শিরোনাম
ঈদ উপলক্ষে গরিব জনগণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা বিতরণ টাঙ্গাইলে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত লালমোহনে মেধা, সর্বোচ্চ উপস্থিতি ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শাজাহানপুর থানা পরিদর্শনে আইজিপি, বৃক্ষরোপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত আখাউড়ার দরুইন গ্রামে ট্রেনে কটা পড়ে যুবকের মৃত‍্যু কবি তীর্থ দৌলতপুরে উৎসাহ উদ্দীপনায় ১২৭ তম নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপিত পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ লাকসামে ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে অটোচালকের ১ মাসের সাজা সম্পত্তির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা,কঙ্কাল উদ্ধার,গ্রেপ্তার ৩ ইসলামী ব্যাংকে ‘হস্তক্ষেপ ও ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে মানববন্ধন ; এমডি ওমর ফারুক খানের পুনর্বহালের দাবি
সোমবার ২৫ মে ২০২৬
সোমবার ২৫ মে ২০২৬

সড়ক-পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোই মূল চ্যালেঞ্জ

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:সোমবার ২১ অক্টোবর ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২১ অক্টোবর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

গত দেড় দশকে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়ায় যাত্রীসেবা ও বিশৃঙ্খলা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবার আগে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো জরুরি। তবে এটিকে বড় ও প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য পরিবহন সংশ্লিষ্টদের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করার সংস্কৃতিকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে বাসে প্রতিদিনের প্রায় ২ কোটি ট্রিপের ৭০ শতাংশ নিশ্চিত করতে হবে। সব বাস রাষ্ট্রের একক মালিকানায় চালাতে হবে। রাজধানীতে যানজটের অন্যতম কারণ যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা। দুই সিটিতে মোট ১২০টি বাস স্টপেজ নির্ধারণ করে দিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ। তারপরও নির্ধারিত স্থানে বাস না থামার কারণ জানতে গেলে কেবলই অভিযোগের কাদা ছড়াছড়ি যাত্রী আর পরিবহন শ্রমিকদের। রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ের চারদিকে কাঠামোতে ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি লাগানো রয়েছে। কিন্তু এসব বাতি সচল না অচল কেউ জানে না। অনেক স্থানে আবার দেখা যায় লাল বাতি জ¦ললেও গাড়ি চলে সবুজ বাতি জ¦ললেও গাড়ি চলে। রাজধানীতে চলাচলরত গাড়ির চালকরাও এখন ট্রাফিকের হাতের ইশারায় চলতে অভ্যস্থ হয়ে গেছেন। এখন আর তারা সড়কে ট্রফিক সিগন্যালের কথা চিন্তা করেন না। সমন্বয়হীনতা আর প্রক্রিয়ার গলদের কারণে কাজে আসছে না রাজধানীর কোটি কোটি টাকার স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা। রাজধানীতে গাড়ির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। বর্তমানে স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি গাড়ি ঢাকার সড়কে চলছে। এতে ভেঙে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থা। আধ ঘণ্টার রাস্তা যেতে সময় লাগে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। নগরীতে চলাচল করে লাখ লাখ যান্ত্রিক যানবাহন। পাশাপাশি আছে প্যাডেলচালিত রিকশা। এসব যানবাহন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। নগরীজুড়ে যত্রতত্র পার্কিং, ট্রাফিক নির্দেশনা না মানা, অবৈধ যানবাহন চলাচল করার কারণে অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়। দুর্ঘটনা, প্রতারণা কিংবা যানজটে নাকাল হয়ে মাশুল গুনতে হচ্ছে নগরবাসীকেই। তবে আশার বিষয় হচ্ছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গণপরিবহন খাতেও পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। দলটির পদধারী একাধিক সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতার হাতে জিম্মি ছিল এই খাত। তারা গা ঢাকা দেওয়ার পরই নেতৃত্বে এসেছে পরিবর্তন। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নতুন নেতৃত্ব ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ নিয়ে এগোতে চাইছে। যার অংশ হিসেবে পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা, দুর্বৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি ও অনিয়ম বন্ধ করে চলতি মাসেই যাত্রীবান্ধব, সড়ক নিরাপদ করা ও সুশৃঙ্খলা আনতে প্রাথমিকভাবে ‘মোটিভেশনাল কাউন্সেলিং’ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে। গত ২৪ আগস্ট ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির আহ্বায়ক মো. সাইফুল আলমের নেতৃত্বে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সাইফুল আলম বলেন, ছাত্র-জনতার বিপ্লব বলি বা গণঅভ্যুত্থান বলি, তাতে আমরা স্বাধীন দেশে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছি। দেশ গড়ার অংশ হিসেবে পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা, দুর্বৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি, অনিয়ম- এইসব জঞ্জাল দূর করে যাত্রীবান্ধব, নিরাপদ, যানজট নিরসনসহ সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থার জন্য আমাদের যা যা করণীয় সেগুলো নিয়ে প্রাথমিকভাবে একটা অ্যাকশন প্ল্যানে যাচ্ছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। এই অ্যাকশন প্ল্যানের মূলে থাকছে- সড়কে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকের দ্বারা যেসব সমস্যা তৈরি হয়, সেগুলো সংশোধন ও সমাধান করার উদ্যোগ। এদিকে সঙ্কট সমাধানের উপায় খুঁজতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের। প্রাথমিকভাবে ৬ দফা রূপরেখা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন তারা। তবে বলা হচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে প্রয়োজন গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি করা। বুয়েটের দুই বিশেষজ্ঞ এরইমধ্যে তৈরি করেছেন ছয় দফা প্রস্তাবনা। যেখানে বলা হয়, প্রধান সড়ক থেকে নিবন্ধনহীন রিকশা, অটোরিকশা ও ইজি বাইক অপসারণ। ট্রাফিক পুলিশকে আইন প্রয়োগে সক্রিয় করা। প্রতিটি রাস্তার মোড়ের ৫০ মিটার ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কে ১০০ মিটারের মধ্যে যানবাহন পার্কিং না করা। নির্ধারিত স্থানে সুশৃঙ্খলভাবে যাত্রী ওঠা-নামা নিশ্চিত করা। কম ব্যস্ত সিগনালে ২ থেকে ৩ মিনিট এবং ব্যস্ত সিগনালে সর্বোচ্চ ৫ মিনিট সিগনালসাইকেল নিশ্চিত করা। তাৎক্ষনিক সমস্যা সমাধানে ৬ থেকে ৮ টি ভ্রম্যমাণ ট্রাফিক মনিটরিং টিম গঠন করা। এদিকে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাধিক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা বলছেন, গত দেড় দশকে পরিবহন খাত ছিল প্রধানত খন্দকার এনায়েত উল্লাহ ও শাজাহান খানের নিয়ন্ত্রণে। তারা এই খাতের মালিক-শ্রমিকদের দলীয় কর্মীর মতো আচরণ করার দিকে নিয়ে গেছেন। সে কারণে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ২০১৮ সালে বড় ধরনের আন্দোলনও হয়েছিল। কিন্তু তারপরও মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে পরিবহনে যাত্রীসেবার মান বাড়াতে এবং শৃঙ্খলা আনতে হলে মালিক-শ্রমিকদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন প্রয়োজন। এছাড়া রাজধানীর প্রতিটি বাস টার্মিনালে সাধারণ পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের বিচরণ ও আচরণ নির্বিঘেœ সচল করার প্রতি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। টার্মিনালে চাঁদাবাজি বন্ধ, দখল-বেদখল এবং প্রকৃত শ্রমিকদের নেতৃত্ব থাকা নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নেতারা। গত ১৪ আগস্ট সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের এক সাধারণ সভায় সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পরিবহন কোম্পানিগুলো ম্যানেজমেন্টের জন্য সাধারণ বাস মালিকদের থেকে দৈনিক ব্যয়ভার হিসেবে টোকেন মানির বাইরে অতিরিক্ত টাকা নিতে পারবে না। টোকেন মানির পরিমাণ কত হবে, সেটি সংশ্লিষ্ট সংগঠনের রেজুলেশনের মাধ্যমে জানাতে হবে, ইচ্ছেমতো টাকা আদায় করা যাবে না। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গড়ে ওঠেনি নিরাপদ-জনবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা। গণপরিবহন খাতকে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির আখড়া বানিয়ে রেখেছে স্বার্থবাদী গোষ্ঠী। অদক্ষ চালক, ত্রুটিপূর্ণ মোটরযান, অপেশাদারী ব্যবস্থাপনার কারণে অহরহ সড়ক দুর্ঘটনায় অগণিত মানুষ হতাহত হচ্ছে। রাজধানীর গণপরিহনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য কোম্পানিভিত্তিক বাস চালুর উদ্যোগ সফল হয়নি এই স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর কারণে। অথচ কয়েক লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ সত্ত্বেও দুর্নীতির কারণে এই দুটি খাত লোকসানে ডুবছে। জানা যায়, রাজধানী ঢাকায় যানজটে বছরে আর্থিক ক্ষতি অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকা। যানজটের কারণে প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে প্রায় ৮২ লাখ কর্মঘণ্টা। পরিস্থিতির উন্নতি হলে যার অনেকটাই সাশ্রয় হবে। স্বস্তি মিলবে নগরজীবনেও।


আরও খবর




ঈদ উপলক্ষে গরিব জনগণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা বিতরণ

টাঙ্গাইলে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত

লালমোহনে মেধা, সর্বোচ্চ উপস্থিতি ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ধাপেরহাটে ভেজাল হলুদ কারখানায় অভিযান, ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

উলিপুরে ভিজিএফ চাল জব্দ: যুবদল নেতাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ভাতের মাড়ে’ দিন কাটানো পরিবারে মানবিক সহায়তা, পাশে প্রতিমন্ত্রী পুতুল

নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুই বছর পরে মা-ছেলের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩

ট্যুরিজম লিডারশীপ এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড পেলেন মনপুরার ছেলে শাখাওয়াত হোসেন

পূবাইল থানা এলাকায় ৯ বছরের এক শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ

শাজাহানপুর থানা পরিদর্শনে আইজিপি, বৃক্ষরোপন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আখাউড়ার দরুইন গ্রামে ট্রেনে কটা পড়ে যুবকের মৃত‍্যু

কবি তীর্থ দৌলতপুরে উৎসাহ উদ্দীপনায় ১২৭ তম নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

পত্নীতলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির অভিযোগ

লাকসামে ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে অটোচালকের ১ মাসের সাজা

সম্পত্তির দ্বন্দ্বে মা ও শিশুপুত্রকে হত্যা,কঙ্কাল উদ্ধার,গ্রেপ্তার ৩

অতীতের অন্ধকার পেরিয়ে আলোয় ফিরতে চান উত্তরধানঘড়ার প্রাক্তন সেনাসদস্য মিজানুর

গবেষণা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল ডুয়েটের নতুন ভিসি

আসাদ মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন

উত্তর ধানঘড়ায় মাদকবিরোধী আন্দোলন ও সুস্থ সমাজ গঠন কেন্দ্রের উদ্যোগে স্মারকলিপি প্রদান

নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে মিরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে ঢাকা বিভাগীয় তথ্য অফিসের প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

ডুয়েট ছাত্রদল নেতার সিজিপিএ ৪.০০ অর্জন, ক্যাম্পাসজুড়ে প্রশংসা

দেবীগঞ্জের সন্তান রাসেল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

ফুলপুরে ট্রান্সফরমার চোর গ্রেফতার

গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান: ৫ মাদকসেবী গ্রেফতার

গঙ্গাচড়ায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ

শরণখোলায় প্রাইভেট একাডেমির শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাস্তায় বসে ছাত্রকে মারধরের অভিযোগ

ধর্ষণ মামলায় চাঁদপুর সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স গ্রেপ্তার

যুব সমাজের উদ্যোগে রঘুনাথপুর (গিরিংগির) মোড়ে মাদকবিরোধী মানববন্ধন

ফুলপুরে যুবলীগ নেতা প্রিন্স গ্রেফতার

মাদকমুক্ত ইউনিয়ন গড়তে বল্লমঝাড়ে চেয়ারম্যান জুলফিকার রহমানের কঠোর অবস্থান


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সারভাইভার’স ভয়েস সামিট অনুষ্ঠিত

মেঘনা ভাঙনে হুমকিতে উপকূল,জরুরি কাজের আশ্বাস পানিসম্পদ মন্ত্রীর

ঈদের তৃতীয় দিন দেউলিয়াবাড়ীতে "এইম এন্ড ড্রিম ফাউন্ডেশন" এর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আগামী বাজেটে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড বৃদ্ধি করা হবে--- চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপি জনগণকে যে ওয়াদা দেয়, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করে....প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘ ২২ বছর পর চাঁদপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১০ জেলায় শুরু হচ্ছে “জাতীয় নিমগাছ রোপণ কর্মসূচি-২০২৬

ছয় দশকের অপেক্ষা শেষে অনুমোদন পেল 'পদ্মা ব্যারাজ' প্রকল্প

ডিএনসিসির ২০২২ সালে নেয়া প্রকল্প শেষ হয়নি আজও

পাউরুটিতে মিলল ক্যানসারের উপাদান, ঘি তৈরি হচ্ছে পামওয়েল ও সুগন্ধি দিয়ে