
রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলামকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে মহানগর যুবদল। আজ সোমবার দুপুর ১২টায় নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন শেষে যুবদলের নেতাকর্মীরা রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) কমিশনার বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। পুলিশ কমিশনার ছুটিতে থাকায় তাঁর পক্ষে স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আল মামুন।
কর্মসূচিতে যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা অভিযোগ করেন, গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জেরে গত শনিবার সন্ধ্যায় চন্দ্রিমা থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ড (দক্ষিণ) যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নিজাম আলীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গ্রেফতার করে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।
নেতাদের দাবি, বাস টার্মিনাল এলাকার সংঘর্ষের প্রকৃত আসামি বাসচালক মিজানুর রহমান। কিন্তু নির্দোষ যুবদল নেতা নিজাম আলীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব মো. রফিকুল ইসলাম রবিসহ অন্য নেতারা থানায় গিয়ে ওসির কাছে গ্রেফতারের কারণ জানতে চাইলে ওসি জানান, নিজাম আলী টার্মিনাল মামলার আসামি।
বক্তারা আরও জানান, মামলার বাদী মো. আবুল কাশেম টুলু স্বয়ং থানায় উপস্থিত হয়ে নিশ্চিত করেন যে নিজাম আলী ওই মামলার আসামি নন এবং তাঁকে ভুলবশত গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু এরপরও তাঁকে মুক্তি না দিয়ে বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, বোয়ালিয়া থানা এলাকায় মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা বাড়লেও পুলিশ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এই অবনতির জন্য ওসিকে দায়ী করে দ্রুত তাঁর প্রত্যাহার দাবি করেন নেতারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি রবিউল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আল মামুন বলেন, "পুলিশ কমিশনার স্যার বর্তমানে ছুটিতে আছেন। তিনি কর্মস্থলে যোগদানের পর স্মারকলিপির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"







































