
শাহিন মিয়া বিশেষ প্রতিনিধি:
১৮ অক্টোবর সময় সন্ধ্যা ৬:০০ ঘটিকায় বিশেষ বিবরন আলোচনা করা হলো।
বাংলাদেশের সিলেট জেলা আম্বরখানা এলাকায় অবস্থিত হযরত শাহ্ জালাল (র) এর মাজার । প্রথমে ঢুকতেই দেখা যায় বিশাল এক ফটক বা গেইট যাতে লিখা আছে, দরগাহ-এ-হযরত শাহ্ জালাল (র) এবং দুই পাশ আল্লাহু ও মুহাম্মাদু লিখা । ভিতরে ঢুকে প্রথমেই চোখে পড়ে বিশাল এক মসজিদ যার দু পাশে রয়েছে হাজারো মানুষের ওজু বা নিজেকে পবিত্র করার ব্যবস্থা ।
মসজিদের নিচে রয়েছে ৪ টা বিশাল বিশাল খেজুর গাছ যা দেখলে মনে হয় এ যেন আরব দেশ । এ খেজুর গাছের নিচে বসে পাগল, ফকিরদের আস্তানা । এর পাশে মোয়াজ্জেম বাড়ি যেখানে সংরক্ষিত আছে, হযরত শাহ জালাল (র) এর ব্যবহৃত তলোয়ার, যা দেখতে জুলফিকর এর মত। তলোয়ারের পাশেই দেখা যায় শাহ জালাল (র) এর সোনালী খড়ম জোড়া, এখনও দেখতে নতুনের মত মনে হয়। এগুলো দেখতে প্রতিদিন ভীড় করে দূর থেকে আসা ভত্তবৃন্দ।
গেইটের ডান পাশে দরগাহ অফিস তারই পাশে রয়েছে জালালী কবুতর দের খাবার দেওয়ার স্থান ।
এখানে দেখা যায় কবুতর বসবাসের জন্য রয়েছে বিশাল অট্টালিকা, এর পাশে মহিলাদের নামাজের স্থান । মা-বোনেরা এখানে নামায আদায় করে। একটু সামনেই রয়েছে বিশাল ৩ টা শিন্নীর ডেগ, এই ডেগে ভক্তবৃন্দগণ টাকা, সোনা, রোপা, ইত্যাদি দান করা হয়। এখানে রয়েছে পুলিশ ও আনসারদের দ্বারা সুরক্ষা নিশ্চিত করন ব্যবস্থা । এর পাশে রয়েছে লঙ্গরখানা এখানে হয় অসংখ্য মানুষের খাবার ব্যবস্থা ।
এর একটু সামনে রয়েছে পুকুর, যেখানে রয়েছে অসংখ্য গজার গাছ। এখানে দেখা যায় মানুষ ওজু করছে কেউবা দিচ্ছে মাছকে খেতে চিংড়ি মাছ ।
এর পর চোখে পড়ল ছোট একটা গেইট যেখান থেকে বের হয়ে যাওয়া যাবে যেখানে হযরত শাহ্ জালাল এর ব্যবহৃত কুপ । কুপের আগে মজু শাহ এর মাজার ।
এ কুপের পানি এখনও ভত্তবৃন্দগন পানি পাণ করে এবং মানত করে। কুপ থেকে বেরিয়ে চোখে পড়ল কবরস্থান, এখানে রয়েছে লাখো মানুষ ও ভক্তবৃন্দের কবর। কবরস্থান ঘুরে আরাও একটা ছোট গেইট আমরা ঢুকে যাব মাজারে । সবমিলে মাজারে আমরা গেইট পায় ৩ টা ১ টা দিয়ে ঢুকা যায়, বাকী ২ টা দিয়ে বের হওয়া এমনটা বুঝতে পারি ।
আমরা এখন মাজারে ঢুকব, ঢুকতেই প্রথমে চোখে পড়ে রাজকীয় সিঁড়ি। সিঁড়ির বাম পাশে মাসজিদ তার সামনে খাদেমদের ইবাদত খানা, এখানে রয়েছে বিশাল দানবাক্স একটু সামনে চোখে পড়ে সরেক ওম আবু নছর এবং এর কয়েক কদম পর সরেক ওম আবু নাছির এর মাজার।
এখন মাজারে ঢুকলাম প্রথমে চোখে পড়ে ৪ জনের মাজার । ১/ হাজী উল- হারামারেন হযরত শেখ হাজী মোহাম্মদ ইউসুফ (হযরত শাহ জালাল বাবার ভগ্নীপুত্র ) জানা যায় , তিনির বংশধর সরকওম পরিবার বর্গ । ২/ হাজী হযরত পীর দরিয়া, ৩/ হয়রত হাজী খলিল, ৪ সরেক ওম আবু তোরাব আব্দুল ওয়াহাব ।
৪ জনের পর পাওয়া যায় হয়রত শাহ জালাল (র) এর লাল সবুজের সাত সামিয়ানার নিচে চির শায়িত মাজার ।এর ডান পাশে শুয়ে আছেন, ইয়ামেনের শাহ্জাদা শেখ আলী এবং বামে শুয় আছেন, সিলেটের শাসনকর্তা মকবুল খান। ভিতরে রয়েছে হাজারো পবিত্র কোরআন শরীফ এবং তিন গম্বুজ বিশিষ্ট নামাজ আদায় করার স্থান । ভিতরে রয়েছে ১টা বিশাল দান বাক্স সেটা আনসার দ্বারা নিয়ন্ত্রীত ।





























