
আজিজুল হাকিম তুহিন, লামা উপজেলা প্রতিনিধি কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন ও কোয়ান্টাম মেথডের মাধ্যমে সফলতা, প্রাচুর্য, সুস্বাস্থ্য ও সুখী জীবনের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন সমালোচকরা।তাদের দাবি, কয়েক লাখ অংশগ্রহণকারীর মধ্যে মাত্র হাতে গোনা কিছু ব্যক্তির উদাহরণ বারবার সামনে আনা হয়। কিন্তু যারা কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাননি, তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা আড়ালেই থেকে যায়।কোর্স চলাকালে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে প্রবল আবেগ ও ইতিবাচক বিশ্বাস তৈরি করা হয়। এর ফলে অনেকেই সাময়িক অনুভূতিকে স্থায়ী পরিবর্তন হিসেবে মনে করেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে দেখা যায়, প্রত্যাশিত উন্নতির অনেক দাবিই বাস্তবে টেকসই হয়নি।কোয়ান্টাম মেথডের সফলতার গল্পগুলোর বড় অংশই নির্বাচিত ও পুনরাবৃত্ত উদাহরণ। বিশেষ করে কিছু পরিচিত অংশগ্রহণকারীর গল্প শত শত কোর্সে তুলে ধরা হলেও একই ধরনের সাফল্য অন্যদের ক্ষেত্রে দেখা যায়নি।অনেক সফল ব্যক্তি কোয়ান্টামে যোগদানের আগেই প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তাদের সাফল্যকে কোয়ান্টাম মেথডের অর্জন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।কোয়ান্টামের প্রকাশনা ও প্রচারণায় অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা বাছাই করে উপস্থাপন করা হয়, যা বাস্তব চিত্রকে পুরোপুরি প্রতিফলিত করে না।তাদের দাবি, অধিকাংশ অংশগ্রহণকারী কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেও আরও কোর্স, সেবা কার্যক্রম ও দানের মাধ্যমে যুক্ত থাকতে উৎসাহিত হন। এতে অনেকের সময়, শ্রম ও অর্থ ব্যয় হলেও প্রত্যাশিত উন্নতি আসে না।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা কথা বলতে রাজি হয়নি।বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত উন্নয়নমূলক যেকোনো প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা মূল্যায়নে আবেগের পরিবর্তে নিরপেক্ষ তথ্য, গবেষণা ও দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল বিবেচনা করা প্রয়োজন।





























