শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড় ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন স্বাধীনতার ৫৫ বছরেও ফায়ার সার্ভিস পায়নি নকলাবাসী,আগুনে পুড়ছে কোটি টাকার স্বপ্ন ধর্মমন্ত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনায় বাখরনগরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল লালমোহনের কৃতি সন্তান মনিরুল ইসলাম লন্ডন থেকে অর্জন করলেন ব্যারিস্টার ডিগ্রি পোরশায় মাননীয় সাংসদকে ঘাটনগর পাহিড়া পুকুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এর সংবর্ধনা বান্দরবানের থানচিতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার বাঙ্গরা উপজেলা বেসরকারি এতিমখানা কল্যাণ পরিষদের আহ্বায়ক কমিটি গঠন ও ধর্মমন্ত্রীর জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত
সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার ২৭ জুলাই ২০২৬

ভংয়কর রূপ নিচ্ছে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, সতর্ক থাকার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

আলোকিত সকাল প্রতিবেদক
প্রকাশিত:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জুন ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

কোভিড পরবর্তী সময়ে দেশের প্রধান স্বাস্থ্য ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে ডেঙ্গু জ্বর। ২০২৩ সালে ভয়াবহ তাণ্ডব চালানো এডিস মশাবাহিত এই জ্বরের ধারবাহিকতা রয়েছে চলতি বছরেও। এরমধ্যে প্রাক-বর্ষা মশা জরিপে রাজধানীর ১৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ বসতবাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, যা গত প্রাক-বর্ষা মৌসুমে ছিল ৪ দশমিক শুন্য তিন শতাংশ। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় রাজধানীর বাসাবাড়িতে এডিস মশার ঘনত্ব বেড়েছে সাড়ে তিন গুনেরও বেশি। এ অবস্থায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞরা। সেজন্য সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা বছরে তিনবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মশার বিষয়ে জরিপ করে থাকে। এগুলো হলো, প্রাক-বর্ষা, বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী জরিপ। গত ২৮ মে স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রাক-বর্ষা এডিস সার্ভে ২০২৪ এর ফলাফল প্রকাশ করে। জাতীয় ম্যালেরিয়া ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির আওতায় চলতি বছরের ১৭ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত এডিস মশার ঘনত্ব ও প্রজনন স্থান নিরীক্ষার জন্য এ জরিপ কাজ পরিচালনা করা হয়। এতে দুই সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্ব নির্দিষ্ট সূচকের চেয়ে বেশি পাওয়া যায়। এর মধ্যে ১৮টি ওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।


ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৯৯টি ওয়ার্ডে ২১টি টিমের মাধ্যমে জরিপ পরিচালনা করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। প্রতি ওয়ার্ড ৮টি ব্লকে ভাগ করে দুটি টিম ৪টি ব্লকে ১৫টি করে প্রতি ওয়ার্ডে ৩০টি বাড়িতে জরিপ পরিচালনা করেন। ১০ দিনে ৯৯টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ৩ হাজার ১৫২টি বাড়িতে জরিপ করা হয়। তাছাড়া যেসব ওয়ার্ডে বাড়ির সংখ্যা বেশি ও এলাকা বড় সেগুলোতে ৩-৫টি টিমের মাধ্যমে জরিপ পরিচালনা করা হয়।



এডিস মশার লার্ভার ঘনত্ব পরিমাপের সূচক ‘ব্রুটো ইনডেক্স’ নামে পরিচিত। স্বীকৃত এই মানদণ্ডে লার্ভার ঘনত্ব ২০ শতাংশের ওপরে হলে অতি ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়। এমন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে বলে মনে করা হয়। আর হাউজ ইনডেক্স ১০ শতাংশের বেশি হলে তা ঝুঁকিপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে মশার ঘনত্ব নির্দিষ্ট সূচকের চেয়ে বেশি, যা ডেঙ্গু রোগের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। এর মধ্যে ১৮টি ওয়ার্ড সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।



ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৩ নাম্বার ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি মশার ঘনত্ব পাওয়া যায়। এই ওয়ার্ডের ব্রুটো ইনডেক্স ছিল ৭৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এই ওয়ার্ডের আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো- চামেলীবাগ, আমিনবাগ, রাজারবাগ, নয়াপল্টন, পুরানা পল্টন  জিপিও, বিজয়নগর, ট্রাফিক পুলিশ ব্যারাক ও শান্তিনগর এলাকা। দক্ষিণ সিটির বাকি ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হচ্ছে ৪, ৫২, ৫৪, ১৬, ৩, ৫, ১৫, ১৭ ও ২৩।

ডেঙ্গু নিয়ে কথা হয় শুধু ঢাকাকেন্দ্রীক। শুধু ঢাকার জরিপ করে সারাদেশের পরিস্থিতি বুঝা সম্ভব না। সারাদেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে গেছে। এ নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপের সুযোগ নাই। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ, ইমিরেটাস অধ্যাপক, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক


ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মধ্যে সবোর্চ্চ ব্রুটো ইনডেক্স ৪৩ দশমিক ৩৩ ছিল ১২ নাম্বার ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডের আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো, আহম্মদনগর (আংশিক), শাহআলীবাগ, দক্ষিণ বিশিল, পাইকপাড়া, টোলারবাগ (উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ)। উত্তর সিটির ঝুঁকিপূর্ণ ওয়ার্ডগুলো হচ্ছে ১২, ১৩, ২০, ৩৬, ৩১, ৩২, ১৭ ও ৩৩।


এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতর যে ৪৬৩টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা (লার্ভার পরের স্তর) পেয়েছে তার মধ্যে বহুতল ভবনে ৪২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। স্বতন্ত্র বাড়িতে ২১ দশমিক ৬ শতাংশ, নির্মাণাধীন বাড়িতে ২১ দশমিক ৬ শতাংশ এবং সেমিপাকা বাড়িতে ১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ লার্ভা পাওয়া যায়। আর উত্তর সিটিতে গড় ব্রটো ইনডেক্স ১৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং হাউস ইনডেক্স ১৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। এছাড়া দক্ষিণ সিটিতে ব্রুটো ইনডেক্স ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং হাউস ইনডেক্স ১৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ।


প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমিরেটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ  বলেন, ডেঙ্গু নিয়ে কথা হয় শুধু ঢাকাকেন্দ্রীক। শুধু ঢাকার জরিপ করে সারাদেশের পরিস্থিতি বুঝা সম্ভব না। সারাদেশে ডেঙ্গু ছড়িয়ে গেছে। এ নিয়ে পরস্পরকে দোষারোপের সুযোগ নাই। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।


‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে তাদের কাজ অল্প। স্বাস্থ্য বিভাগের কাজ হলো সঠিকভাবে রোগী ব্যবস্থাপনা করা। শয্যা, ওষুধ ও স্যালাইন নিশ্চিত করা তাদের কাজ। অনেক বেশি রোগী আসলে, সেখানে জটিল কারও কারও মৃত্যু ঘটবে। কারণ রোগটা অনিশ্চিত। এর নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। যে চিকিৎসা দেওয়া হয়, তা সাপোর্টিভ ও লক্ষণভিত্তিক। তাই রোগী আসা বন্ধ করতে হবে।-বলেন এ বি এম আব্দুল্লাহ।


এই চিকিৎসক আরও বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব না। সবাইকে কাজ করতে হবে। সিটি করপোরেশনকে মশা মারতে হবে। তবে এক্ষেত্রেও রাজউক, ওয়াসা, ভূমি মন্ত্রণালয়কেও কাজ করতে হবে। যেমন ক্যান্টনমেন্ট ও এয়ারপোর্ট এলাকায় সিটি করপোরেশন ঢুকতেই পারবে না। ওই স্থানগুলোতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগী হতে হবে। সমন্বয় করে কাজ না করলে লাভবান হওয়া যাবে না। দক্ষিণ যদি মশা মারা শুরু করে আর উত্তর কিছু না করে, তাহলে উত্তরের মশা সব দক্ষিণে চলে আসবে। তাই সমন্বয়টা জরুরি। মশা নিধন সম্ভব না কিন্তু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।


গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও অনেক বেশি খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বেশি পরিমাণে লার্ভা পাওয়া প্রমাণ করে যে, গত বছর ও চলতি বছরের শুরু থেকে মশা মারার কোনো কার্যক্রম সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়নি। কার্যক্রম ঠিকভাবে করলে এই লার্ভাগুলো পাওয়া যাওয়ার কথা না। এজন্য আমাদের ঢাকাবাসীর সচেতনতার অভাব ও এগুলো বেশিরভাগই বাসা বাড়িতে জমা পানি ও নির্মাণকাজের স্থলে হয়েছে। রাজধানীর অনেক সড়কে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলছে।


সংশ্লিষ্টরা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে না উল্লেখ করে জামিল ফয়সাল বলেন, দুই সিটির ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে ওষুধ ছিটানোর কথা। এটি একদমই হচ্ছে বলে মনে হয় না। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়া দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু হঠাৎ হঠাৎ এই কাজে কোনো সফলতা পাওয়া যাবে না। এটি ধারাবাহিকভাবে করতে হবে।


জরিপ অনুযায়ী ১৮টি ওয়ার্ড অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ওইগুলোতে হটস্পট ম্যানেজমেন্টের মতো করে কাজ করা উচিত। অর্থাৎ প্রতিদিন মশার ওষুধ দিতে হবে। এটি লার্ভিসাইড ও মসকিটোসাইড দুইটাই দিতে হবে। কিন্তু প্রতিদিন তো অনেক দূরের কথা, সপ্তাহে একদিনও দেওয়া হচ্ছে না।



অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, সিটি করপোরেশনের অধীনে থাকা নাগরিকদের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। ঢাকার ২০-২৫ তলা ভবনে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বা সিটি করপোরেশন গিয়ে মশা মারতে পারবে না। এটা জনগণকে করতে হবে। এডিস গৃহপালিত ও ভদ্র মশা। এরা সুন্দর সুন্দর বাড়ি-ঘরে জন্মায় ও বসবাস করে। সাধারণত পরিষ্কার পানিতেই এর জন্ম। নোংরা পানিতে জন্মায় বলে ইদানীং শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তা খুবই বিরল ঘটনা।


মানুষকে সচেতন করতে বেশি বেশি ডেঙ্গুর কথা বলতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে এটি শুধু ঢাকা বা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনভিত্তিক না। সারাদেশেই ডেঙ্গু ছড়িয়েছে। বরং সিটির বাইরেই বেশি রোগী দেখা যাচ্ছে। ফলে কর্তৃপক্ষ ও জনগণকে সচেতন হতে হবে। সবাইকে মশা মারার উদ্যোগ নিতে হবে, কামড় খাওয়া থেকে বেঁচে থাকতে হবে বলে জানান প্রখ্যাত এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ।



ডা. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো তার সেবাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রস্তুত করা। তবে এর থেকেও জরুরি হলো মশা মারা। এটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের করার কথা। এক্ষেত্রে তারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের মূল কাজ রোগী বেশি করে আসলে তাদের যেন চিকিৎসা দিতে পারে। তারা তা করছে বলে জানিয়েছে। কিন্তু মশা মারার কাজটি স্থানীয় সরকার বিভাগকেই করতে হবে।


ঢাকার বাইরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এই জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বলেন, ঢাকার বাইরে অধিক পরিমাণে আক্রান্তের ঝুঁকি রয়েছে। ঢাকায় সাংবাদিকদের লেখালেখির কারণে মশা নিয়ন্ত্রণে কিছুটা তৎপরতা রয়েছে। রাজধানীর বাইরে তার কিছুই নেই। ফলে বাইরে এবার পরিস্থিতি খুবই ভয়ঙ্কর হবে। এটি যেন না হয় সে বিষয়ে সতর্ক হতে হবে। সরকারের এ কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে সক্রিয় হতে হবে এবং মানুষকে সচেতন হতে হবে।


আরও খবর




ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোর্টের আদেশ অমান্য করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় রফাদফা

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ২০তম কর্পোরেশন সভা অনুষ্ঠিত

সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

মানববন্ধনের অভিযোগ ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’, সংবাদ সম্মেলনে আশিক মাহমুদ

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা

হাওরের বুকে ভাসমান পার্ক,প্রতিদিনই বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়

ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত

ফুলবাড়ীয়ায় শিক্ষকের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পঞ্চগড়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ফুলপুরে বিশেষ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ২ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নন্দীগ্রামে এমইপি গ্রুপের ইলেকট্রিশিয়ানদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দ্রুত সুস্থতার আশাবাদ চিকিৎসকদের

অসুস্থ শিশু মুজাহিদকে নগদ অর্থ প্রদান করলেন আলোর পথে ফাউন্ডেশন পঞ্চগড়

শিশুদের নির্যাতনকারীর গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে লাকসামে মানববন্ধন

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পোলশার বারিন্দা গ্রামে সরকারি রাস্তা ও খাস জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ

আদালতে সাক্ষ্য ঠেকাতে প্রাণনাশের হুমকি, নিরাপত্তা চেয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় জিডি

ধর্মপাশায় সেলবরষ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনার তুঙ্গে রায়হান আহমেদ বাদশা

নরসিংদীতে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মা-ছেলেকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

চন্দনাইশ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ভিডিও ভাইরাল

চিরিরবন্দরে সাপের কামড়ে গৃহবধুর মৃত্যু

চাঁদপুরে যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফরিদা ইলিয়াস গ্রেপ্তার

বৃত্তির ফল নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে আলোচনায় আহাদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল

ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া সহ অসংখ্য অভিযোগ কবিরের বিরুদ্ধে

মাটির মা ফাউন্ডেশনের ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সভাপতি মোজাম্মেল হক, সম্পাদক কাজী আলম ভূঁঞা

ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল পরিদর্শন করে সন্তুষ্ট ইফার ফিল্ড অফিসার

আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার

দয়ারামপুর (তালতলা, বিলপাড়া ও কাজিরদিয়ার) আদর্শ গ্রাম বিনির্মাণে ১১ সদস্যবিশিষ্ট কার্যকরী (আহবায়ক) কমিটি গঠন

বাজেট সংকটে কাওরাইদ রেলওয়ে স্টেশনের সংস্কার কাজ বন্ধ: মরণফাঁদে পরিণত প্ল্যাটফর্ম, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

সমাজ ও সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আলাউদ্দিন আদরকে সম্মাননা

শিক্ষায় মানোন্নয়নে একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

বিজিবির বাধায় দৌলতপুর সীমান্তে পুশ-ইন ব্যর্থ

স্পিডবোট চালক নির্যাতনের অভিযোগে নাম জড়ানো ভিত্তিহীন, নিরপেক্ষ তদন্ত চান যুবদল নেতা এম শহীদ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঘর পুনর্নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

সাইবার সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটির সভা

৫ আগস্ট খুলে দেয়া হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী

উত্তোলনের তুলনায় মাটির নিচে পানি জমছে কম, খরাপ্রবণ এলাকায় বড় শঙ্কা

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী