
বিশেষ প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি, পদত্যাগ, অবসরজনিত কারণে ৩৫টি পদ শূণ্য হয়। তৎমধ্যে সুবিধাজনক ৩টি বিদ্যালয়ে বিধিবর্হিভুতভাবে বদলির প্রস্তাব দেয়ায় শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা শিক্ষক বদলি কমিটি গঠন ও সাধারণ শিক্ষকদের আবেদনের সুযোগ দেওয়ার পূর্বে এই ধরনের গোপন প্রক্রিয়ায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সহকারী শিক্ষকরা।
জানা যায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর চন্দনাইশ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সহকারী শিক্ষক বদলির আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। কিন্তু বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বেই সম্পূর্ণ গোপনে উপজেলার ভৌগোলিক দিক থেকে সুবিধাজনক ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য পদের বিপরীতে উপজেলার বাইরের ৩ জন সহকারী শিক্ষককে বদলির প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়।
গাছবাড়ীয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ পূর্ব জোয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দোহাজারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশনা অনুযায়ী এই বদলির প্রস্তাব পাঠানো হয়। ফলে অনেক শিক্ষক যোগ্যতা থাকার সত্ত্বেও আবেদনেরই সুযোগ পাননি। ফলে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষক সমাজে। বঞ্চিত শিক্ষকদের দাবি বদলি কমিটি গঠন করার পূর্বেই এ ধরনের গোপন প্রস্তাব নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং সাধারণ শিক্ষকদের প্রতি অন্যায়ের শামিল।
এই ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ইলিয়াছ বলেছেন, বিষয়টি জেলা শিক্ষা অফিস থেকে করা হয়েছে। তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।





























