষে দেবীগঞ্জ পৌরসভায় অসহায়দের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণ।

প্রচন্ড ঝড়ে চাঁদপুর ঘাটে যাত্রীবাহী লঞ্চ কাত হয়ে ১০ যাত্রী আহত

বাবা দিয়েছিলেন লালমনি এক্সপ্রেস, মেয়ে দিচ্ছেন চিলাহাটি এক্সপ্রেসের স্টপেজ

ফুলবাড়ীয়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনিছুর রহমানের জানাযা নামাজ সম্পন্ন

দেশব্যাপী শিশু নির্যাতন,ধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকা সামান্য বৃষ্টিতেই ডুবছে চান্দনা চৌরাস্তা: দুর্ভোগ চরমে, ক্ষুব্ধ জনতা

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ

কার ছত্রছায়ায় চলছে অনিয়ম? লামা পৌরসভার কাজে উঠেছে দুর্নীতির গন্ধ

ঈদকে ঘিরে কাশিমপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন ওসি মোল্লা খালিদ হোসেন

মাদক মামলার আসামির দ্রুত জামিনে গাইবান্ধায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড়

অতীতের অন্ধকার পেরিয়ে আলোয় ফিরতে চান উত্তরধানঘড়ার প্রাক্তন সেনাসদস্য মিজানুর

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

আসাদ মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন

উত্তর ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী আন্দোলন ও সুস্থ সমাজ গঠন কেন্দ্রের উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

ডুয়েট ছাত্রদল নেতার সিজিপিএ ৪.০০ অর্জন, ক্যাম্পাসজুড়ে প্রশংসা

দেবীগঞ্জের সন্তান রাসেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

যুব সমাজের উদ্যোগে রঘুনাথপুর (গিরিংগির) মোড়ে মাদকবিরোধী মানববন্ধন

ফুলপুরে যুবলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার

ডুয়েট উপাচার্যের সঙ্গে এনপিসিবিএল প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়


এই সম্পর্কিত আরও খবর

প্রচন্ড ঝড়ে চাঁদপুর ঘাটে যাত্রীবাহী লঞ্চ কাত হয়ে ১০ যাত্রী আহত

সারভাইভার’স ভয়েস সামিট অনুষ্ঠিত

মেঘনা ভাঙনে হুমকিতে উপকূল,জরুরি কাজের আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর

ঈদের তৃতীয় দিন দেউলিয়াবাড়ীতে "এইম এন্ড ড্রিম ফাউন্ডেশন" এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আগামী বাজেটে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বৃদ্ধি করা হবে--- চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপি জনগণকে যে ওয়াদা দেয়, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে....প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ২২ বছর পর চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১০ জেলায় শুরু হচ্ছে “জাতীয় নিমগাছ রোপণ কর্মসূচি-২০২৬

ছয় দশকের অপেক্ষা শেষে অনুমোদন পেল 'পদ্মা ব্যারাজ' প্রকল্প

ডিএনসিসির ২০২২ সালে নেয়া প্রকল্প শেষ হয়নি আজও