শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড় ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ফায়ার সার্ভিস পায়নি নকলাবাসী,আগুনে পুড়ছে কোটি টাকার স্বপ্ন ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বাখরনগরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল লালমোহনের কৃতি সন্তান মনিরুল ইসলাম লন্ডন থেকে অর্জন করলেন ব্যারিস্টার ডিগ্রি পোরশায় মাননীয় সাংসদকে ঘাটনগর পাহিড়া পুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর সংবর্ধনা বান্দরবানের থানচিতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার বাঙ্গরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও ধর্মমন্ত্রীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত
সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬

সড়ক-পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানোই মূল চ্যালেঞ্জ

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:সোমবার ২১ অক্টোবর ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ২১ অক্টোবর ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

গত দেড় দশকে সড়ক পরিবহন ব্যবস্থা মাফিয়া চক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়ায় যাত্রীসেবা ও বিশৃঙ্খলা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সবার আগে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো জরুরি। তবে এটিকে বড় ও প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এজন্য পরিবহন সংশ্লিষ্টদের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করার সংস্কৃতিকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে বাসে প্রতিদিনের প্রায় ২ কোটি ট্রিপের ৭০ শতাংশ নিশ্চিত করতে হবে। সব বাস রাষ্ট্রের একক মালিকানায় চালাতে হবে। রাজধানীতে যানজটের অন্যতম কারণ যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠা-নামা। দুই সিটিতে মোট ১২০টি বাস স্টপেজ নির্ধারণ করে দিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ। তারপরও নির্ধারিত স্থানে বাস না থামার কারণ জানতে গেলে কেবলই অভিযোগের কাদা ছড়াছড়ি যাত্রী আর পরিবহন শ্রমিকদের। রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ের চারদিকে কাঠামোতে ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি লাগানো রয়েছে। কিন্তু এসব বাতি সচল না অচল কেউ জানে না। অনেক স্থানে আবার দেখা যায় লাল বাতি জ¦ললেও গাড়ি চলে সবুজ বাতি জ¦ললেও গাড়ি চলে। রাজধানীতে চলাচলরত গাড়ির চালকরাও এখন ট্রাফিকের হাতের ইশারায় চলতে অভ্যস্থ হয়ে গেছেন। এখন আর তারা সড়কে ট্রফিক সিগন্যালের কথা চিন্তা করেন না। সমন্বয়হীনতা আর প্রক্রিয়ার গলদের কারণে কাজে আসছে না রাজধানীর কোটি কোটি টাকার স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক ব্যবস্থা। রাজধানীতে গাড়ির সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। বর্তমানে স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি গাড়ি ঢাকার সড়কে চলছে। এতে ভেঙে পড়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থা। আধ ঘণ্টার রাস্তা যেতে সময় লাগে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। নগরীতে চলাচল করে লাখ লাখ যান্ত্রিক যানবাহন। পাশাপাশি আছে প্যাডেলচালিত রিকশা। এসব যানবাহন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। নগরীজুড়ে যত্রতত্র পার্কিং, ট্রাফিক নির্দেশনা না মানা, অবৈধ যানবাহন চলাচল করার কারণে অব্যবস্থাপনা দেখা দিয়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়। দুর্ঘটনা, প্রতারণা কিংবা যানজটে নাকাল হয়ে মাশুল গুনতে হচ্ছে নগরবাসীকেই। তবে আশার বিষয় হচ্ছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গণপরিবহন খাতেও পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। দলটির পদধারী একাধিক সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতার হাতে জিম্মি ছিল এই খাত। তারা গা ঢাকা দেওয়ার পরই নেতৃত্বে এসেছে পরিবর্তন। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নতুন নেতৃত্ব ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ নিয়ে এগোতে চাইছে। যার অংশ হিসেবে পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা, দুর্বৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি ও অনিয়ম বন্ধ করে চলতি মাসেই যাত্রীবান্ধব, সড়ক নিরাপদ করা ও সুশৃঙ্খলা আনতে প্রাথমিকভাবে ‘মোটিভেশনাল কাউন্সেলিং’ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে। গত ২৪ আগস্ট ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির আহ্বায়ক মো. সাইফুল আলমের নেতৃত্বে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সাইফুল আলম বলেন, ছাত্র-জনতার বিপ্লব বলি বা গণঅভ্যুত্থান বলি, তাতে আমরা স্বাধীন দেশে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছি। দেশ গড়ার অংশ হিসেবে পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা, দুর্বৃত্তায়ন, চাঁদাবাজি, অনিয়ম- এইসব জঞ্জাল দূর করে যাত্রীবান্ধব, নিরাপদ, যানজট নিরসনসহ সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থার জন্য আমাদের যা যা করণীয় সেগুলো নিয়ে প্রাথমিকভাবে একটা অ্যাকশন প্ল্যানে যাচ্ছে ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। এই অ্যাকশন প্ল্যানের মূলে থাকছে- সড়কে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকের দ্বারা যেসব সমস্যা তৈরি হয়, সেগুলো সংশোধন ও সমাধান করার উদ্যোগ। এদিকে সঙ্কট সমাধানের উপায় খুঁজতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের। প্রাথমিকভাবে ৬ দফা রূপরেখা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন তারা। তবে বলা হচ্ছে, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে প্রয়োজন গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি করা। বুয়েটের দুই বিশেষজ্ঞ এরইমধ্যে তৈরি করেছেন ছয় দফা প্রস্তাবনা। যেখানে বলা হয়, প্রধান সড়ক থেকে নিবন্ধনহীন রিকশা, অটোরিকশা ও ইজি বাইক অপসারণ। ট্রাফিক পুলিশকে আইন প্রয়োগে সক্রিয় করা। প্রতিটি রাস্তার মোড়ের ৫০ মিটার ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কে ১০০ মিটারের মধ্যে যানবাহন পার্কিং না করা। নির্ধারিত স্থানে সুশৃঙ্খলভাবে যাত্রী ওঠা-নামা নিশ্চিত করা। কম ব্যস্ত সিগনালে ২ থেকে ৩ মিনিট এবং ব্যস্ত সিগনালে সর্বোচ্চ ৫ মিনিট সিগনালসাইকেল নিশ্চিত করা। তাৎক্ষনিক সমস্যা সমাধানে ৬ থেকে ৮ টি ভ্রম্যমাণ ট্রাফিক মনিটরিং টিম গঠন করা। এদিকে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাধিক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা বলছেন, গত দেড় দশকে পরিবহন খাত ছিল প্রধানত খন্দকার এনায়েত উল্লাহ ও শাজাহান খানের নিয়ন্ত্রণে। তারা এই খাতের মালিক-শ্রমিকদের দলীয় কর্মীর মতো আচরণ করার দিকে নিয়ে গেছেন। সে কারণে নিরাপদ সড়কের দাবিতে ২০১৮ সালে বড় ধরনের আন্দোলনও হয়েছিল। কিন্তু তারপরও মৌলিক কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে পরিবহনে যাত্রীসেবার মান বাড়াতে এবং শৃঙ্খলা আনতে হলে মালিক-শ্রমিকদের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তন প্রয়োজন। এছাড়া রাজধানীর প্রতিটি বাস টার্মিনালে সাধারণ পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের বিচরণ ও আচরণ নির্বিঘেœ সচল করার প্রতি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে। টার্মিনালে চাঁদাবাজি বন্ধ, দখল-বেদখল এবং প্রকৃত শ্রমিকদের নেতৃত্ব থাকা নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নেতারা। গত ১৪ আগস্ট সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের এক সাধারণ সভায় সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পরিবহন কোম্পানিগুলো ম্যানেজমেন্টের জন্য সাধারণ বাস মালিকদের থেকে দৈনিক ব্যয়ভার হিসেবে টোকেন মানির বাইরে অতিরিক্ত টাকা নিতে পারবে না। টোকেন মানির পরিমাণ কত হবে, সেটি সংশ্লিষ্ট সংগঠনের রেজুলেশনের মাধ্যমে জানাতে হবে, ইচ্ছেমতো টাকা আদায় করা যাবে না। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত সড়ক, রেল ও নৌ-পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গড়ে ওঠেনি নিরাপদ-জনবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা। গণপরিবহন খাতকে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির আখড়া বানিয়ে রেখেছে স্বার্থবাদী গোষ্ঠী। অদক্ষ চালক, ত্রুটিপূর্ণ মোটরযান, অপেশাদারী ব্যবস্থাপনার কারণে অহরহ সড়ক দুর্ঘটনায় অগণিত মানুষ হতাহত হচ্ছে। রাজধানীর গণপরিহনে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য কোম্পানিভিত্তিক বাস চালুর উদ্যোগ সফল হয়নি এই স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর কারণে। অথচ কয়েক লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ সত্ত্বেও দুর্নীতির কারণে এই দুটি খাত লোকসানে ডুবছে। জানা যায়, রাজধানী ঢাকায় যানজটে বছরে আর্থিক ক্ষতি অন্তত ৫০ হাজার কোটি টাকা। যানজটের কারণে প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে প্রায় ৮২ লাখ কর্মঘণ্টা। পরিস্থিতির উন্নতি হলে যার অনেকটাই সাশ্রয় হবে। স্বস্তি মিলবে নগরজীবনেও।


আরও খবর




ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ২০তম কর্পোরেশন সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মানববন্ধনের অভিযোগ ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’, সংবাদ সম্মেলনে আশিক মাহমুদ

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা

হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়

ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত

ফুলবাড়ীয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পঞ্চগড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলপুরে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ২ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নন্দীগ্রামে এমইপি গ্রুপের ইলেকট্রিশিয়ানদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত সুস্থতার আশাবাদ চিকিৎসকদের

অসুস্থ শিশু মুজাহিদকে নগদ অর্থ প্রদান করলেন আলোর পথে ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়

শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পোলশার বারিন্দা গ্রামে সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতে সাক্ষ্য ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে রায়হান আহমেদ বাদশা

নরসিংদীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

চন্দনাইশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল

চিরিরবন্দরে সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু

চাঁদপুরে যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াস গ্রেপ্তার

বৃত্তির ফল নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে আলোচনায় আহাদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল

ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ কবিরের বিরুদ্ধে

মাটির মা ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কাজী আলম ভূঁঞা

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট ইফার ফিল্ড অফিসার

আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

দয়ারামপুর (তালতলা, বিলপাড়া ও কাজিরদিয়ার) আদর্শ গ্রাম বিনির্মাণে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী (আহবায়ক) কমিটি গঠন

বাজেট সংকটে কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার কাজ বন্ধ: মরণফাঁদে পরিণত প্ল্যাটফর্ম, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সমাজ ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলাউদ্দিন আদরকে সম্মাননা

শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বিজিবির বাধায় দৌলতপুর সীমান্তে পুশ-ইন ব্যর্থ

স্পিডবোট চালক নির্যাতনের অভিযোগে নাম জড়ানো ভিত্তিহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত চান যুবদল নেতা এম শহীদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর পুনর্নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা

৫ আগস্ট খুলে দেয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী

উত্তোলনের তুলনায় মাটির নিচে পানি জমছে কম, খরাপ্রবণ এলাকায় বড় শঙ্কা

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী