
নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি: বগুড়ার নন্দীগ্রামে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রউফ রুবেলসহ বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই নামে-বেনামে খোলা কিছু ফেসবুক আইডি থেকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্য, অশালীন ভাষা ব্যবহার এবং ব্যক্তিগত আক্রমণের মাধ্যমে নেতাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। যা এখনো চলমান রয়েছে। বগুড়া-০৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন সহ সাংবাদিক থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের নেতাকর্মীদের নিয়ে ফেক আইডিতে মান সম্মান নষ্ট করা হচ্ছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এ নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য, প্রমাণহীন অভিযোগ ও ব্যক্তিগত আক্রমণ ছড়ানো হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে শুধু সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতারাই বিব্রত হচ্ছেন না, সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, কটূক্তি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হচ্ছে। কখনো পরিচিত ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে, আবার কখনো পরিচয় গোপন রেখে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে কাউকে হেয় করা, অশালীন ভাষায় আক্রমণ করা কিংবা যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তিগত ও সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা কোনোভাবেই সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিচয় নয়। স্থানীয় পর্যায়ে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড, সামাজিক উদ্যোগ কিংবা এলাকার উন্নয়নে কেউ ভূমিকা রাখলে তাঁকে ঘিরেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তাঁদের ভাষ্য, রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা হবে কাজ, জনসম্পৃক্ততা, আদর্শ ও কর্মসূচির ভিত্তিতে। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ, মিথ্যা অপবাদ কিংবা ভুয়া পরিচয়ে অপপ্রচার চালিয়ে কাউকে বিতর্কিত করার চেষ্টা





























