
কবির হোসেন
এবারে চলতি বছরে মাধ্যমিক স্কুল সাটিফিকেট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের গোপীনাথপুর দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসা ১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করলেও কেউ পাস করতে পারেনি।
গতকাল সোমবার সকাল ১০টার দিকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি সব বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফলে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার গোপীনাথপুর দারুস সালাম দাখিল মাদ্রাসা থেকে মোট ১৬ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে থাকলে এর মধ্যে ১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেছিলো। তাও কেউ পাস করতে পারেনি। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে পুরো এলাকায়। চলতি বছরে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৫৫.৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করলেও কেন ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির এমন বেহাল দশা।
চলতি বছরে মাধ্যমিক স্কুল সাটিফিকেট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় ১০ আগস্ট এতে গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন। ফলাফল প্রকাশের পর যখন এমন বাঁধভাঙ্গা আনন্দে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা সেখানে যেন ঘঠেছে এক ব্যতিক্রম ঘটনা যা অবাক করে দিয়েছে সবাইকে।
অবাক করারই কথা কারণ প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক আছে ১৩ জন কিন্তু দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে মাত্র ১৪ জন শিক্ষার্থী। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো এই ১৪ জন শিক্ষার্থীর কেউ পাস করতে পারেনি পরীক্ষায়।
মাদ্রাসার পার্শ্ববর্তী বাসিন্দা মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, এই মাদ্রাসায় এক বছর যাবত কোন শিক্ষক ছাত্র আসে না পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার মো. রায়হান উদ্দিনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে যে কোন সময় মোবাইল বন্ধ করে সটকে পড়েন। মাদ্রাসা ও বাসায় গিয়ে তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহারিত মোবাইল ফোনটি সকাল ১০টায় যোগাযোগ করার পর থেকে বন্ধ পাওয়া যায়।
ভারপ্রাপ্ত জেলা শিক্ষা অফিসার ও অতিরিক্ত দায়িত্ব গোমস্তাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল মতিন জানান, মাদ্রাসাটি এমপি ভুক্ত নয়। তবে ফলাফল খারাপ হওয়ার জন্য মাদ্রাসাটিকে কারণ দর্শন নোটি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





























