শিরোনাম
কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ ২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মৃত্যু
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬

নতুন বাজেটে করের বাড়তি চাপ, জীবনযাত্রার খরচ বাড়বে

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | অনলাইন সংস্করণ

Image

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে দেশের কর কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাজস্ব ঘাটতি মোকাবিলা, আন্তর্জাতিক ঋণচাপ এবং উন্নয়ন ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজন—সব মিলিয়ে সরকার এবার কর আহরণ বাড়াতে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। তবে সেই আহরণ কাঠামো কীভাবে সাজানো হচ্ছে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্য বলছে—প্রত্যক্ষ করের পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হচ্ছে। এর ফলে আয়ভিত্তিক কর থেকে ভোগভিত্তিক করের দিকে একটি স্পষ্ট ঝোঁক তৈরি হচ্ছে, যার প্রভাব পড়বে সমাজের প্রায় সব স্তরের মানুষের ওপর।


সর্বজনীন করের দিকে যাত্রা?


প্রস্তাবিত কর কাঠামোর সবচেয়ে আলোচিত দিক হলো, উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পদের ওপর কর আরোপের উদ্যোগ। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, কেউ যদি এক টাকার সম্পদও উত্তরাধিকার হিসেবে পান, তাতেও কর দিতে হবে। যদিও এক টাকার নিচে প্রাপ্ত সম্পদের ক্ষেত্রে কর প্রযোজ্য হবে না, কিন্তু এই সীমা অতিক্রম করলেই করের আওতায় পড়তে হবে। ফলে কার্যত ভিক্ষুক বা সম্পদহীন মানুষ ছাড়া প্রায় সবাই করের আওতায় চলে আসবেন।


এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে কৃষক, শ্রমিক, দিনমজুর—কারও জন্যই কোনও বিশেষ ছাড় থাকছে না, যদি তারা উত্তরাধিকারসূত্রে সম্পদ পান। অর্থাৎ কর ব্যবস্থায় একটি সর্বজনীনতার ধারা তৈরি হচ্ছে, যেখানে সম্পদের মালিকানা থাকলেই কর দিতে হবে, তা যতই সামান্য হোক না কেন।


করের হার ও কাঠামো


উত্তরাধিকার করের ক্ষেত্রে দুটি শ্রেণি নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে—নিকটাত্মীয় ও দূরসম্পর্কের আত্মীয়। নিকটাত্মীয়ের ক্ষেত্রে (মা, বাবা, ভাই, বোন) ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ১ শতাংশ, পরবর্তী ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত ২ শতাংশ। পরবর্তী ধাপে ৩ শতাংশ, উচ্চ স্তরে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ।


দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের ক্ষেত্রে: ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ৩ শতাংশ, পরবর্তী ৫ কোটি টাকা ৫ শতাংশ, এরপর ৭ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ স্তরে ১০ শতাংশ।


এই কর হিসাব করা হবে সম্পদের বর্তমান বাজারমূল্যের ভিত্তিতে। এখানেই তৈরি হচ্ছে নতুন এক অনিশ্চয়তা। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই সম্পদের ঘোষিত মূল্য ও বাজারমূল্যের মধ্যে বড় পার্থক্য থাকে। ফলে কর নির্ধারণে কর কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভরশীলতা বাড়বে, যা হয়রানি বা স্বেচ্ছাচারিতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।


একটি উদাহরণ


ধরা যাক, কোনও ব্যক্তি জীবদ্দশায় ১০ লাখ টাকার একটি সম্পদের মালিক ছিলেন। মৃত্যুর পর দেখা গেলো সেই সম্পদের বাজারমূল্য বেড়ে এক কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এখন উত্তরাধিকারী সেই সম্পদ পাওয়ার সময় তাকে ১ শতাংশ হারে এক লাখ টাকা কর দিতে হবে। যদি একাধিক উত্তরাধিকারী থাকে, তাহলে প্রত্যেককে তাদের অংশ অনুযায়ী কর দিতে হবে। এই ধরনের কর কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সম্পদ হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় একটি নতুন আর্থিক চাপ তৈরি হবে, যা নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য বিশেষভাবে চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠতে পারে।


পরোক্ষ করের বিস্তার: চাপ বাড়বে কার ওপর?


কর কাঠামোর আরেকটি বড় পরিবর্তন হচ্ছে পরোক্ষ করের বিস্তার। পরোক্ষ কর এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে কর সরাসরি আয়ের ওপর নয়, বরং পণ্য ও সেবার ভোগের ওপর আরোপ করা হয়। ফলে একজন ধনী ব্যক্তি ও একজন দরিদ্র ব্যক্তি একই পণ্য কিনলে একই হারে কর দেন। এখানেই তৈরি হয় বৈষম্য। কারণ দরিদ্র মানুষের আয়ের বড় অংশ ব্যয় হয় ভোগে, ফলে তাদের আয়ের তুলনায় করের বোঝা বেশি হয়ে দাঁড়ায়।


উদাহরণ হিসেবে ধরা যেতে পারে, এক কেজি দুধের দাম ৫০ টাকা, এর ওপর ১০ টাকা ভ্যাট আরোপ করা হলে ক্রেতাকে ৬০ টাকা দিতে হবে। এই অতিরিক্ত ১০ টাকা সবার জন্য সমান হলেও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এটি তুলনামূলক বড় চাপ।


গবেষণা কী বলছে?


বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে পরোক্ষ কর কাঠামো কার্যত প্রত্যাবর্তনশীল (রিগ্রেসিভ)। অর্থাৎ, এটি ধনীদের তুলনায় দরিদ্রদের ওপর বেশি চাপ সৃষ্টি করে। গবেষণায় বলা হয়েছে—দৈনিক ২০০ টাকা আয়কারী ব্যক্তি ১৫ শতাংশ ভ্যাট দেন। একইভাবে ৫ হাজার টাকা আয়কারী ব্যক্তিও একই হারে ভ্যাট দেন। ফলে দরিদ্র ব্যক্তির আয়ের তুলনায় করের অংশ অনেক বেশি হয়ে যায়।


এছাড়া গবেষণায় আরও দেখা যায়—মোট জনসংখ্যার মাত্র ১ শতাংশ ধনী শ্রেণি, আয়কর প্রদানে অংশগ্রহণ মাত্র ৩৩ শতাংশ টিআইএনধারীর। অথচ ভ্যাট ও অন্যান্য পরোক্ষ করের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীই রাজস্বের বড় অংশ জোগান দেয়।


মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রভাব


পরোক্ষ কর বাড়ানোর একটি তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে বাজারে। পণ্যের দাম বেড়ে যায়, যার ফলে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। একইসঙ্গে মুদ্রাস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে, যার ফলে টাকার ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। অর্থাৎ, আজ যে টাকায় একজন মানুষ নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য কিনতে পারছেন, ভবিষ্যতে সেই একই টাকায় কম পণ্য পাবেন। এতে সঞ্চয় কমে যেতে পারে, বিনিয়োগে অনাগ্রহ তৈরি হতে পারে এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক গতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।


সঞ্চয়ে করের চাপ: নিরুৎসাহের আশঙ্কা


নতুন বাজেটে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব হচ্ছে—ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর আবগারি শুল্ক বাড়ানো। বর্তমানে যেখানে এই হার প্রায় ১৫ শতাংশ, তা বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করার চিন্তাভাবনা চলছে। এর ফলে এফডিআর বা সঞ্চয়পত্রের মুনাফার বড় অংশ কর হিসেবে কেটে নেওয়া হবে। সঞ্চয়ে আগ্রহ কমে যেতে পারে। ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট তৈরি হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি বিনিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।


কর প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ


কর ব্যবস্থায় দাফতরিক জটিলতা, হয়রানি এবং অদক্ষতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। অনেক সম্ভাব্য করদাতা এই কারণে প্রত্যক্ষ কর দিতে অনাগ্রহী হয়ে পড়ছেন। ফলে সরকার পরোক্ষ করের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠছে, যা আবার বৈষম্য বাড়াচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর প্রশাসন আধুনিকায়ন না করলে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে কর আহরণ বাড়ানো কঠিন হবে।


আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট


বিশ্বের অনেক দেশেই উত্তরাধিকার কর চালু রয়েছে। যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও জাপান। তবে কিছু দেশ এই কর বাতিলও করেছে। আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বলছে—এই খাত থেকে রাজস্ব আসে তুলনামূলক কম। তবে সম্পদবৈষম্য কমাতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশে এই কর চালু হলে কয়েক হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এর সামাজিক প্রভাব কী হবে, সেটিই বড় প্রশ্ন।


অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, কর আহরণ বাড়ানো জরুরি হলেও তা হতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ। তাদের সুপারিশ হলো—একটি নির্দিষ্ট করমুক্ত সীমা (থ্রেশহোল্ড) নির্ধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা। কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা। ডিজিটাল কর ব্যবস্থার সম্প্রসারণ।


এ প্রসঙ্গে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, আয়কর নির্ধারণে পূর্বানুমানযোগ্যতা থাকা জরুরি। ব্যবসায়ীরা যদি আগে থেকেই জানেন কত কর দিতে হবে, তাহলে তারা বিনিয়োগ পরিকল্পনা করতে পারবেন।


সরকারের অবস্থান


অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন বাজেটে বড় ধরনের কর ছাড় দেওয়া সম্ভব হবে না। তবে ব্যবসা পরিচালনায় বিদ্যমান বাধাগুলো দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। তার মতে, বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধিই অর্থনীতিকে এগিয়ে নেবে। তাই কর বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাও জরুরি।


সামগ্রিক পরিস্থিতি


সব মিলিয়ে আসন্ন বাজেট একটি নতুন কর বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে—পরোক্ষ করের বিস্তার, সঞ্চয়ে করের চাপ বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার কর চালুর উদ্যোগ। এই তিনটি বিষয় দেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—এই কর কাঠামো কতটা ন্যায্য এবং টেকসই হবে?


যদি করের বোঝা অসমভাবে নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর পড়ে, তাহলে তা সামাজিক বৈষম্য আরও বাড়াতে পারে। আবার সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি রাজস্ব আহরণ বাড়িয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সহায়তা করতে পারে। সুতরাং, কর কাঠামোর এই রূপান্তর কতটা জনবান্ধব হবে, তা নির্ভর করবে নীতিনির্ধারণের সূক্ষ্মতা, বাস্তবায়নের দক্ষতা এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রের ন্যায্যতার প্রতি অঙ্গীকারের ওপর।


আরও খবর




কুতুব শাহী মসজিদের সৌন্দর্য দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়, নেই প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা

চন্দনাইশে দিনদুপুরে প্রধান শিক্ষকের বাসায় দুর্ধর্ষ চুরি, ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মালামাল লুট

উলিপুরে টিআইয়ের উপস্থিতি নিয়ে ধোঁয়াশা: দুই কর্মকর্তার দুই রকম বক্তব্য

কুমিল্লার শ্রেষ্ঠ পিআইও লাকসামের আহমদ উল্লাহ সবুজ

২৮শে অক্টোবর ২০০৬ বর্বর হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে নাঙ্গলকোটে জামায়াতের আলোচনা সভা,দোয়া ও বিক্ষোভ মিছিল

মুরাদনগরে চোরাই সিএনজি সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

লগী বৈঠা হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে লাকসামে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

আড়াইহাজারে দূষণের দায়ে প্রবাসী হাসপাতালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মুরাদনগরে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

রায়গঞ্জে ২৮ অক্টোবরের স্মরণে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নারায়ণগঞ্জে শব্দদূষণ ৪ যানবাহনকে জরিমানা

কানুনগোর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগের প্রতিবাদে আকবর হোসনের সংবাদ সম্মেলন

লালমোহনে সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধের মৃত্যু

মুরাদনগরে অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

পূর্ব অষ্টগ্রামে গুদাম থেকে চাল না তুলেই বিতরণের অভিযোগ,চাল নষ্ট থাকারও দাবি

জনপ্রিয়তার শীর্ষে ১০ নং গড়জরিপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম এ জলিল

সুমাইয়া বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ আইইটি স্কুলের শিক্ষকরা

‘বাবা নির্দোষ, প্রভাবশালীর আক্রোশের শিকার’ জিসান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কালু ড্রাইভারের পরিবারের দাবি

সশস্ত্রবাহিনী বোর্ডের সচিবের সাথে সাক্ষাৎ: সৈনিকদের রেশন ও ‘ওয়ান র‍্যাংক ওয়ান পে’সহ ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা

গাজীপুরের কাশিমপুরে পিকআপসহ আটক ৩ জন কোথায় গেলেন?

গাজীপুরে ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের মানববন্ধন

স্বপ্নের কায়েতপাড়া ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গোলজার হোসেনের

রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অপহরণ,মারধর ও জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেয়ার অভিযোগ

গাজীপুর জেলায় অনুষ্ঠানে অসকস নেতৃবৃন্দের মিলনমেলা

উলিপুরে জমি দখল করে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

রূপগঞ্জে ভূয়া দলিল ও জালিয়াতি করে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

অস্ত্রের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার, বৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত পাচ্ছেন ব্যবসায়ী আলহাজ সোহাগ

শ্যামনগর-কালিগঞ্জে ডিলারদের জিম্মি করে মাসে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ

নাঙ্গলকোটে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাঙচুর,আহত ২

আমতলীতে ১৪৫ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের সংগঠন পেল বাণিজ্য সংগঠনের লাইসেন্স

জাতিসংঘে অনুমোদিত হবে এলডিসির সময় বৃদ্ধি : বাণিজ্যমন্ত্রী

‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ সোহাগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে হবে: আলহাজ মো. সোহাগ

রাষ্ট্রীয় সম্পদে নতুন প্রাণ, বন্ধ পাটকলে ১,০৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ

শিগগিরই মার্জিন ইস্যু রুলসসহ ৩ বিধিমালায় পরিবর্তন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে আরও শক্তিশালী হবে বিএসটিআই: শিল্পমন্ত্রী

সামনের কঠিন পথ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

জিডিপি-কর্মসংস্থানে বড় অবদান, তবুও নীতি সহায়তার অভাবে ধুঁকছে হালকা প্রকৌশল শিল্প