
মো আনিছুর রহমান (স্টাফ রিপোর্টার) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গত মঙ্গলবার আড্ডায় মাতেন প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমান। ঢাকার গুলশানের লেকশোরে হোটেলে বেলা একটা থেকে চারটা নাগাদ এ আড্ডা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের মেয়ে মেহভীন রহমান মুনিয়া এ আড্ডার আয়োজন করেন।
আয়োজনে থাকা একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, শুরু থেকেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে ছিলেন জাইমা রহমান। তিনি প্রতিটি শিশুর কাছ থেকে তাদের ইচ্ছার কথা জানতে চান। তাদেরকে বুঝানোর চেষ্টা করেন যে পড়ালেখার পাশাপাশি অন্যান্য বিষয়েও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে। এ সময় জাইমা রহমান তার ব্যক্তিগত জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। শিশুদের কাছে জানতে চান, তারা রান্না করতে পারেন কি-না। কয়েক শিশু হ্যাঁ বলার পর তাদের এলাকায় গেলে কি খাওয়াবে বলেও জানতে চান। শিশুরা জানায়, তারা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়াবে। এ সময় জাইমা রহমান বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ খাওয়ারও ইচ্ছা পোষণ করেন।
কথা হয় রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিনের সঙ্গে। আপ্লুত এ শিক্ষার্থী বলে, ‘আমার খুব ভালো লেগেছে। প্রধানমন্ত্রী কন্যা এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন ভাবতে পারিনি। ওনি আমাদেরকে বলেছেন পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলা করতে।’
উপস্থিত সহকারি শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কন্যার সঙ্গে শিশুরা বেশ ভালো সময় কাটিয়েছে। ওনি প্রতিটা শিশুকে কাছে ডেকে তাদের কথা শুনেছেন। নিজের জীবনের কথা শুনিয়েছেন। অনেক স্বপ্নের কথা বলেছেন।
আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভুইয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কন্যার সঙ্গে আলোচনায় বসতে পেরে শিশুরা বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এটা নিয়ে বেশ আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী কন্যা শিশু শিক্ষার্থীদের কথা মনযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের বিষয়েও শিশুদের সঙ্গে কতা বলেছেন।’
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘আসলে আমরা আশা করিনি প্রধানমন্ত্রী কন্যা এত বেশি সময় দিবেন। সব শিশুর কাছ থেকে সময় নিয়ে কথা শুনবেন। বিষয়টি শিশুদেরকে খুব অনুপ্রাণিত করেছে।




























