শিরোনাম
মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা,একজনের যাবজ্জীবন,একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ অসহায় পরিবারের পাশে আলহাজ্ব হযরত আলী: মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত নাঙ্গকোটে হাফেজে কোরআনের মা-বাবা হতে চাই শীর্ষক আলোচনা সভা ও অভিভাবক সমাবেশ আজমিরীগঞ্জে ৫০ শয্যার আধুনিক ভবন,তবু সেবা মিলছে ৩১ শয্যার! বাক্সবন্দি যন্ত্রপাতি নষ্ট শেরপুর সীমান্তে ২৭৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পেশা ছাড়ছেন বিমাকর্মীরা

আলোকিত বাণিজ্য ডেস্ক
প্রকাশিত:শনিবার ০২ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ মার্চ ২০২৪ | অনলাইন সংস্করণ

Image

এজেন্ট হিসেবে ২০০৬ সালে বিমা পেশা বেছে নেন মো. শরিফুল ইসলাম (ছদ্মনাম)। গ্রামে গ্রামে ঘুরে স্বল্প আয়ের কয়েকশ মানুষকে বিমার আওতায় আনেন। মাসে এক, দুই বা পাঁচশ টাকা করে বিমা প্রিমিয়াম দিতে থাকেন এসব গ্রাহক। ১০ বছর পর এসব বিমা পলিসির মেয়াদ শেষে ঘটে বিপত্তি। মাসের পর মাস, এমনকি বছর গড়িয়ে গেলেও কোম্পানি গ্রাহকদের বিমা দাবির টাকা পরিশোধ করে না।


তিক্ত-বিরক্ত হয়ে গ্রাহকরা শরিফুলকে নানাভাবে নাজেহাল করতে থাকেন। এক পর্যায়ে নতুন গ্রাহকদের বিমা করা বন্ধ করে দেন এই বিমা এজেন্ট। একই সঙ্গে নানা উপায়ে তার মাধ্যমে যেসব গ্রাহক বিমা করেছেন, তাদের দাবির টাকা আদায়ের চেষ্টা করেন। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া শরিফুল এক সময় পেশাই ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।


শুধু শরিফুল নন, এ ধরনের তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছে কয়েক হাজার বিমা এজেন্ট। দ্বারে দ্বারে ঘুরে স্বল্প আয়ের মানুষকে বিমার আওতায় আনা অনেক এজেন্ট মেয়াদ শেষে তাদের দাবির টাকা তুলে দিতে না পারার তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছেন। রাগে-ক্ষোভে অনেকেই এক পর্যায়ে ছেড়েছেন পেশা। বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) হিসাবেই ২২টি জীবন বিমা কোম্পানিতে নিষ্ক্রিয় এজেন্টর সংখ্যা তিন লাখ ২২ হাজার ৩৮৮ জন।


বিমা পেশা ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে শরিফুল ইসলাম বলেন, এইচএসসি পাস করে এজেন্ট হিসেবে যখন কাজ শুরু করি তখন বেশ ভালো লাগতো। নতুন নতুন পলিসি বিক্রি করতাম, কমিশনের টাকা পেতাম। এতে পলিসি বিক্রির আগ্রহ বেড়ে যায়। কিন্তু মেয়াদ শেষে যখন গ্রাহক দাবির টাকা পাচ্ছেন না, তখন সব খুশি, আনন্দ শেষ হয়ে যায়। দাবির টাকা না পাওয়া গ্রাহক নানাভাবে আমাকে নাজেহাল করতে থাকেন। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় নিজের বাড়িতেই থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।



তিনি বলেন, আমার মাধ্যমে যারা বিমা করেছেন, তারা অনেক কষ্ট করে টাকা দিয়েছেন। মেয়াদ শেষে যখন তারা সেই টাকা ফেরত পাবেন না, স্বাভাবিকভাবেই তারা ক্ষিপ্ত হবেন। এক পর্যায়ে সবকিছু মেনে নিয়েছি। কেউ কিছু বললে মুখ বুঝে সহ্য করি। নতুন বিমা পলিসি বিক্রি করা বন্ধ করে দিয়েছি। বিমার প্রতি আমার আস্থা পুরোপুরি উঠে গেছে।


তিনি আরও বলেন, আমি কাজ শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই ৫শ জনকে বিমার আওতায় নিয়ে আসি। বিমা কোম্পানি যদি দাবির টাকা সময়মতো গ্রাহকদের পরিশোধ করতো, তাহলে অনেক মানুষকে বিমার আওতায় আনা সম্ভব হতো। কিন্তু কোম্পানি সময়মতো দাবির টাকা না দেওয়ায় মানুষ এখন বিমার নাম শুনলেই বিরক্ত হয়।


ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার মো. জুয়েল পেশায় একজন ভ্যানচালক। পরিশ্রমের টাকা অল্প অল্প করে জমিয়ে একটি বিমা পলিসি কেনেন। নিয়ম মেনে প্রিমিয়ামের সব টাকা জমা দিলেও মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ছয় মাসের বেশি পার হলেও তিনি বিমার টাকা পাননি।


এ বিষয়ে জুয়েল বলেন, যার মাধ্যমে বিমা করেছি, তার কাছে গেলেই বলে কোম্পানিতে সব কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। কোম্পানি চেক পাঠালেই পেয়ে যাবেন। ছয় মাসের বেশি সময় ধরে ঘুরছি, কিন্তু বিমার টাকা পাচ্ছি না। আমি ভ্যান চালানো টাকা দিয়ে বিমা করেছি, এখন সেই টাকা ফেরত পাচ্ছি না। বিভিন্ন মাধ্যমে কোম্পানিতে যোগাযোগের চেষ্টা করছি, তাতেও কাজ হচ্ছে না।


এরপর জুয়েল যে এজেন্টের মাধ্যমে বিমা পলিসি কেনেন তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। উজ্জ্বল নামে এই বিমাকর্মী বলেন, আমি ভদ্র ঘরের সন্তান। বিমাকর্মী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে যেন পাপ করে ফেলেছি। প্রতিদিন মানুষ বিমার টাকার জন্য বাড়িতে এসে উৎপাত করে। কোম্পানিতে গ্রাহকদের সব কাগজপত্র নিয়ম মেনে পাঠিয়ে দিলেও মাসের পর মাস চলে যাচ্ছে, দাবির টাকা দিচ্ছে না। এখানে তো আমাদের কিছু করার নেই। কোম্পানি টাকা না দিলে আমরা কীভাবে দেবো।



এদিকে আইডিআরএর তৈরি করা প্রতিবেদন অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি নিষ্ক্রিয় এজেন্ট ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সে। এই জীবন বিমা কোম্পানিটিতে নিষ্ক্রিয় বিমা এজেন্টের সংখ্যা এক লাখ ২৪ হাজার ৬১৯ জন। এর পরের স্থানেই রয়েছে বিদেশি মালিকাধীন প্রতিষ্ঠান মেট লাইফ। এই বিমা কোম্পানিটির ৬৯ হাজার ৫০৮ জন এজেন্ট নিষ্ক্রিয়।


প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সে নিষ্ক্রিয় এজেন্টের সংখ্যা ৪৬ হাজার ৮শ জন। সরকারি মালিকানাধীন একমাত্র জীবন বিমা প্রতিষ্ঠান জীবন বীমা করপোরেশনে ৪৫ হাজার ৯৯৯ জন এজেন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। ১০ হাজার ৪৪৪ জন নিষ্ক্রিয় এজেন্ট রয়েছে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে।


এছাড়া রূপালী লাইফে ৩ হাজার ৪৭২ জন, মেঘনা লাইফে এক হাজার ৬৮৩ জন, গার্ডিয়ান লাইফে এক হাজার ৩৮১ জন, চাটার্ড লাইফে দুই হাজার ৩৬৯ জন, ন্যাশনাল লাইফে দুই হাজার ৭৩৩ জন, প্রোটেক্টিভ ইসলামী লাইফে ২৫৯ জন, আলফা ইসলামী লাইফে ৪ হাজার ৪৪ জন, জেনিথ ইসলামী লাইফের এক হাজার ৬১০ জন, হোমল্যান্ড লাইফের তিন হাজার ২৫১ জন, আস্থা লাইফের ২০ জন, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের ৫৯৭ জন, লাইফ ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন (এলআইসি) অব বাংলাদেশ এক হাজার ১২৯ জন, ডায়মন্ড লাইফে ৪৪৭ জন, মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফে ১৪০ জন, সন্ধানী লাইফে এক হাজার ৪৬১ জন এবং সানফ্লাওয়ার লাইফে ৪২২ জন এজেন্ট নিষ্ক্রিয়।



বিমা কোম্পানিগুলো নিয়মমাফিক দাবির টাকা পরিশোধ না করায় অনেকে গ্রাহকের হয়রানির শিকার হয়ে বিমা পেশা ছাড়ছেন। আইডিআরএ প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিন লাখ ২২ হাজারের বেশি এজেন্ট নিষ্ক্রিয়, এটা বিমা খাতের জন্য সুখকর কি? এমন প্রশ্ন করা হলে ডেল্টা লাইফের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) চলতি দায়িত্ব পালন করা আনোয়ারুল হক বলেন, ‘তিন লাখের বেশি নিষ্ক্রিয় এজেন্ট এটা বিমা খাতের জন্য সুখকর নয়। তবে এরা কমিশনভিত্তিক। অনেকে আছেন সিজনাল কাজ করেন, অন্য জবেও আছেন।’


তিনি বলেন, ‘আমাদের অধিকাংশ বিমা কোম্পানি সময়মতো দাবির টাকা দিচ্ছে না এবং অনেকে একেবারেই দিতে পারছে না। বিমা খাতে এটা একটা বড় সমস্যা। সে কারণে অনেকে এ পেশায় থেকে সম্মান পায় না। গ্রাহকরা অসম্মান করে, সে কারণে হয়তো নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এটা ছাড়াও নানা কারণে নিষ্ক্রিয় হয়। তবে প্রধান কারণ এটি (দাবি পরিশোধ না করায় গ্রাহক দ্বারা হয়রানির শিকার)।’


ডেল্টা লাইফে সবচেয়ে বেশি নিষ্ক্রিয় এজেন্টের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোম্পানির জন্ম থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত সব তথ্য রয়েছে। ওই তথ্য আমরা রেখে দিয়েছি। কোম্পানির বয়স ৩৭ বছর হয়ে গেছে। এ কারণে সংখ্যা বেশি। এখানে পুরাতন সংখ্যাই বেশি। নতুন নিষ্ক্রিয় আমাদের কম। আমরা হয়তো খুব আহামরি ব্যবসা করি না, কিন্তু দাবি পরিশোধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। আমরা দাবি নিয়মিত দিচ্ছি এবং সেই সক্ষমতা আমাদের আছে।’


জেনিথ ইসলামী লাইফের সিইও এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম নূরুজ্জামানবলেন, ‘কয়েকটি কোম্পানির বিমা দাবি পরিশোধের হার খুবই খারাপ। এ কোম্পানিগুলোর কারণে সমগ্র বিমা খাতের বদনাম হচ্ছে। বাজারে ছড়িয়ে পড়ছে, বিমা কোম্পানি টাকা দেয় না। অনেক সময় দাবির টাকা না পাওয়া গ্রাহকরা এজেন্টদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। বিমাকর্মীদের পেশা ছাড়ার পেছনে এটা একটা কারণ হতে পারে।’


তিনি বলেন, ‘একটা সেক্টরে যখন একাধিক কোম্পানি খারাপ করে, তখন তার প্রভাব সার্বিক সেক্টরের ওপর পড়ে। বিমা খাতের মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে সঠিকভাবে দাবি পরিশোধ না করা। কয়েকটি কোম্পানি গ্রাহকদের দাবি পরিশোধ না করার কারণে যারা ভালো করছে তাদেরও বদনাম হচ্ছে।’


আইডিআরএ মুখপাত্র জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘কোম্পানি দাবির টাকা ঠিকমতো পরিশোধ না করায় এজেন্টরা অনেক সময় স্থানীয়ভাবে ঝামেলায় পড়ে। আপনি একজনকে বিমা করালেন, প্রাপ্তির সময় তার প্রাপ্তি দিতে পারলেন না, তাহলে তো আপনার প্রতি তার আস্থা বা বিশ্বাস থাকবে না। ওই রকম হয়েছে।’



এ সমস্যা সমাধানে আপনাদের উদ্যোগ কী? এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আমাদের উদ্যোগ সব সময় আছে। বিমা দাবি পরিশোধ আইডিআরএর সর্বোচ্চ প্রাধিকার দেয়। এখন যে সমস্যা বহুদিনের, সেটা তো একেবারে তাড়াতাড়ি সমাধান হয়ে যাবে না। আইডিআরএ এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।


আরও খবর




চিরিরবন্দরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুইজনের কারাদন্ড

মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন

চিরিরবন্দরে মাদকবিরোধী অভিযানে ২ জনের কারাদন্ড

মুরাদনগরে ​সম্পত্তির বিরোধে ভাইয়ের হাতে বোন ও ভাতিজা খুন

মুরাদনগরে সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

মুরাদনগরে ফুফু-ভাতিজা নিহত, জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে হামলার অভিযোগ

শাজাহানপুরে আমরুল ইউনিয়ন যুবদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত।

মাঠের বাস্তব চিত্র তুলে ধরুন, আমরা ব্যবস্থা নেব’: নারায়ণগঞ্জের এসপি

চন্দনাইশে বন্যার্ত ৭৬৬ পরিবারে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন রেড ক্রিসেন্ট

সেনবাগে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের পৃষ্ঠপোষকতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

সালিশ বৈঠকে যুবককে হত্যা,একজনের যাবজ্জীবন,একজনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কমাতে উলিপুরে ‘প্রভাতী’ প্রকল্পের সভা অনুষ্ঠিত

নারায়ণগঞ্জ সদরের বি‌ভিন্ন জলাশয়-পুকুরে ১০ হাজার পোনা অবমুক্ত

ফতুল্লায় দুই বেকারিকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের প্রতিবাদে রসুলপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

গাইবান্ধায় ১০০ পিস ইয়াবাসহ ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি ও তার ভাই আটক

সোনারগাঁয়ে ৩১ নং লাধুরচর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আশরাফুল হাসান পলাশ

জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগে পঞ্চগড়ে আনন্দ, চলছে মিষ্টি বিতরণ

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ‘অসকস’ সভাপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও চারটি দাবি উপস্থাপন

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি পদে আলোচনায় রয়েছে সালেহ মোঃ আদনান

রংপুরের তারাগঞ্জে বড় বোনের বাসা থেকে ছোট বোনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিলেন নওগাঁ ম্যাটসের শিক্ষার্থীরা

ময়মনসিংহে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটস ওয়ার্ল্ডের বিভাগীয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তেলিজানা আলিম মাদ্রাসায় আলোচনা,রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

শেৱপুরে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আ.লীগ কর্মী সেলিম গ্রেপ্তার

মুরাদনগরে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

সর্বগামী তেতুলিয়া নদীর গ্রাস থেকে মুক্তি চায় গ্রামবাসী

চন্দনাইশ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ে তুলকালাম কান্ড, অভিযোগ-বদলি নিয়ে চলছে তদবির

রংপুরের তারাগঞ্জে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে এমপি সাকিলা ফারজানা


এই সম্পর্কিত আরও খবর

ফ্লাওয়ার মিল মালিকদের সংগঠন পেল বাণিজ্য সংগঠনের লাইসেন্স

জাতিসংঘে অনুমোদিত হবে এলডিসির সময় বৃদ্ধি : বাণিজ্যমন্ত্রী

‘রিহ্যাব-রাজউক ইন্সপেক্টর ও ভবন মালিকদের যৌথ প্রযোজনায় অনিয়ম হচ্ছে’

গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন মীম শরৎ গ্রুপের এমডি মোহাম্মদ সোহাগ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়াতে হবে: আলহাজ মো. সোহাগ

রাষ্ট্রীয় সম্পদে নতুন প্রাণ, বন্ধ পাটকলে ১,০৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ

শিগগিরই মার্জিন ইস্যু রুলসসহ ৩ বিধিমালায় পরিবর্তন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে আরও শক্তিশালী হবে বিএসটিআই: শিল্পমন্ত্রী

সামনের কঠিন পথ সম্পর্কে আমি সম্পূর্ণ সচেতন : বিএসইসি চেয়ারম্যান

জিডিপি-কর্মসংস্থানে বড় অবদান, তবুও নীতি সহায়তার অভাবে ধুঁকছে হালকা প্রকৌশল শিল্প